বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সাদুল্লাপুরে বেড়েছে চুরি-ছিনতাই, আতঙ্কে মানুষ

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় বেড়েছে চুরি-ছিনতাইয়ের ঘটনা। এছাড়া নানা ধরণের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড ঘটছে প্রায়ই। এর ফলে উদ্বেগ তৈরী হচ্ছে জনসাধারণের মাঝে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সম্প্রতি সাদুল্লাপুর শহরের কামরুলের ও পশ্চিমপাড়ার রাজ্জাকের দোকান থেকে চুরি, সাদুল্লাপুর হাসপাতাল থেকে দিনেদুপুরে দুটি মোটরসাইকেল চুরি, গয়েশপুর থেকে বৈদ্যুতিক ট্রান্সফরমার চুরি, খোর্দ্দরসুলপুরের ইটভাটা সংলগ্ন সড়কে ডাকাতি, মাদারহাট সড়কে অটোযাত্রীর কাছ থেকে ছিনতাই, বৈষ্ণবদাস থেকে অটোরিকশা চুরি, ফরিদপুরে গরু চুরিসহ গত পাঁচ মাসে আরও অন্তত শতাধিক চুরি-ডাকাতি ও ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে।

সচেতন ব্যক্তিরা বলছেন, এ পরিস্থিতিতে রাতেসহ খোঁদ দিনের বেলায়ও ঘটছে নানা ধরণের অপকর্মের ঘটনা। এতে করে জনজীবনে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বিশেষ সাদুল্লাপুর শহরে একাধিক চুরির ঘটনায় উদ্বিগ্ন ব্যবসায়ীরা। সেইসঙ্গে নদী ও কৃষি জমি থেকে বালু এবং মাটি বাণিজ্য এবং প্রতারণা চক্রও সক্রিয় হয়ে ওঠেছে। একই অবস্থা মাদকেও। অনেক ক্ষেত্রে চুরি ও ছিনতাইয়ের ঘটনায় ভুক্তভোগীরা থানায় অভিযোগ নিয়ে যান না। ফলে শুধু মামলার পরিসংখ্যান দিয়ে অপরাধের প্রকৃত চিত্র উঠে আসছে না। ইদানিং দিন-রাতে নানা ধরণের অপকর্ম বেড়ে যাওয়ায় সাধারণ মানুষ চরম দুশ্চিন্তায় ভুগছেন বলে একাধিক সুত্রে জানা গেছে।

সচেতন ব্যক্তিরা বলছেন, গত কয়েক মাস আগের তুলনায় বর্তমানে সাদুল্লাপুর উপজেলায় চুরি-ডাকাতি ও ছিনতাইয়ের ঘটনা অনেকটা বেড়েছে। এ কারণে জামালপুর ইউনিয়নে রাতের বেলায় গ্রামপুলিশ পাহাড়ায় দেখা গেছে।

ভুক্তভোগি রাসেল মিয়া, আতোয়ার রহমান, কামরুল ইসলামসহ আরও অনেকে জানান, তাদের কারও কারও মোটরসাইকেল ডাকাতি আবার কারও দোকান চুরির ঘটনা ঘটেছে। এ নিয়ে ক্ষুব্ধ ও উদ্বেগ প্রকাশ করেন তারা।

চুরি-ছিনতাইয়ের ঘটনা স্বীকার করে সাদুল্লাপুর বাজার বণিক সমিতির সভাপতি ও উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি শফিউল ইসলাম স্বপন বলেন, সাদুল্লাপুর শহরসহ অন্যান্য স্থানে এই এই অপকর্ম ঠেকাতে থানায় জিডি করাসহ ওসিকে একাধিকবার জানানো হয়েছে। এছাড়া ব্যবসায়ীরা তাদের দোকানে রাতে লাইট জ্বালিয়ে না রাখা এবং কুয়াশার কারণেও চুরির ঘটনা ঘটছে।

সাদুল্লাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তাজ উদ্দিন খন্দকার জানান, তেমন কোন চুরি-ছিনতাইয়ের ঘটনা নেই। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। সেইসঙ্গে বিচ্ছিন্ন কিছু চুরি-ছিনকাই ঠেকাতে পুলিশ তৎপর আছে। এই অপকর্মে জড়িতদের সনাক্ত করা হচ্ছে।

সাদুল্লাপুরে বেড়েছে চুরি-ছিনতাই, আতঙ্কে মানুষ

প্রকাশের সময়: ০৬:৫৩:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৫

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় বেড়েছে চুরি-ছিনতাইয়ের ঘটনা। এছাড়া নানা ধরণের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড ঘটছে প্রায়ই। এর ফলে উদ্বেগ তৈরী হচ্ছে জনসাধারণের মাঝে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সম্প্রতি সাদুল্লাপুর শহরের কামরুলের ও পশ্চিমপাড়ার রাজ্জাকের দোকান থেকে চুরি, সাদুল্লাপুর হাসপাতাল থেকে দিনেদুপুরে দুটি মোটরসাইকেল চুরি, গয়েশপুর থেকে বৈদ্যুতিক ট্রান্সফরমার চুরি, খোর্দ্দরসুলপুরের ইটভাটা সংলগ্ন সড়কে ডাকাতি, মাদারহাট সড়কে অটোযাত্রীর কাছ থেকে ছিনতাই, বৈষ্ণবদাস থেকে অটোরিকশা চুরি, ফরিদপুরে গরু চুরিসহ গত পাঁচ মাসে আরও অন্তত শতাধিক চুরি-ডাকাতি ও ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে।

সচেতন ব্যক্তিরা বলছেন, এ পরিস্থিতিতে রাতেসহ খোঁদ দিনের বেলায়ও ঘটছে নানা ধরণের অপকর্মের ঘটনা। এতে করে জনজীবনে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বিশেষ সাদুল্লাপুর শহরে একাধিক চুরির ঘটনায় উদ্বিগ্ন ব্যবসায়ীরা। সেইসঙ্গে নদী ও কৃষি জমি থেকে বালু এবং মাটি বাণিজ্য এবং প্রতারণা চক্রও সক্রিয় হয়ে ওঠেছে। একই অবস্থা মাদকেও। অনেক ক্ষেত্রে চুরি ও ছিনতাইয়ের ঘটনায় ভুক্তভোগীরা থানায় অভিযোগ নিয়ে যান না। ফলে শুধু মামলার পরিসংখ্যান দিয়ে অপরাধের প্রকৃত চিত্র উঠে আসছে না। ইদানিং দিন-রাতে নানা ধরণের অপকর্ম বেড়ে যাওয়ায় সাধারণ মানুষ চরম দুশ্চিন্তায় ভুগছেন বলে একাধিক সুত্রে জানা গেছে।

সচেতন ব্যক্তিরা বলছেন, গত কয়েক মাস আগের তুলনায় বর্তমানে সাদুল্লাপুর উপজেলায় চুরি-ডাকাতি ও ছিনতাইয়ের ঘটনা অনেকটা বেড়েছে। এ কারণে জামালপুর ইউনিয়নে রাতের বেলায় গ্রামপুলিশ পাহাড়ায় দেখা গেছে।

ভুক্তভোগি রাসেল মিয়া, আতোয়ার রহমান, কামরুল ইসলামসহ আরও অনেকে জানান, তাদের কারও কারও মোটরসাইকেল ডাকাতি আবার কারও দোকান চুরির ঘটনা ঘটেছে। এ নিয়ে ক্ষুব্ধ ও উদ্বেগ প্রকাশ করেন তারা।

চুরি-ছিনতাইয়ের ঘটনা স্বীকার করে সাদুল্লাপুর বাজার বণিক সমিতির সভাপতি ও উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি শফিউল ইসলাম স্বপন বলেন, সাদুল্লাপুর শহরসহ অন্যান্য স্থানে এই এই অপকর্ম ঠেকাতে থানায় জিডি করাসহ ওসিকে একাধিকবার জানানো হয়েছে। এছাড়া ব্যবসায়ীরা তাদের দোকানে রাতে লাইট জ্বালিয়ে না রাখা এবং কুয়াশার কারণেও চুরির ঘটনা ঘটছে।

সাদুল্লাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তাজ উদ্দিন খন্দকার জানান, তেমন কোন চুরি-ছিনতাইয়ের ঘটনা নেই। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। সেইসঙ্গে বিচ্ছিন্ন কিছু চুরি-ছিনকাই ঠেকাতে পুলিশ তৎপর আছে। এই অপকর্মে জড়িতদের সনাক্ত করা হচ্ছে।