মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ভাগিনার বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ মামীর

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার ফাহিম মিয়া (২৩) নামের এক যুবকের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ তুলেছেন তার মামী (২৫)। এদিকে ভাগিনার অসামাজিত কাণ্ডের ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যকরসহ ক্ষোভের সুষ্টি হয়েছে।

এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার (২০ মার্চ) সাদুল্লাপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন ধর্ষণের শিকার ওই নারী।

এই মামলায় উল্লেখ করা হয়- প্রায় ১০ বছর আগে উপজেলার বনগ্রাম ইউনিয়নের জয়েনপুর গ্রামে বিয়ে হয় ভুক্তভোগী নারীর। এরই মধ্যে স্বামীর সঙ্গে মনোমানিল্য চলে আসছিলো। একপর্যায়ে স্বামী অন্যেএক মেয়েকে দ্বিতীয় বিয়ে করেন। এরই মধ্যে স্বামীর জ্যাঠাত বোনের ছেলে ফাহিম মিয়া প্রায়ই ওই নারীকে (মামী) কুপ্রস্তাব দিয়ে আসছিলেন। তবে কখনও রাজী ছিলেন না নারীটি।

এরই ধারাবাহিকতায় গত ১৫ মার্চ বিকেলের দিকে নারী তার শোবার ঘরে একাই অবস্থান করছিলেন। এসময় ফাহিম মিয়া ঘরে প্রবেশ করে জোরপুর্বক ধর্ষণ করে পালিয়ে যায়।  এ ঘটনার বিচার স্বামীর কাছে চাইলে কোন সমাধানের উদ্যোগ না নিয়ে উল্টো তাকে মারধর করেছে এই স্বামী।

বিদ্যমান পরিস্থিতি নিয়ে গত ১৯ মার্চ বিকেলে স্থানীয়ভাবে সালিস বসা হলে সেখানেও নারীকে বেধরক মারধর করা হয়। এসময় গুরুতর আহত হলে নারীকে সাদুল্লাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।  এরপর কোন উপায়ন্তর না পেয়ে বৃহস্পতিবার (২০ মার্চ) সাদুল্লাপুর থানায় একটি ধর্ষণ মামলা করেন ভুক্তভোগী নারী।

এ বিষয়ে সাদুল্লাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তাজউদ্দিন খন্দকার বলেন, জয়েনপুর গ্রামের এক নারী ধর্ষণের অভিযোগ এনে একাধিক আসামি করে মামলা করেছেন। আসামিদের গ্রেফতার অভিযানে পুলিশ তৎপর আছে।

ভাগিনার বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ মামীর

প্রকাশের সময়: ১০:২২:২৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ মার্চ ২০২৫

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার ফাহিম মিয়া (২৩) নামের এক যুবকের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ তুলেছেন তার মামী (২৫)। এদিকে ভাগিনার অসামাজিত কাণ্ডের ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যকরসহ ক্ষোভের সুষ্টি হয়েছে।

এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার (২০ মার্চ) সাদুল্লাপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন ধর্ষণের শিকার ওই নারী।

এই মামলায় উল্লেখ করা হয়- প্রায় ১০ বছর আগে উপজেলার বনগ্রাম ইউনিয়নের জয়েনপুর গ্রামে বিয়ে হয় ভুক্তভোগী নারীর। এরই মধ্যে স্বামীর সঙ্গে মনোমানিল্য চলে আসছিলো। একপর্যায়ে স্বামী অন্যেএক মেয়েকে দ্বিতীয় বিয়ে করেন। এরই মধ্যে স্বামীর জ্যাঠাত বোনের ছেলে ফাহিম মিয়া প্রায়ই ওই নারীকে (মামী) কুপ্রস্তাব দিয়ে আসছিলেন। তবে কখনও রাজী ছিলেন না নারীটি।

এরই ধারাবাহিকতায় গত ১৫ মার্চ বিকেলের দিকে নারী তার শোবার ঘরে একাই অবস্থান করছিলেন। এসময় ফাহিম মিয়া ঘরে প্রবেশ করে জোরপুর্বক ধর্ষণ করে পালিয়ে যায়।  এ ঘটনার বিচার স্বামীর কাছে চাইলে কোন সমাধানের উদ্যোগ না নিয়ে উল্টো তাকে মারধর করেছে এই স্বামী।

বিদ্যমান পরিস্থিতি নিয়ে গত ১৯ মার্চ বিকেলে স্থানীয়ভাবে সালিস বসা হলে সেখানেও নারীকে বেধরক মারধর করা হয়। এসময় গুরুতর আহত হলে নারীকে সাদুল্লাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।  এরপর কোন উপায়ন্তর না পেয়ে বৃহস্পতিবার (২০ মার্চ) সাদুল্লাপুর থানায় একটি ধর্ষণ মামলা করেন ভুক্তভোগী নারী।

এ বিষয়ে সাদুল্লাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তাজউদ্দিন খন্দকার বলেন, জয়েনপুর গ্রামের এক নারী ধর্ষণের অভিযোগ এনে একাধিক আসামি করে মামলা করেছেন। আসামিদের গ্রেফতার অভিযানে পুলিশ তৎপর আছে।