শনিবার, ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

প্রধান শিক্ষককে অপহরণ করে ইস্তফাপত্রে স্বাক্ষর নেওয়ার অভিযোগ

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে মো. আবদুল কাদের মিয়া (৩৪) নামের এক প্রধান শিক্ষককে অপহরণ করে রাতভর নির্যাতন চালিয়ে চাকরি থেকে ইস্তফাপত্রে স্বাক্ষর ও টাকা আদায়ের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

এ ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী ওই শিক্ষক । মো. আবদুল কাদের মিয়া উপজেলার সোনারায় ইউনিয়নের পশ্চিম বৈদ্যনাথ গ্রামের মৃত জহির উদ্দিনের ছেলে। তিনি দক্ষিণ শ্রীপুর সিরাজিয়া স্বতন্ত্র এবতেদায়ী মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক।

মঙ্গলবার বিকেল ৩ টার দিকে এ বিষয়ে কথা হয় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবদুল হাকিম আজাদ’র সাথে। তিনি বলেন, এরআগে গত ২৬ আগস্ট এ বিষয়ে লিখিত একটি অভিযোগ পেয়েছি। পুলিশ এ নিয়ে কাজ করছে। তদন্ত শেষে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাসও দেন ওসি।’

অভিযোগে জানা যায়, ওই প্রধান শিক্ষকের কাছে দীর্ঘদিন থেকে ৫ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করে আসছেন মো. আবদুল জলিল সরকার (৬৫) ও তার ছেলে মো. আনারুল ইসলাম (৪২) এবং নাতী মো. শান্ত মিয়া (২২)। এতে অস্বীকার করায় গত ২৫ আগস্ট বিকেল ৪ টার দিকে মাদ্রাসা সংলগ্ন এলাকা থেকে ওই প্রধান শিক্ষককে জোরপূর্বক তারা অপহরণ করেন। এরপর তাদের বাড়িতে আটকে রেখে শারীরিক নির্যাতন চালানো হয়। ধারালো অস্ত্রের মুখে হত্যার হুমকি দিয়ে তার কাছে থাকা ২ লাখ টাকা ছিনিয়ে নেন। একই সঙ্গে তাকে একাধিক ইস্তফাপত্র ও তিনটি নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর করাতে বাধ্য করা হয়। রাতভর আটকে রেখে তাকে গুম করারও পরিকল্পনা করার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে লিখিত ওই অভিযোগে। পরে অপহরণে বিষয়টি জানতে পারলে ভুক্তভোগীর স্বজনরা। এরপরে স্থানীয়দের সহায়তায় তাকে উদ্ধারে চেষ্টা করেন। এতে ব্যর্থ হয় এবং পরে ৯৯৯-এ ফোন করেন। পরে ২৬ আগস্ট সকাল ৯ টার দিকে কঞ্চিবাড়ী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে স্থানীয়দের সহযোগিতায় ওই শিক্ষককে উদ্ধার করেন।

মো. আবদুল জলিল সরকারের বাড়ি উপজেলার শ্রীপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ শ্রীপুর গ্রামে। তার বাবার নাম মৃত বসারত উল্লাহ।

জনপ্রিয়

প্রধান শিক্ষককে অপহরণ করে ইস্তফাপত্রে স্বাক্ষর নেওয়ার অভিযোগ

প্রকাশের সময়: ০৭:৪৬:৫৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৫

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে মো. আবদুল কাদের মিয়া (৩৪) নামের এক প্রধান শিক্ষককে অপহরণ করে রাতভর নির্যাতন চালিয়ে চাকরি থেকে ইস্তফাপত্রে স্বাক্ষর ও টাকা আদায়ের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

এ ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী ওই শিক্ষক । মো. আবদুল কাদের মিয়া উপজেলার সোনারায় ইউনিয়নের পশ্চিম বৈদ্যনাথ গ্রামের মৃত জহির উদ্দিনের ছেলে। তিনি দক্ষিণ শ্রীপুর সিরাজিয়া স্বতন্ত্র এবতেদায়ী মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক।

মঙ্গলবার বিকেল ৩ টার দিকে এ বিষয়ে কথা হয় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবদুল হাকিম আজাদ’র সাথে। তিনি বলেন, এরআগে গত ২৬ আগস্ট এ বিষয়ে লিখিত একটি অভিযোগ পেয়েছি। পুলিশ এ নিয়ে কাজ করছে। তদন্ত শেষে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাসও দেন ওসি।’

অভিযোগে জানা যায়, ওই প্রধান শিক্ষকের কাছে দীর্ঘদিন থেকে ৫ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করে আসছেন মো. আবদুল জলিল সরকার (৬৫) ও তার ছেলে মো. আনারুল ইসলাম (৪২) এবং নাতী মো. শান্ত মিয়া (২২)। এতে অস্বীকার করায় গত ২৫ আগস্ট বিকেল ৪ টার দিকে মাদ্রাসা সংলগ্ন এলাকা থেকে ওই প্রধান শিক্ষককে জোরপূর্বক তারা অপহরণ করেন। এরপর তাদের বাড়িতে আটকে রেখে শারীরিক নির্যাতন চালানো হয়। ধারালো অস্ত্রের মুখে হত্যার হুমকি দিয়ে তার কাছে থাকা ২ লাখ টাকা ছিনিয়ে নেন। একই সঙ্গে তাকে একাধিক ইস্তফাপত্র ও তিনটি নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর করাতে বাধ্য করা হয়। রাতভর আটকে রেখে তাকে গুম করারও পরিকল্পনা করার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে লিখিত ওই অভিযোগে। পরে অপহরণে বিষয়টি জানতে পারলে ভুক্তভোগীর স্বজনরা। এরপরে স্থানীয়দের সহায়তায় তাকে উদ্ধারে চেষ্টা করেন। এতে ব্যর্থ হয় এবং পরে ৯৯৯-এ ফোন করেন। পরে ২৬ আগস্ট সকাল ৯ টার দিকে কঞ্চিবাড়ী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে স্থানীয়দের সহযোগিতায় ওই শিক্ষককে উদ্ধার করেন।

মো. আবদুল জলিল সরকারের বাড়ি উপজেলার শ্রীপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ শ্রীপুর গ্রামে। তার বাবার নাম মৃত বসারত উল্লাহ।