গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার ধাপেরহাট ইউনিয়নের সাবেক ছাত্রলীগের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মামুন (২৯) হত্যার ঘটনায় থানায় একটি মামলা দায়ের হয়েছে। এতে নামীয় ২৭ জন ও আরও ২০-২২ জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়। নামীয় আসামিদের মধ্যে ইউপি চেয়ারম্যানসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মী রয়েছে।
শুক্রবার(১৪ ফেব্রুয়ারি) সাদুল্লাপুর থানায় এই মামলাটি দায়ের করেন- নিহত আব্দুল্লাহ আল মামুনের পিতা আব্দুল মান্নান মন্ডল।
এর আগে বৃহস্পতিবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) বিকেলের দিকে ধাপেরহাট বন্দরের মহাসড়কে আব্দুল্লাহ আল মামুনকে আসামিরা পিটিয়ে হত্যা করেছে বলে বাদি আব্দুল মান্নান মন্ডলের অভিযোগ।
নিহত আব্দুল্লাহ আল মামুন ধাপেরহাট ইউনিয়নের হাসানপাড়া গ্রামের আব্দুল মান্নান মন্ডলের ছেলে।
মামলায় উল্লেখ করা হয়, বৃহস্পতিবার বিকেলের দিকে অজ্ঞাত এক ব্যক্তি আব্দুল্লাহ আল মামুনকে ফোন করে ডেকে নেয়। এর কিছুক্ষণ পর আসামিরা জামদানি ঘাটের পার্শ্বে ধাপেরহাট বন্দর সড়কে মামুনকে মারপিট করে ফেলে রেখে যায়। স্বজনরা এ ঘটনার খবর পেয়ে আহত মামুনকে উদ্ধার করে পীরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত্যু ঘোষণা করেন। এরই মধ্যে আসামিরা আব্দুল মান্নান মন্ডলের বসতবাড়ির গেটের সামনে এসে গালি-গালাজসহ গেট ধাক্কা দিয়ে পরিবারের সদস্যদের ভয়ভীতি দেখায়।
এসব তথ্য নিশ্চিত করে মামলার বাদি আব্দুল মান্নান মন্ডল বলেন, আসামিরা আমার ছেলে আব্দুল্লাহ আল মামুনের ওপর লাঠি-অস্ত্রে হামলা করে। এরপর তার মাথায় ও পায়ে চোটের আঘাত ও শরীরের বিভিন্ন অঙ্গে রক্তাক্ত জখম করে মেরে ফেলেছে। জড়িত এই আসামিদের দ্রুত গ্রেফতার করাসহ এই হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু বিচার দাবি করছি।
সাদুল্লাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তাজউদ্দিন খন্দকার বলেন, আব্দুল্লাহ আল মামুন নামের এক যুবককে হত্যার অভিযোগে থানায় একটি মামলা হয়েছে। আসামি গ্রেফতার চেষ্টা অব্যাহত আছে।
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, জাগো২৪.নেট 

















