শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ১২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সুন্দরগঞ্জে ইজিপিপি তালিকা থেকে নাম কর্তনের অভিযোগ

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে কর্মসৃজন কর্মসূচির (ইজিপিপি) তালিকা থেকে শ্রমিকদের নাম বাদ দেওয়া এবং অর্থ বাণিজ্যের অভিযোগে বঞ্চিত শ্রমিকরা মানববন্ধন করেছে।

মঙ্গলবার বিকেলে সুন্দরগঞ্জ-গাইবান্ধা সড়কের উপজেলার ধোপাডাঙ্গা ইউনিয়নের দক্ষিণ ধোপাডাঙ্গা ৫ নম্বর ওয়ার্ডে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

মানববন্ধনে বক্তারা জানান, ধোপাডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোখলেছুর রহমান, ইউপি সদস্য জাহাঙ্গীর আলম এবং সংরক্ষিত নারী ইউপি সদস্য মেহেনুর আক্তার স্বপ্নার যোগসাজশে অনিয়মতান্ত্রিকভাবে তাদের নাম তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী, শুধুমাত্র মৃত এবং ৬০ বছরের ঊর্ধ্ব শ্রমিকদের নাম বাদ দেওয়ার কথা থাকলেও, বাস্তবে তালিকা থেকে ১৯ জনের নাম কেটে নতুন ১৭ জনকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

ভুক্তভোগীরা দাবি করেন, তাদের মধ্যে মাত্র দুইজন শ্রমিক ৬০ ঊর্ধ্ব। বাকিরা সক্রিয়ভাবে কর্মসূচির আওতায় নিয়মিত কাজ করছিলেন। তবে, জনপ্রতি ৫ হাজার টাকা ঘুষ না দেওয়ার কারণে তাদের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তারা।

তারা আরও বলেন, নতুন অন্তর্ভুক্ত শ্রমিকদের মধ্যে বেশিরভাগই উৎকোচ দিয়েছেন, যা সম্পূর্ণ অনৈতিক এবং দুর্নীতিপূর্ণ। এর ফলে প্রকৃত উপকারভোগীরা কর্মহীন হয়ে পড়েছেন এবং তাদের পরিবার কঠিন পরিস্থিতিতে পড়েছে।

শ্রমিকরা দাবি করেন, যাদের মৃত্যু হয়েছে বা যারা ৬০ বছরের ঊর্ধ্ব, শুধুমাত্র তাদের নাম বাদ দেওয়া হোক। পাশাপাশি, যারা অন্যায়ভাবে নাম বাদ দিয়েছেন এবং অর্থ বাণিজ্যের সঙ্গে জড়িত, তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত করে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তারা।

মানববন্ধনে বক্তব্য দেন শ্রমিক জাহিদ হাসান, ফুল মিয়া, মোফাজ্জল হোসেন, আজগর আলী, ভোলা মিয়া, রশিদা বেগম, মোর্শেদা বেগম ও রুজিনা বেগম প্রমূখ।

সুন্দরগঞ্জে ইজিপিপি তালিকা থেকে নাম কর্তনের অভিযোগ

প্রকাশের সময়: ০৮:৪৬:৩৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ মে ২০২৫

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে কর্মসৃজন কর্মসূচির (ইজিপিপি) তালিকা থেকে শ্রমিকদের নাম বাদ দেওয়া এবং অর্থ বাণিজ্যের অভিযোগে বঞ্চিত শ্রমিকরা মানববন্ধন করেছে।

মঙ্গলবার বিকেলে সুন্দরগঞ্জ-গাইবান্ধা সড়কের উপজেলার ধোপাডাঙ্গা ইউনিয়নের দক্ষিণ ধোপাডাঙ্গা ৫ নম্বর ওয়ার্ডে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

মানববন্ধনে বক্তারা জানান, ধোপাডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোখলেছুর রহমান, ইউপি সদস্য জাহাঙ্গীর আলম এবং সংরক্ষিত নারী ইউপি সদস্য মেহেনুর আক্তার স্বপ্নার যোগসাজশে অনিয়মতান্ত্রিকভাবে তাদের নাম তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী, শুধুমাত্র মৃত এবং ৬০ বছরের ঊর্ধ্ব শ্রমিকদের নাম বাদ দেওয়ার কথা থাকলেও, বাস্তবে তালিকা থেকে ১৯ জনের নাম কেটে নতুন ১৭ জনকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

ভুক্তভোগীরা দাবি করেন, তাদের মধ্যে মাত্র দুইজন শ্রমিক ৬০ ঊর্ধ্ব। বাকিরা সক্রিয়ভাবে কর্মসূচির আওতায় নিয়মিত কাজ করছিলেন। তবে, জনপ্রতি ৫ হাজার টাকা ঘুষ না দেওয়ার কারণে তাদের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তারা।

তারা আরও বলেন, নতুন অন্তর্ভুক্ত শ্রমিকদের মধ্যে বেশিরভাগই উৎকোচ দিয়েছেন, যা সম্পূর্ণ অনৈতিক এবং দুর্নীতিপূর্ণ। এর ফলে প্রকৃত উপকারভোগীরা কর্মহীন হয়ে পড়েছেন এবং তাদের পরিবার কঠিন পরিস্থিতিতে পড়েছে।

শ্রমিকরা দাবি করেন, যাদের মৃত্যু হয়েছে বা যারা ৬০ বছরের ঊর্ধ্ব, শুধুমাত্র তাদের নাম বাদ দেওয়া হোক। পাশাপাশি, যারা অন্যায়ভাবে নাম বাদ দিয়েছেন এবং অর্থ বাণিজ্যের সঙ্গে জড়িত, তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত করে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তারা।

মানববন্ধনে বক্তব্য দেন শ্রমিক জাহিদ হাসান, ফুল মিয়া, মোফাজ্জল হোসেন, আজগর আলী, ভোলা মিয়া, রশিদা বেগম, মোর্শেদা বেগম ও রুজিনা বেগম প্রমূখ।