শনিবার, ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সাঁথিয়ায় দুর্নীতিবাজ প্রিন্সিপালের অনিয়মের বিরুদ্ধে মানববন্ধন 

পাবনা সাঁথিয়ায় মিয়াপুর হাজী জসিম উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের দুর্নীতিবাজ প্রিন্সিপাল মজিবুর রহমানের অপসারণের দাবিতে মানববন্ধন করেছে সচেতন অভিভাবকবৃন্দ, এলাকাবাসী ও শিক্ষার্থীরা।

রবিবার ( ১৭ আগষ্ট) দুপুরে মিয়াপুর হাজী জসিম উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ মাঠ চত্তরে ঘন্টা বেশি মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

মানববন্ধন শেষে শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসী একটি বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে ঢাকা-পাবনা মহাসড়কে গিয়ে অবরোধ কর্মসূচি পালন করে।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, মিয়াপুর হাজী জসিম উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের অধ্যক্ষ ও আ. লীগ নেতা মজিবুর রহমান এর বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাৎ, বিদ্যালয়ের পুরাতন ভবন বিক্রয়, নিয়োগ বাণিজ্য, সরকারি অনুদানের টাকা আত্মসাৎ,

কলেজের জায়গা বিক্রয়ে সাবেক সভাপতি আওয়ামীলীগ নেতা মনসুর আলম পিন্চুর যোগসাজসে কলেজের দামী সম্পত্তি সাবেক সভাপতির কাছে বিক্রয় অভিযোগ সহ নানা ধরনের দুর্নীতির বিষয়ে অভিযোগ রয়েছে। বিগত ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকারের দোসর এই অধ্যক্ষ মজিবুর রহমান।

সে আওয়ামীলীগ এর উপজেলা কমিটির শিক্ষা ও মানবসম্পদ বিষয়ক সম্পাদক, সাবেক ধর্মীয় সম্পাদক ছাত্র সংসদ সরকারি এডওর্য়াড কলেজ পাবনা, সাবেক সহ সভাপতি বাংলাদেশ ছাত্রলীগ এস.এম হল শাখা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, সাবেক ছাত্রনেতা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।

আপন ভাতিজা মোঃ শাহীন আলম কে অর্থের বিনিময়ে চাকুরী প্রদান। বর্তমানে কলেজ এবং স্কুলকে পারিবারিক প্রতিষ্ঠানে উপনীত করেছেন। অভিযোগ আছে এই অধ্যক্ষর কারণে কলেজটির লেখাপড়ার মান বর্তমানে খুব নিম্ন পর্যায়ে। স্কুল ফান্ডের টাকা নিজের একাউন্টে রেখে নিজের ইচ্ছেমত ব্যবহার করার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

এর আগেও দূর্নীতি ও অর্থ আত্মসাতের দায়ে সাময়িক বরখাস্ত হয়েছিলেন এই অধ্যক্ষ । পরে সাবেক ডেপুটি স্পিকার শামসুল হক টুকুকে মোটা অংকের টাকা দিয়ে পুনরায় চাকুরীতে বহাল হন। বিভিন্ন বিল ভাউচার অনিয়ম করে বেশি টাকা সংযুক্ত করে বিল পাশ করান এই দুর্নীতিবাজ অধ্যক্ষ।

আজ সচেতন এলাকাবাসী, অভিভাবকবৃন্দ ও শিক্ষার্থীরা জানায় এই ধরনের দুর্নীতিবাজ ও অনিয়মকারী অধ্যক্ষ বিদ্যালয় চালালে বিদ্যালয়ে ছাত্র-ছাত্রীদের উন্নতি করতে পারবে না, তাছাড়া তিনি আওয়ামী লীগ করেও স্বপদে এখনো কিভাবে বহাল রয়েছেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা মৎস্যজীবী দলের আহ্বায়ক মনোয়ার পারভেজ মানিক, ক্ষেতুপাড়া ইউনিয়ন বিএনপি’র সদস্য সচিব সিরাজুল ইসলাম রিপন, ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি জিলাল উদ্দিন মোল্লা,

ইউনিয়ন যুবদলের সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহিম রানা মৃধা, অভিভাবক হামিদুল ইসলাম মসৃণ, অভিভাবক আব্দুর রব মুন্সী, অভিভাবক রমজান আলী সহ বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীরা।

জনপ্রিয়

সাঁথিয়ায় দুর্নীতিবাজ প্রিন্সিপালের অনিয়মের বিরুদ্ধে মানববন্ধন 

প্রকাশের সময়: ০৬:৫৭:৫৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৫

পাবনা সাঁথিয়ায় মিয়াপুর হাজী জসিম উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের দুর্নীতিবাজ প্রিন্সিপাল মজিবুর রহমানের অপসারণের দাবিতে মানববন্ধন করেছে সচেতন অভিভাবকবৃন্দ, এলাকাবাসী ও শিক্ষার্থীরা।

রবিবার ( ১৭ আগষ্ট) দুপুরে মিয়াপুর হাজী জসিম উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ মাঠ চত্তরে ঘন্টা বেশি মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

মানববন্ধন শেষে শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসী একটি বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে ঢাকা-পাবনা মহাসড়কে গিয়ে অবরোধ কর্মসূচি পালন করে।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, মিয়াপুর হাজী জসিম উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের অধ্যক্ষ ও আ. লীগ নেতা মজিবুর রহমান এর বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাৎ, বিদ্যালয়ের পুরাতন ভবন বিক্রয়, নিয়োগ বাণিজ্য, সরকারি অনুদানের টাকা আত্মসাৎ,

কলেজের জায়গা বিক্রয়ে সাবেক সভাপতি আওয়ামীলীগ নেতা মনসুর আলম পিন্চুর যোগসাজসে কলেজের দামী সম্পত্তি সাবেক সভাপতির কাছে বিক্রয় অভিযোগ সহ নানা ধরনের দুর্নীতির বিষয়ে অভিযোগ রয়েছে। বিগত ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকারের দোসর এই অধ্যক্ষ মজিবুর রহমান।

সে আওয়ামীলীগ এর উপজেলা কমিটির শিক্ষা ও মানবসম্পদ বিষয়ক সম্পাদক, সাবেক ধর্মীয় সম্পাদক ছাত্র সংসদ সরকারি এডওর্য়াড কলেজ পাবনা, সাবেক সহ সভাপতি বাংলাদেশ ছাত্রলীগ এস.এম হল শাখা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, সাবেক ছাত্রনেতা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।

আপন ভাতিজা মোঃ শাহীন আলম কে অর্থের বিনিময়ে চাকুরী প্রদান। বর্তমানে কলেজ এবং স্কুলকে পারিবারিক প্রতিষ্ঠানে উপনীত করেছেন। অভিযোগ আছে এই অধ্যক্ষর কারণে কলেজটির লেখাপড়ার মান বর্তমানে খুব নিম্ন পর্যায়ে। স্কুল ফান্ডের টাকা নিজের একাউন্টে রেখে নিজের ইচ্ছেমত ব্যবহার করার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

এর আগেও দূর্নীতি ও অর্থ আত্মসাতের দায়ে সাময়িক বরখাস্ত হয়েছিলেন এই অধ্যক্ষ । পরে সাবেক ডেপুটি স্পিকার শামসুল হক টুকুকে মোটা অংকের টাকা দিয়ে পুনরায় চাকুরীতে বহাল হন। বিভিন্ন বিল ভাউচার অনিয়ম করে বেশি টাকা সংযুক্ত করে বিল পাশ করান এই দুর্নীতিবাজ অধ্যক্ষ।

আজ সচেতন এলাকাবাসী, অভিভাবকবৃন্দ ও শিক্ষার্থীরা জানায় এই ধরনের দুর্নীতিবাজ ও অনিয়মকারী অধ্যক্ষ বিদ্যালয় চালালে বিদ্যালয়ে ছাত্র-ছাত্রীদের উন্নতি করতে পারবে না, তাছাড়া তিনি আওয়ামী লীগ করেও স্বপদে এখনো কিভাবে বহাল রয়েছেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা মৎস্যজীবী দলের আহ্বায়ক মনোয়ার পারভেজ মানিক, ক্ষেতুপাড়া ইউনিয়ন বিএনপি’র সদস্য সচিব সিরাজুল ইসলাম রিপন, ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি জিলাল উদ্দিন মোল্লা,

ইউনিয়ন যুবদলের সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহিম রানা মৃধা, অভিভাবক হামিদুল ইসলাম মসৃণ, অভিভাবক আব্দুর রব মুন্সী, অভিভাবক রমজান আলী সহ বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীরা।