দেশের ৫৭ তম জি আই পণ্যের তালিকায় খুব শীগ্রি স্বীকৃতির পাশাপাশি শীর্ষে স্থান পেতে যাচ্ছে ধাপেরহাটের হলুদ । ধাপের হাটের হলুদ গুনে ও মানে অতুলনীয় রং এর ক্ষেত্রে ও ঘ্রান যেন নিয়মিত তরকারিতে আনে স্বাদ।
ধাপেরহাটের মারাইকৃত এবং অমারাইকৃত হলুদ স্থানীয় বাজার এর ক্রেতা ও প্রান্তিক পর্যায়ের ভোক্তাদের চাহিদা মিটিয়ে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে খাবার হলুদ হিসেবে বেশ সমাদৃত এবং বিভিন্ন কারখানায় মৌলিক রং মেনুফ্যাক্সারিং এর কাঁচামাল হিসেবে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে। ধাপেরহাট দেশের অন্যতম বৃহত্তম হলুদের হাট। এখানে হাট বারে প্রচুর হলুদ বেঁচা কেনা হয়। তাই সার্বিক বিবেচনায় ধাপের হাটের হলুদ জি আই পণ্য (ভৌলিক নির্দেশক পণ্য) হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়ার যোগ্য হিসাবে স্থানীয় কৃষকদের দাবী।
দেশের ৫৭ তম জি আই পণ্য হিসাবে গ্রহণযোগ্যতা পেলে এই অঞ্চলের কৃষকরা আরো উৎসাহ পাবে পাশাপাশি পণ্যের গুনগত মান নিশ্চিত করে স্থানীয় বাজারের পাশাপাশি দেশের স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠান গুলো এই এলাকা থেকে কাঁচা হলুদ ক্রয় করে যাছাই বাছাই শেষে বাংলাদেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের ভোক্তাদের কাছে পৌঁছাতে সক্ষম হবে।
এ বিষয়ে ধাপেরহাট ইউনিয়নের ছাইগাড়ী, গোবিন্দপুর এর স্থানীয় একজন বাসিন্দা মোঃ আব্দুল হালিম ও বকশিগঞ্জের কামাল উদ্দিন এই ২জন কৃষকের সাথে কথা হলে তারা জানান, সেখানকার হলুদের গুনগত মান অন্য এলাকার হলুদের চেয়ে ভালো এবং বাজারে এর ব্যাপক চাহিদা আছে দামও ভালো পান তারা। তবে পণ্যটির দিকে নজর রেখে সরকারি সহায়তা ও উপজেলা কৃষি অফিসের মাধ্যমে কৃষকের জমিতে বিভিন্ন জাতের হলুদের প্রদর্শনী প্লট করে স্থানীয় কৃষকদের মাঠে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা থাকলে পণ্যটি এক সময় দেশের জি আই পণ্য হিসাবে গৃহিত হবে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
করেসপন্ডেন্ট, জাগো২৪.নেট 

















