বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৮ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

পাবনায় ‘ঘি বাড়ী’ প্রতিষ্ঠানে লাখ টাকা জরিমানা

ঘি প্যাকেটজাত করার সময় মূল্য বেশি লেখায় ‘ঘি বাড়ী’ নামে একটি প্রতিষ্ঠানকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। ভাঙ্গুড়া উপজেলার পৌর সদরের চৌবাড়ীয়ার দক্ষিণপাড়া অবস্থিত ওই প্রতিষ্ঠানে রোববারে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করে এই জরিমানা করা হয়।

প্রতিষ্ঠানের মালিক ওই মহল্লার বাসিন্দা সাইফুল ইসলাম। উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) তাসমীয়া আক্তার রোজী এই ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করেন। এ সময় উপজেলার স্বাস্থ্য পরিদর্শক নুরুল ইসলাম সহ আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী সদস্য উপস্থিত ছিলেন। জানা যায়, ভাঙ্গুড়া উপজেলায় ১২২টি গ্রামে প্রায় দেড় লাখ লোকের বসবাস।

এই জনবসতির প্রায় অর্ধেক দুগ্ধ খামারের সঙ্গে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত। ফলে প্রায় পাঁচ হাজারের অধিক ছোট বড় দুগ্ধ খামার রয়েছে এই উপজেলায়। প্রতিদিন লক্ষাধিক লিটার দুধ উৎপাদন হয় এসব খামার থেকে। সরকারি প্রতিষ্ঠান মিল্ক ভিটাসহ অন্তত ১০-১২ টি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান খামারিদের প্রায় ৭৫ ভাগ দুধ সংগ্রহ করে শীতলকরন প্রক্রিয়া করে ঢাকায় পাঠায়।

অবশিষ্ট দুধ এলাকার বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে ঘি সহ মিষ্টান্ন দ্রব্য পণ্য উৎপাদনে ব্যবহৃত হয়। এসব পণ্য দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বিক্রি করা হয়। ফলে ভাঙ্গুড়া উপজেলার উৎপাদিত ঘি ঢাকা শহর সহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে দীর্ঘদিন ধরে বাজারজাত করে আসছে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান।

যদিও বিভিন্ন সময়ে এসব প্রতিষ্ঠান ভেজাল ঘি ও দুধ উৎপাদন করার অভিযোগ রয়েছে। এতে উপজেলা প্রশাসন এ নিয়ে নিয়মিত মনিটরিং করেন। ফলে এর আগে একাধিক দুগ্ধ ও ঘি ব্যবসায়ী প্রশাসনের শাস্তির সম্মুখীন হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় উপজেলা প্রশাসন রবিবার ঘি বাড়ি নামের ওই প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালায়।

এতে স্থানীয় বাজারে কেজি প্রতি ঘি এর বিক্রি মূল্য ১২’শ টাকা হলেও প্যাকেটজাতক ঘি ১৮’শ টাকা মূল্য লেখে ওই প্রতিষ্ঠান। এতে ১ লাখ টাকা জরিমানা আদায় করা হয় ওই প্রতিষ্ঠানকে। এছাড়া ঘি এর মান যাচাই করার জন্য নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষাগারে পাঠানো হয়েছে।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিদর্শক নুরুল ইসলাম বলেন, ঘি প্যাকেটজাতকরনের সময় মূল্য বেশি লেখায় মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে জরিমানা করা হয়েছে। এছাড়া ঘি এর নমুনা সংগ্রহ করে গুণগতমান পরীক্ষার জন্য ল্যাবে পাঠানো হয়েছে।

পাবনায় ‘ঘি বাড়ী’ প্রতিষ্ঠানে লাখ টাকা জরিমানা

প্রকাশের সময়: ০৫:৪১:২৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ মার্চ ২০২৫

ঘি প্যাকেটজাত করার সময় মূল্য বেশি লেখায় ‘ঘি বাড়ী’ নামে একটি প্রতিষ্ঠানকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। ভাঙ্গুড়া উপজেলার পৌর সদরের চৌবাড়ীয়ার দক্ষিণপাড়া অবস্থিত ওই প্রতিষ্ঠানে রোববারে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করে এই জরিমানা করা হয়।

প্রতিষ্ঠানের মালিক ওই মহল্লার বাসিন্দা সাইফুল ইসলাম। উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) তাসমীয়া আক্তার রোজী এই ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করেন। এ সময় উপজেলার স্বাস্থ্য পরিদর্শক নুরুল ইসলাম সহ আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী সদস্য উপস্থিত ছিলেন। জানা যায়, ভাঙ্গুড়া উপজেলায় ১২২টি গ্রামে প্রায় দেড় লাখ লোকের বসবাস।

এই জনবসতির প্রায় অর্ধেক দুগ্ধ খামারের সঙ্গে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত। ফলে প্রায় পাঁচ হাজারের অধিক ছোট বড় দুগ্ধ খামার রয়েছে এই উপজেলায়। প্রতিদিন লক্ষাধিক লিটার দুধ উৎপাদন হয় এসব খামার থেকে। সরকারি প্রতিষ্ঠান মিল্ক ভিটাসহ অন্তত ১০-১২ টি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান খামারিদের প্রায় ৭৫ ভাগ দুধ সংগ্রহ করে শীতলকরন প্রক্রিয়া করে ঢাকায় পাঠায়।

অবশিষ্ট দুধ এলাকার বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে ঘি সহ মিষ্টান্ন দ্রব্য পণ্য উৎপাদনে ব্যবহৃত হয়। এসব পণ্য দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বিক্রি করা হয়। ফলে ভাঙ্গুড়া উপজেলার উৎপাদিত ঘি ঢাকা শহর সহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে দীর্ঘদিন ধরে বাজারজাত করে আসছে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান।

যদিও বিভিন্ন সময়ে এসব প্রতিষ্ঠান ভেজাল ঘি ও দুধ উৎপাদন করার অভিযোগ রয়েছে। এতে উপজেলা প্রশাসন এ নিয়ে নিয়মিত মনিটরিং করেন। ফলে এর আগে একাধিক দুগ্ধ ও ঘি ব্যবসায়ী প্রশাসনের শাস্তির সম্মুখীন হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় উপজেলা প্রশাসন রবিবার ঘি বাড়ি নামের ওই প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালায়।

এতে স্থানীয় বাজারে কেজি প্রতি ঘি এর বিক্রি মূল্য ১২’শ টাকা হলেও প্যাকেটজাতক ঘি ১৮’শ টাকা মূল্য লেখে ওই প্রতিষ্ঠান। এতে ১ লাখ টাকা জরিমানা আদায় করা হয় ওই প্রতিষ্ঠানকে। এছাড়া ঘি এর মান যাচাই করার জন্য নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষাগারে পাঠানো হয়েছে।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিদর্শক নুরুল ইসলাম বলেন, ঘি প্যাকেটজাতকরনের সময় মূল্য বেশি লেখায় মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে জরিমানা করা হয়েছে। এছাড়া ঘি এর নমুনা সংগ্রহ করে গুণগতমান পরীক্ষার জন্য ল্যাবে পাঠানো হয়েছে।