হিন্দু ধর্মালম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা আগামী ২৭ সেপ্টেম্বর থেকে শুরুহতে যাচ্ছে। এ বছরে গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার ১১ ইউনিয়নে মোট ১০৭ মন্দির-মন্ডপে পূজার প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে বিভিন্ন মন্দির-মন্ডপে তৈরী করা হচ্ছে প্রতিমা। মাটির প্রলেপ দিয়ে ফুটিয়ে তোলা হচ্ছে এগুলো। এরপর রঙতুলির আঁচর পড়বে এইসব প্রতিমার শরীরে।
শনিবার বিকেলে বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ, সাদুল্লাপুর উপজেলা শাখার সভাপতি প্রভাত চন্দ্র অধিকারী এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। মন্ডপগুলোর মধ্যে- উপজেলার রসুলপুর ইউনিয়নে ৯টি, নলডাঙ্গায় ৮টি, দামোদরপুরে ১৭টি, জামালপুরে ৬টি, ফরিদপুরে ৭টি, ধাপেরহাটে ৮টি, ইদিলপুরে ২টি, ভাতগ্রামে ১২টি, বনগ্রামে ১৬টি, কামারপাড়ায় ১৪টি ও খোর্দ্দকোমরপুর ইউনিয়নে ৮টি রয়েছে।
সাদুল্লাপুর কেন্দ্রীয় বারোয়ারী দুর্গাপূজা মণ্ডপের সাধারণ সম্পাদক (ভারপ্রাপ্ত) লিটন কুমার সরকার বলেন, এবছরের পঞ্জিকা মতে আগামী ২৭ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হবে দুর্গোৎসব। বাঙ্গালি হিন্দু সম্প্রদায়ের কাছে এ হচ্ছে দুর্গা দেবীর আগমনী বার্তা। হিন্দু সনাতন ধর্মাবলম্বী পুজারীরা ও ভক্তগণ হৃদয় নিংড়ানো ভালোবাসা দিয়ে তৈরি করেছেন মা দূর্গাদেবী।
বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ, সাদুল্লাপুর উপজেলা শাখার সভাপতি প্রভাত চন্দ্র অধিকারী বলেন, শারদীয় দুর্গাপূজা সুষ্ঠু ও আনন্দঘন পরিবেশে উদযাপন উপলক্ষ্যে ইতোমধ্যে গাইবান্ধা জেলা পুলিশের উদ্যোগে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ সভায় রংপুর ডিআইজি আমিনুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন। তিনি সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখাসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় আলোচনা ও বিভিন্ন নির্দেশনা প্রদান করেন এবং শারদীয় দুর্গোৎসবে কোন প্রকার অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপিত হবে মর্মে সকলকে আশ্বস্ত করেন।
এ বিষয়ে সাদুল্লাপুর থানার ওসি তাজ উদ্দিন খন্দকার বলেন, আসন্ন দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে কঠোর নজরদারি রাখা হবে। আর যারা পূজার সময় নৈরাজ্য ও ঝামেলা সৃষ্টির সাথে জড়িত থাকবে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ও আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, জাগো২৪.নেট 

















