বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

খানসামায় ঋণের চাপ সইতে না পেরে গৃহবধূর আত্মহত্যা

ঋণের চাপ সইতে না পেরে দিনাজপুরের খানসামা উপজেলার তেবাড়িয়া চৌরঙ্গী এলাকায় ফজিলা বেগম (৪০) নামে এক গৃহবধূ আত্মহত্যা করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এ আত্নহত্যার ঘটনাটা

বৃহস্পতিবার সকালে নিহতের নিজ বাড়িতে ঘটেছে।

নিহত ফজিলা বেগম উপজেলার আঙ্গারপাড়া ইউনিয়নের তেবাড়িয়া ডাঙাপাড়ার মৃত ইকবাল হাসানের স্ত্রী। তিনি একটি হাসকিং মিলে মজুরিভিত্তিতে কাজ করতেন।

নিহতের ছেলে রকি ইসলাম ও মেয়ে হাসিনা খাতুনসহ প্রতিবেশীরা জানান, স্বামীর মৃত্যুর পর নিজেই সংসার পরিচালনা করছিলেন নিহত ফজিলা বেগম। প্রায় দেড় বছর আগে মেয়ের বিয়ে দেন নিহত ফজিলা বেগম। ওই মেয়ের বিয়ের যৌতুক ও আনুষঙ্গিক খরচের জন্য অভাবের তাড়নায় স্থানীয় সুদ ব্যবসায়ীর নিকট থেকে সুদের ওপর টাকা নেন তিনি। পরবর্তীতে এই টাকা পরিশোধের জন্য ৩টি এনজিও থেকে প্রায় দেড় লাখ টাক ঋণ গ্রহণ করেন তিনি। কিন্তু নিজের সীমিত আয় থেকে ভরণপোষণ ও ঋণের কিস্তি পরিশোধ কষ্টসাধ্য হয়ে যায়। এমতাবস্থায় কয়েক সপ্তাহ আগে হাসকিং মিল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বেকার হয়ে পড়েন তিনি। এতে ঋণের কিস্তি ও সুদের টাকা পরিশোধ করা অসম্ভব হয়ে যায়। গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে ফজিলা বেগমের কোন সাড়াশব্দ না পেয়ে তাঁর ছেলে ও প্রতিবেশীরা মিলে নিহতের শয়নকক্ষের দরজা ভেঙে ভিতরে প্রবেশ করে তাঁকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পানন এবং তাঁকে  উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে (পাকেরহাট) নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

খানসামা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নজমূল হক বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, প্রাথমিক তদন্তে ধারণা করা হচ্ছে ঋণের চাপ সইতে না পেরে ফজিলা বেগম আত্মহত্যা করেছেন। তবে নিহতের পরিবারের কোন অভিযোগ না থাকায় দাফনকার্য সম্পন্ন করার জন্য  মরদেহটি হস্তান্তর করা হয়েছে।

খানসামায় ঋণের চাপ সইতে না পেরে গৃহবধূর আত্মহত্যা

প্রকাশের সময়: ০৫:১৭:৪২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

ঋণের চাপ সইতে না পেরে দিনাজপুরের খানসামা উপজেলার তেবাড়িয়া চৌরঙ্গী এলাকায় ফজিলা বেগম (৪০) নামে এক গৃহবধূ আত্মহত্যা করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এ আত্নহত্যার ঘটনাটা

বৃহস্পতিবার সকালে নিহতের নিজ বাড়িতে ঘটেছে।

নিহত ফজিলা বেগম উপজেলার আঙ্গারপাড়া ইউনিয়নের তেবাড়িয়া ডাঙাপাড়ার মৃত ইকবাল হাসানের স্ত্রী। তিনি একটি হাসকিং মিলে মজুরিভিত্তিতে কাজ করতেন।

নিহতের ছেলে রকি ইসলাম ও মেয়ে হাসিনা খাতুনসহ প্রতিবেশীরা জানান, স্বামীর মৃত্যুর পর নিজেই সংসার পরিচালনা করছিলেন নিহত ফজিলা বেগম। প্রায় দেড় বছর আগে মেয়ের বিয়ে দেন নিহত ফজিলা বেগম। ওই মেয়ের বিয়ের যৌতুক ও আনুষঙ্গিক খরচের জন্য অভাবের তাড়নায় স্থানীয় সুদ ব্যবসায়ীর নিকট থেকে সুদের ওপর টাকা নেন তিনি। পরবর্তীতে এই টাকা পরিশোধের জন্য ৩টি এনজিও থেকে প্রায় দেড় লাখ টাক ঋণ গ্রহণ করেন তিনি। কিন্তু নিজের সীমিত আয় থেকে ভরণপোষণ ও ঋণের কিস্তি পরিশোধ কষ্টসাধ্য হয়ে যায়। এমতাবস্থায় কয়েক সপ্তাহ আগে হাসকিং মিল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বেকার হয়ে পড়েন তিনি। এতে ঋণের কিস্তি ও সুদের টাকা পরিশোধ করা অসম্ভব হয়ে যায়। গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে ফজিলা বেগমের কোন সাড়াশব্দ না পেয়ে তাঁর ছেলে ও প্রতিবেশীরা মিলে নিহতের শয়নকক্ষের দরজা ভেঙে ভিতরে প্রবেশ করে তাঁকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পানন এবং তাঁকে  উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে (পাকেরহাট) নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

খানসামা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নজমূল হক বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, প্রাথমিক তদন্তে ধারণা করা হচ্ছে ঋণের চাপ সইতে না পেরে ফজিলা বেগম আত্মহত্যা করেছেন। তবে নিহতের পরিবারের কোন অভিযোগ না থাকায় দাফনকার্য সম্পন্ন করার জন্য  মরদেহটি হস্তান্তর করা হয়েছে।