শনিবার, ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

দীর্ঘ ভোগান্তি শেষে বুঝে পেলেন ক্রয়কৃত জমি

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে দীর্ঘ ভোগান্তির পর অবশেষে জমি বুঝে পেয়েছেন ক্রেতা আঙ্গুর মিয়া। প্রায় ৩ বছর অপেক্ষার পর জমি হাতে পেয়ে তিনি এখন মার্কেট নির্মাণে ব্যস্ত সময় পার করছেন।

ক্রেতা আঙ্গুর মিয়া উপজেলার শান্তিরাম ইউনিয়নের পরান গ্রামের মৃত মশর ব্যপারীর ছেলে।

জানা যায়, উপজেলার ছাপড়হাটি ইউনিয়নের খামার পাঁচগাছি গ্রামের মৃত ক্ষিতিস চন্দ্র রায়ের ছেলে সুবাস চন্দ্র রায় শোভাগঞ্জ বাজারস্থ বিশ্বরোড সংলগ্ন তার নিজ মালিকানাধীন জেএল নম্বর ৮৩, আরএস খতিয়ান নম্বর ৬২, বিআরএস খতিয়ান ৭৩৩, খারিজ খতিয়ান ৯৯৬, হোল্ডিং ৯৯৮, সাবেক দাগ ৩৩২৮, বিআরএস দাগ ২৬৩৪ ভূক্ত ৪ শতাংশ জমির মধ্যে দেড় শতাংশ জমি আঙ্গুর মিয়া কাছে বিক্রি করেন। দশ লাখ টাকা জমির মূল্য নির্ধারণ পূর্বক ২০২২ সালের ৫ সেপ্টেম্বর দলিল সম্পন্ন হয়।

দলিল সম্পন্ন হওয়ার পরও আঙ্গুর মিয়া জমি বুঝে পাননি। প্রায় তিন বছর ধরে নানা অজুহাত ও মামলার কারণে তাকে বারবার ভোগান্তি পোহাতে হয়েছে। এমনকি ইতোপূর্বে বিক্রেতা সুবাস চন্দ্র রায় সুন্দরগঞ্জের বিজ্ঞ আমলী আদালতসহ বিভিন্ন জায়গায় মামলা ও অভিযোগ দায়ের করেন। মামলার জটিলতা ও টানা ঝামেলার কারণে ক্রেতা পরিবার চরম দুশ্চিন্তায় ছিলেন। দীর্ঘ আইনি লড়াই ও স্থানীয়দের মধ্যস্থতায় অবশেষে আঙ্গুর মিয়া তার ক্রয়কৃত জমি বুঝে পান। জমি বুঝে পাওয়ার পর তিনি সেখানে একটি মার্কেট নির্মাণ শুরু করেছেন।

ক্রয় করা জমি বুঝে পেয়ে ক্রেতা আঙ্গুর মিয়া বলেন, অবশেষে আমার অধিকার নিশ্চিত হলো। তিন বছরের দীর্ঘ অপেক্ষা ও নানা ঝামেলার পর জমি হাতে পাওয়া আমার জন্য বড় স্বস্তি। এখন আমি এই জমিতে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার কাজ শুরু করতে পারছি।

জনপ্রিয়

দীর্ঘ ভোগান্তি শেষে বুঝে পেলেন ক্রয়কৃত জমি

প্রকাশের সময়: ০৬:৪৮:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে দীর্ঘ ভোগান্তির পর অবশেষে জমি বুঝে পেয়েছেন ক্রেতা আঙ্গুর মিয়া। প্রায় ৩ বছর অপেক্ষার পর জমি হাতে পেয়ে তিনি এখন মার্কেট নির্মাণে ব্যস্ত সময় পার করছেন।

ক্রেতা আঙ্গুর মিয়া উপজেলার শান্তিরাম ইউনিয়নের পরান গ্রামের মৃত মশর ব্যপারীর ছেলে।

জানা যায়, উপজেলার ছাপড়হাটি ইউনিয়নের খামার পাঁচগাছি গ্রামের মৃত ক্ষিতিস চন্দ্র রায়ের ছেলে সুবাস চন্দ্র রায় শোভাগঞ্জ বাজারস্থ বিশ্বরোড সংলগ্ন তার নিজ মালিকানাধীন জেএল নম্বর ৮৩, আরএস খতিয়ান নম্বর ৬২, বিআরএস খতিয়ান ৭৩৩, খারিজ খতিয়ান ৯৯৬, হোল্ডিং ৯৯৮, সাবেক দাগ ৩৩২৮, বিআরএস দাগ ২৬৩৪ ভূক্ত ৪ শতাংশ জমির মধ্যে দেড় শতাংশ জমি আঙ্গুর মিয়া কাছে বিক্রি করেন। দশ লাখ টাকা জমির মূল্য নির্ধারণ পূর্বক ২০২২ সালের ৫ সেপ্টেম্বর দলিল সম্পন্ন হয়।

দলিল সম্পন্ন হওয়ার পরও আঙ্গুর মিয়া জমি বুঝে পাননি। প্রায় তিন বছর ধরে নানা অজুহাত ও মামলার কারণে তাকে বারবার ভোগান্তি পোহাতে হয়েছে। এমনকি ইতোপূর্বে বিক্রেতা সুবাস চন্দ্র রায় সুন্দরগঞ্জের বিজ্ঞ আমলী আদালতসহ বিভিন্ন জায়গায় মামলা ও অভিযোগ দায়ের করেন। মামলার জটিলতা ও টানা ঝামেলার কারণে ক্রেতা পরিবার চরম দুশ্চিন্তায় ছিলেন। দীর্ঘ আইনি লড়াই ও স্থানীয়দের মধ্যস্থতায় অবশেষে আঙ্গুর মিয়া তার ক্রয়কৃত জমি বুঝে পান। জমি বুঝে পাওয়ার পর তিনি সেখানে একটি মার্কেট নির্মাণ শুরু করেছেন।

ক্রয় করা জমি বুঝে পেয়ে ক্রেতা আঙ্গুর মিয়া বলেন, অবশেষে আমার অধিকার নিশ্চিত হলো। তিন বছরের দীর্ঘ অপেক্ষা ও নানা ঝামেলার পর জমি হাতে পাওয়া আমার জন্য বড় স্বস্তি। এখন আমি এই জমিতে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার কাজ শুরু করতে পারছি।