বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৮ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বিরামপুরে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠি পরিবারে বকনা গরু বিতরণ

দিনাজপুরের বিরামপুরে সমতল ভূমিতে বসবাসরত অনগ্রসর ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠির আর্থসামাজিক ও জীবন মানোন্নয়নের লক্ষ্যে সমন্বিত প্রাণিসম্পদ উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় সুফলভোগীদের মাঝে ৭০টি বকনা গরু প্রদান করা হয়েছে।

সোমবার (১০ মার্চ) দুপুরে উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর ও ভেটেরিনারি হাসপাতাল প্রাঙ্গণে বকনা গরু বিতরণ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে সুফলভোগীদের উদ্দেশ্যে বিভিন্ন দিকনির্দেশনা মূলক বক্তব্য রাখেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার নুজহাত তাসনীম আওন, প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ বিপুল কুমার চক্রবর্তী, ভেটেরিনারি সার্জন ডাঃ, কৃষি কর্মকর্তা কমল কৃষ্ণ রায়, মৎস্য কর্মকর্তা সালমা আক্তার সুমি, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা এনামুল হক চৌধুরী, একাডেমিক সুপারভাইজার আব্দুস সালাম, বিরামপুর প্রেসক্লাবের আহবায়ক সাংবাদিক শাহ্ আলম মন্ডল প্রমূখ।

উক্ত অনুষ্ঠানে বক্তারা জানান, সমতল ভূমিতে বসবাসরত অনগ্রসর ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠির মানুষজনের আর্থসামাজিক উন্নয়নে সরকার বিভিন্ন প্রকল্পের মাধ্যমে সহায়তা প্রদান করে যাচ্ছে। যাতে করে এসব পরিবারের মানুষজন সমাজের মূলধারায় নিজেদের এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে।

বিরামপুরে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠি পরিবারে বকনা গরু বিতরণ

প্রকাশের সময়: ০৭:৫৫:৫৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ মার্চ ২০২৫

দিনাজপুরের বিরামপুরে সমতল ভূমিতে বসবাসরত অনগ্রসর ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠির আর্থসামাজিক ও জীবন মানোন্নয়নের লক্ষ্যে সমন্বিত প্রাণিসম্পদ উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় সুফলভোগীদের মাঝে ৭০টি বকনা গরু প্রদান করা হয়েছে।

সোমবার (১০ মার্চ) দুপুরে উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর ও ভেটেরিনারি হাসপাতাল প্রাঙ্গণে বকনা গরু বিতরণ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে সুফলভোগীদের উদ্দেশ্যে বিভিন্ন দিকনির্দেশনা মূলক বক্তব্য রাখেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার নুজহাত তাসনীম আওন, প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ বিপুল কুমার চক্রবর্তী, ভেটেরিনারি সার্জন ডাঃ, কৃষি কর্মকর্তা কমল কৃষ্ণ রায়, মৎস্য কর্মকর্তা সালমা আক্তার সুমি, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা এনামুল হক চৌধুরী, একাডেমিক সুপারভাইজার আব্দুস সালাম, বিরামপুর প্রেসক্লাবের আহবায়ক সাংবাদিক শাহ্ আলম মন্ডল প্রমূখ।

উক্ত অনুষ্ঠানে বক্তারা জানান, সমতল ভূমিতে বসবাসরত অনগ্রসর ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠির মানুষজনের আর্থসামাজিক উন্নয়নে সরকার বিভিন্ন প্রকল্পের মাধ্যমে সহায়তা প্রদান করে যাচ্ছে। যাতে করে এসব পরিবারের মানুষজন সমাজের মূলধারায় নিজেদের এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে।