বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বৃষ্টির মতো ঝরছে শিশির, সূর্যের দেখা নেই

রোদহীন দিনভর কনকনে ঠান্ডা আর হিমেল বাতাসে বিপর্যস্ত দিনাজপুরের চিরিরবন্দরের জনজীবন। শীত আর ঘন কুয়াশায় বৃষ্টির মতো ঝরা শিশিরের দাপটে দিশেহারা মানুষ। ঘন কুয়াশায় ঢেকে পড়ছে রাস্তা। রাস্তা ভিজে গেছে কুয়াশায়। বাইরে বের হলেই শরীর ভিজে যাচ্ছে কুয়াশায়। যা বৃষ্টির মতো মনে হচ্ছে। গত দু’দিন থেকে সূর্যের দেখা মিলছে না। ঘন কুয়াশার চাদরে ঢাকা পড়েছে এ উপজেলা। তীব্র শীতে কাঁপছে এ অঞ্চলের মানুষ। তীব্র শীতে নিম্নআয়ের লোকজন কাহিল হয়ে পড়েছে।
 বৃহস্পতিবার দিনাজপুরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১৩ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
গত ক’দিন ধরেই এ উপজেলায় বৃদ্ধি পেয়েছে শীতের দাপট। ঘন কুয়াশার সঙ্গে হিমেল বাতাস হওয়ায় মিলছে না সূর্যের দেখা। জনজীবন কাবু করে দিচ্ছে শীত। সড়ক-মহাসড়কে সবধরনের যানবাহন হেডলাইট জ্বালিয়ে ধীর গতিতে চলাচল করছে। গরম কাপড়ের অভাবে অনেক দরিদ্র ও নিম্নআয়ের মানুষ জীবিকার তাগিদে  বাড়ি থেকে বের হতে না পারায় কাজেও যোগ দিতে পারছেন না। কাজে যোগ দিতে না পারায় তারা পড়ছেন বিপাকে। নিতান্তই প্রয়োজন কিংবা জীবিকার তাগিদে ছুটে চলা মানুষের দেখা মিলছে পথেঘাটে।
এদিকে, বিকাল হতে না হতেই শুরু হয় উত্তরের হিম বাতাস। সেই সঙ্গে বৃদ্ধি পাচ্ছে শীতের তীব্রতা। রাত থেকে সকাল পর্যন্ত গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টির মতো পড়ছে কুয়াশা। লোকজন সন্ধ্যার পরই প্রয়োজনীয় কাজকর্ম শেষ করে বাড়িতে চলে যাচ্ছেন।

বৃষ্টির মতো ঝরছে শিশির, সূর্যের দেখা নেই

প্রকাশের সময়: ০৪:২৩:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৫
রোদহীন দিনভর কনকনে ঠান্ডা আর হিমেল বাতাসে বিপর্যস্ত দিনাজপুরের চিরিরবন্দরের জনজীবন। শীত আর ঘন কুয়াশায় বৃষ্টির মতো ঝরা শিশিরের দাপটে দিশেহারা মানুষ। ঘন কুয়াশায় ঢেকে পড়ছে রাস্তা। রাস্তা ভিজে গেছে কুয়াশায়। বাইরে বের হলেই শরীর ভিজে যাচ্ছে কুয়াশায়। যা বৃষ্টির মতো মনে হচ্ছে। গত দু’দিন থেকে সূর্যের দেখা মিলছে না। ঘন কুয়াশার চাদরে ঢাকা পড়েছে এ উপজেলা। তীব্র শীতে কাঁপছে এ অঞ্চলের মানুষ। তীব্র শীতে নিম্নআয়ের লোকজন কাহিল হয়ে পড়েছে।
 বৃহস্পতিবার দিনাজপুরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১৩ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
গত ক’দিন ধরেই এ উপজেলায় বৃদ্ধি পেয়েছে শীতের দাপট। ঘন কুয়াশার সঙ্গে হিমেল বাতাস হওয়ায় মিলছে না সূর্যের দেখা। জনজীবন কাবু করে দিচ্ছে শীত। সড়ক-মহাসড়কে সবধরনের যানবাহন হেডলাইট জ্বালিয়ে ধীর গতিতে চলাচল করছে। গরম কাপড়ের অভাবে অনেক দরিদ্র ও নিম্নআয়ের মানুষ জীবিকার তাগিদে  বাড়ি থেকে বের হতে না পারায় কাজেও যোগ দিতে পারছেন না। কাজে যোগ দিতে না পারায় তারা পড়ছেন বিপাকে। নিতান্তই প্রয়োজন কিংবা জীবিকার তাগিদে ছুটে চলা মানুষের দেখা মিলছে পথেঘাটে।
এদিকে, বিকাল হতে না হতেই শুরু হয় উত্তরের হিম বাতাস। সেই সঙ্গে বৃদ্ধি পাচ্ছে শীতের তীব্রতা। রাত থেকে সকাল পর্যন্ত গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টির মতো পড়ছে কুয়াশা। লোকজন সন্ধ্যার পরই প্রয়োজনীয় কাজকর্ম শেষ করে বাড়িতে চলে যাচ্ছেন।