শনিবার, ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

গাইবান্ধায় জলবায়ু সহিষ্ণু ঘর পেলেন ৩৪ দুস্থ পরিবার 

গাইবান্ধা সদর উপজেলার আওতাধীন ২নং মালিবাড়ী ইউনিয়নের দুস্থ ও অসহায় ৩৪ পরিবারের মাঝে জলবায়ু সহিষ্ণু অঞ্চলের বসবাস উপযোগী ঘর হস্তান্তর করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৮ আগস্ট) সকালে ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের রি-গ্রিনিং প্রজেক্ট এই কর্মসূচি বাস্তবায়ন করে।

২ নং মালিবাড়ী ইউনিয়নের তেমালুপাড়ায় এসব ঘর জমকালো অনুষ্ঠানের মাধ্যমে হস্তান্তর করা হয়।

এসময় মালিবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান সোয়েব মো. রাসেলের  সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন গাইবান্ধার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) এ.কে.এম. হেদায়েতুল ইসলাম, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ গাইবান্ধার এরিয়া ম্যানেজার উত্তম দাস, ইউনিয়ন পরিষদের সচিবসহ স্থানীয় সুধীজন।

এদিকে ওয়ার্ল্ড ভিশন সদস্যদের কাছে জানতে চাইলে তারা বলেন, হামরা এই এনজিওর কাছ থাকি অনেক কিছু পাইছি।

মালিবাড়ী ইউনিয়নে দায়িত্বরত প্রকল্পের সুপারভাইজার শাহ্ মো. মোত্তাসিম বিল্লাহ বলেন, দীর্ঘমেয়াদী এই প্রকল্পের মাধ্যমে সমাজে বসবাসরত সুবিধা বঞ্চিত অসহায় ও হত-দরিদ্রদের বিভিন্ন সুবিধার মাধ্যমে তাদের ও সমাজের প্রান্তিক জনপদকে সু-সংগঠিত করতে ওয়ার্ল্ড ভিশনের কার্যক্রম আরও জোড়ালো ভূমিকা পালন করবে। এছাড়া সকলের অংশীদারিত্ব ও সহযোগিতাও কামনা করেন তিনি।

প্রকল্প বাস্তবায়নকারী প্রতিষ্ঠান ওয়ার্ল্ড ভিশন গাইবান্ধার এরিয়া ম্যানেজার উত্তম দাস জানান, গাইবান্ধায় চলমান এই প্রকল্পের মাধ্যমে বেশ কয়েকটি উপজেলায় ওয়ার্ল্ড ভিশন ও রি-গ্রিনিং প্রজেক্টের মাধ্যমে সমাজের সুবিধাবঞ্চিত অসহায় ও হত দরিদ্রদের মাঝে বিভিন্ন সুবিধা প্রদান করে আসছি। ভবিষ্যতে এই কার্যক্রম আরও সুদূর প্রসারি ভূমিকা পালন করবে।

এ বিষয়ে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) এ.কে.এম. হেদায়েতুল ইসলাম বলেন- যাদের থাকার কোন জায়গা নেই তাদের জন্য ওয়ার্ল্ড ভিশনের মাধ্যমে বসবাসযোগী ৩৪টি থাকার ঘর প্রদান করা হলো। ফলশ্রুতিতে অনেক অসহায় ও হতদরিদ্র পরিবারের মানুষ শান্তিতে বসবাস করবেন।

তিনি প্রত্যাশা করেন অত্র এলাকায় ওয়ার্ল্ড ভিশনের আওতাধীন রি-গ্রিনিং প্রজেক্ট আরও ভালো কাজ করবে। পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানটির মাধ্যমে প্রান্তিক জনপদকে আর্থিক ও সার্বিক সহযোগিতা প্রদানের জন্য বেসরকারি এনজিও ভিত্তিক এই প্রতিষ্ঠানটিকে আহ্বান করেন।

তিনি আরও বলেন, ওয়ার্ল্ড ভিশন যে কার্যক্রমগুলো হাতে নিয়েছে তা বাস্তবায়নের জন্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে সার্বিক সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।

জনপ্রিয়

গাইবান্ধায় জলবায়ু সহিষ্ণু ঘর পেলেন ৩৪ দুস্থ পরিবার 

প্রকাশের সময়: ০৮:২১:৩৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৫

গাইবান্ধা সদর উপজেলার আওতাধীন ২নং মালিবাড়ী ইউনিয়নের দুস্থ ও অসহায় ৩৪ পরিবারের মাঝে জলবায়ু সহিষ্ণু অঞ্চলের বসবাস উপযোগী ঘর হস্তান্তর করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৮ আগস্ট) সকালে ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের রি-গ্রিনিং প্রজেক্ট এই কর্মসূচি বাস্তবায়ন করে।

২ নং মালিবাড়ী ইউনিয়নের তেমালুপাড়ায় এসব ঘর জমকালো অনুষ্ঠানের মাধ্যমে হস্তান্তর করা হয়।

এসময় মালিবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান সোয়েব মো. রাসেলের  সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন গাইবান্ধার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) এ.কে.এম. হেদায়েতুল ইসলাম, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ গাইবান্ধার এরিয়া ম্যানেজার উত্তম দাস, ইউনিয়ন পরিষদের সচিবসহ স্থানীয় সুধীজন।

এদিকে ওয়ার্ল্ড ভিশন সদস্যদের কাছে জানতে চাইলে তারা বলেন, হামরা এই এনজিওর কাছ থাকি অনেক কিছু পাইছি।

মালিবাড়ী ইউনিয়নে দায়িত্বরত প্রকল্পের সুপারভাইজার শাহ্ মো. মোত্তাসিম বিল্লাহ বলেন, দীর্ঘমেয়াদী এই প্রকল্পের মাধ্যমে সমাজে বসবাসরত সুবিধা বঞ্চিত অসহায় ও হত-দরিদ্রদের বিভিন্ন সুবিধার মাধ্যমে তাদের ও সমাজের প্রান্তিক জনপদকে সু-সংগঠিত করতে ওয়ার্ল্ড ভিশনের কার্যক্রম আরও জোড়ালো ভূমিকা পালন করবে। এছাড়া সকলের অংশীদারিত্ব ও সহযোগিতাও কামনা করেন তিনি।

প্রকল্প বাস্তবায়নকারী প্রতিষ্ঠান ওয়ার্ল্ড ভিশন গাইবান্ধার এরিয়া ম্যানেজার উত্তম দাস জানান, গাইবান্ধায় চলমান এই প্রকল্পের মাধ্যমে বেশ কয়েকটি উপজেলায় ওয়ার্ল্ড ভিশন ও রি-গ্রিনিং প্রজেক্টের মাধ্যমে সমাজের সুবিধাবঞ্চিত অসহায় ও হত দরিদ্রদের মাঝে বিভিন্ন সুবিধা প্রদান করে আসছি। ভবিষ্যতে এই কার্যক্রম আরও সুদূর প্রসারি ভূমিকা পালন করবে।

এ বিষয়ে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) এ.কে.এম. হেদায়েতুল ইসলাম বলেন- যাদের থাকার কোন জায়গা নেই তাদের জন্য ওয়ার্ল্ড ভিশনের মাধ্যমে বসবাসযোগী ৩৪টি থাকার ঘর প্রদান করা হলো। ফলশ্রুতিতে অনেক অসহায় ও হতদরিদ্র পরিবারের মানুষ শান্তিতে বসবাস করবেন।

তিনি প্রত্যাশা করেন অত্র এলাকায় ওয়ার্ল্ড ভিশনের আওতাধীন রি-গ্রিনিং প্রজেক্ট আরও ভালো কাজ করবে। পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানটির মাধ্যমে প্রান্তিক জনপদকে আর্থিক ও সার্বিক সহযোগিতা প্রদানের জন্য বেসরকারি এনজিও ভিত্তিক এই প্রতিষ্ঠানটিকে আহ্বান করেন।

তিনি আরও বলেন, ওয়ার্ল্ড ভিশন যে কার্যক্রমগুলো হাতে নিয়েছে তা বাস্তবায়নের জন্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে সার্বিক সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।