শনিবার, ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সাদুল্লাপুরে ইউনিয়ন বিএনপির পকেট কমিটি গোপনে গঠনচেষ্টার অভিযোগ

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুরের বনগ্রাম ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড বিএনপির পকেট কমিটি গোপনে গঠন চেষ্টা ও সমাবেশে হামলা করার অভিযোগ উঠেছে। এরই প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছে ওই ইউনিয়ন বিএনপির একাংশের নেতারা।

বুধবার (৩ সেপ্টেম্বর) বিকেলে সাদুল্লাপুর প্রেসক্লাবে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

এসময় উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক ও বনগ্রাম ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য রেজাউল করিম রাজু তার লিখিত বক্তব্যে বলেন, ইতোমধ্যে সাদুল্লাপুর উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে অনিয়মের মাধ্যমে ফ্যাসিসদের পুর্নবাসন করে কমিটি গঠন করেছে। এদিকে বনগ্রাম ইউনিয়নে এখন পর্যন্ত ওয়ার্ড ও ইউনিয়ন কমিটি গঠন করা হয়নি। এরই মধ্যে জেলা বিএনপির সভাপতির নির্দেশে ও উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ছামছুল হাসান ছামছুল এবং সদস্য সচিব আব্দুস ছালাম মিয়া ব্যক্তি স্বার্থসিদ্ধির জন্য বনগ্রাম ইউনিয়নে গোপনে পকেট কমিটি গঠনের পাঁয়তারা করে আসতেছে। এরই প্রতিবাদে ও বনগ্রামে কাউন্সিলের মাধ্যমে স্বচ্ছভাবে কমিটি গঠনের দাবিতে গত ৩১ আগস্ট সমাবেশের আয়োজন করা হয়। এদিন সাদুল্লাপুর শহিদ মিনার চত্বরে আমরা জমায়েত হলে ছামছুল হাসান ছামছুল ও আব্দুস ছালাম মিয়ার নির্দেশে উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক মাহিদুল ইসলাম মিঠু, সিনিয়র যুগ্ন আহ্বায়ক আনোয়ার হোসেন রাখু, যুগ্ন আহ্বায়ক শাহীন আল পারভেজ, জামালপুর ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়ক হিরু মিয়ার নেতৃত্বে সামাবেশ স্থলে হামলা করেন। এসময় মাইক ভাঙচুর করাসহ নেতাকর্মীদের লাঞ্চিত করেছে।

শুধু তায় নয়, এই হামলাকারীদের লাঠি ও ধারালো অস্ত্রের আঘাতে বনগ্রাম ইউনিয়ন বিএনপির সুলতান সরকার, শাহজাহান মিয়া ও মকবুল হোসেনসহ পুলিশ-সাংবাদিক গুরুতর আহত হন। যা অত্যান্ত দুঃজনক ও ঘৃণিত ঘটনা। এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচারসহ বনগ্রাম ইউনিয়নে স্বচ্ছভাবে কমিটি গঠনের দাবি জানানো হচ্ছে।

এ সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন- বনগ্রাম ইউনিয়ন বিএনপির শাহ আলম মিয়া, সৈয়দ মজনু মিয়া, দেলওয়ার রহমান, আব্দুল হামিদসহ অনেকে।

 

জনপ্রিয়

সাদুল্লাপুরে ইউনিয়ন বিএনপির পকেট কমিটি গোপনে গঠনচেষ্টার অভিযোগ

প্রকাশের সময়: ০৫:২২:৩২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুরের বনগ্রাম ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড বিএনপির পকেট কমিটি গোপনে গঠন চেষ্টা ও সমাবেশে হামলা করার অভিযোগ উঠেছে। এরই প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছে ওই ইউনিয়ন বিএনপির একাংশের নেতারা।

বুধবার (৩ সেপ্টেম্বর) বিকেলে সাদুল্লাপুর প্রেসক্লাবে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

এসময় উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক ও বনগ্রাম ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য রেজাউল করিম রাজু তার লিখিত বক্তব্যে বলেন, ইতোমধ্যে সাদুল্লাপুর উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে অনিয়মের মাধ্যমে ফ্যাসিসদের পুর্নবাসন করে কমিটি গঠন করেছে। এদিকে বনগ্রাম ইউনিয়নে এখন পর্যন্ত ওয়ার্ড ও ইউনিয়ন কমিটি গঠন করা হয়নি। এরই মধ্যে জেলা বিএনপির সভাপতির নির্দেশে ও উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ছামছুল হাসান ছামছুল এবং সদস্য সচিব আব্দুস ছালাম মিয়া ব্যক্তি স্বার্থসিদ্ধির জন্য বনগ্রাম ইউনিয়নে গোপনে পকেট কমিটি গঠনের পাঁয়তারা করে আসতেছে। এরই প্রতিবাদে ও বনগ্রামে কাউন্সিলের মাধ্যমে স্বচ্ছভাবে কমিটি গঠনের দাবিতে গত ৩১ আগস্ট সমাবেশের আয়োজন করা হয়। এদিন সাদুল্লাপুর শহিদ মিনার চত্বরে আমরা জমায়েত হলে ছামছুল হাসান ছামছুল ও আব্দুস ছালাম মিয়ার নির্দেশে উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক মাহিদুল ইসলাম মিঠু, সিনিয়র যুগ্ন আহ্বায়ক আনোয়ার হোসেন রাখু, যুগ্ন আহ্বায়ক শাহীন আল পারভেজ, জামালপুর ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়ক হিরু মিয়ার নেতৃত্বে সামাবেশ স্থলে হামলা করেন। এসময় মাইক ভাঙচুর করাসহ নেতাকর্মীদের লাঞ্চিত করেছে।

শুধু তায় নয়, এই হামলাকারীদের লাঠি ও ধারালো অস্ত্রের আঘাতে বনগ্রাম ইউনিয়ন বিএনপির সুলতান সরকার, শাহজাহান মিয়া ও মকবুল হোসেনসহ পুলিশ-সাংবাদিক গুরুতর আহত হন। যা অত্যান্ত দুঃজনক ও ঘৃণিত ঘটনা। এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচারসহ বনগ্রাম ইউনিয়নে স্বচ্ছভাবে কমিটি গঠনের দাবি জানানো হচ্ছে।

এ সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন- বনগ্রাম ইউনিয়ন বিএনপির শাহ আলম মিয়া, সৈয়দ মজনু মিয়া, দেলওয়ার রহমান, আব্দুল হামিদসহ অনেকে।