শুক্রবার, ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সুন্দরগঞ্জে নিয়োগ বাণিজ্যের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন

অধ্যক্ষ ও গভর্নিং বডির সভাপতিসহ নিয়োগ কমিটির কোনো সদস্যই জানেন না ৭ শিক্ষক-কর্মচারীকে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে  ইনডেক্সও হয়েছে ৩ জনের। এতে প্রায় কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ উঠেছে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. আবদুর রহিম মিয়ার বিরুদ্ধে। এরই প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করা হয়েছে।

শনিবার (১১ অক্টোবর) দুপুর ১২ টার দিকে সুন্দরগঞ্জ পৌরসভার সুনামি মার্কেটে এক সংবাদ সম্মেলনের বক্তব্যে এ ধরনের চাঞ্চল্যকর তথ্য তুলে ধরেন সাবেক অধ্যক্ষ মুহাম্মদ মুজাম্মেল হক। এ চাঞ্চল্যকর ঘটনা গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার চন্ডিপুর ফজলুল হক উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজে ঘটেছে।

ভুয়া কাগজপত্র সৃজন করে নিয়োগ দেয়ার বিষয়টি ডিজিসহ একাধিক দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দেয়ার পরও কোনো ব্যাবস্থা নেননি সংশ্লিষ্ট উর্ধতন কর্তৃপক্ষ বলেও জানান সংবাদ সম্মেলনে।

সংবাদ সম্মেলনে সাবেক অধ্যক্ষ মো. মুজাম্মেল হক বলেন, আমি গত ২০২০ সালের ৩১ আগস্ট ওই কলেজ থেকে অবসরে যাই। আমার সময়ে তাঁদের নিয়োগ দেয়া হয়নি। অথচ আমার এবং তৎকালীন সময়ের গভর্নিং বডির সভাপতির স্বাক্ষর সৃজন করে ৭ জন শিক্ষক-কর্মচারীকে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। ইনডেক্সও হয়েছে ৩ জনের। আর এ সকল অনিয়ম ও দূর্নীতি করেছেন বর্তমান ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. আবদুর রহিম মিয়া ও প্রভাষক মো. আতাউর রহমান (অর্থনীতি)। এ বিষয়ে ডিজিসহ একাধিক দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দিয়েও কোনো সাড়া মেলেনি সংবাদ সম্মেলনে দাবি সাবেক অধ্যক্ষের।

ভুয়া কাগজপত্র সৃজন করে নিয়োগ দেয়া ৭ শিক্ষক-কর্মচারী হলেন, মোঃ আরাফাত আলী আকাশ, ল্যাব সহকারী (রসায়ন), সোমা আক্তার, প্রদর্শক কম্পিউটার শিক্ষা, মোঃ হুমায়ুন কবির, ল্যাব সহকারী (তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি), মোঃ মোস্তাফিজার রহমান, প্রভাষক, ইসলামের ইতিহাস ও সাংস্কৃতি, মোঃ হিরু মিয়া (ল্যাব এ্যাসিস্টেন্ট), মোঃ ফিরোজ আখতার লিপন (ল্যাব এ্যাসিস্টেন্ট) ও মোঃ মমিনুল ইসলাম (নিরাপত্তা কর্মী)।এরমধ্যে মোঃ আরাফাত আলী আকাশ, সোমা আক্তার ও মোঃ হুমায়ুন কবিরের ইনডেক্স হয়েছে।

এ বিষয়ে কথা হয় ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. আবদুর রহিম মিয়ার সাথে। তিনি বলেন, আমি কোনো ভূয়া কাগজ সৃজন করে তাদের নিয়োগ দেইনি।  নিয়োগ দিয়েছেন তাদের পূর্বের অধ্যক্ষ ও তার কমিটির লোকজন। তারা সেই নিয়োগপত্রসহ বেতন পাঠানোর প্রয়োজনীয় কাগজপত্র অফিসে দাখিল করলে আমি তাদের বেতনের বিষয়ে পদক্ষেপ গ্রহন করি।

আমি কারো কাছে কোনো টাকা গ্রহণ করি নাই বলেও জানান ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো আবদুর রহিম মিয়া।

কলেজের প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক সভাপতি এম এ মালেক, অভিভাবক সদস্য এস এম আব্দুল হালিম আকন্দ, সহকারী অধ্যাপক মৃনাল কান্তি রায়, সিনিয়র প্রভাষক মো. আশরাফুল ইসলাম খন্দকার, গোলক চন্দ্র কর্মকার, প্রভাষক মো. আঃ কাদের মিয়া, প্রভাষক মোছাঃ বিউটি বেগম, প্রভাষক মো. আরিফুল ইসলাম চৌধুরী, শরীর চর্চা শিক্ষক জাহাঙ্গীর আলম ও স্থানীয় অভিভাবক।

সুন্দরগঞ্জে নিয়োগ বাণিজ্যের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন

প্রকাশের সময়: ০৬:৩২:১৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৫

অধ্যক্ষ ও গভর্নিং বডির সভাপতিসহ নিয়োগ কমিটির কোনো সদস্যই জানেন না ৭ শিক্ষক-কর্মচারীকে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে  ইনডেক্সও হয়েছে ৩ জনের। এতে প্রায় কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ উঠেছে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. আবদুর রহিম মিয়ার বিরুদ্ধে। এরই প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করা হয়েছে।

শনিবার (১১ অক্টোবর) দুপুর ১২ টার দিকে সুন্দরগঞ্জ পৌরসভার সুনামি মার্কেটে এক সংবাদ সম্মেলনের বক্তব্যে এ ধরনের চাঞ্চল্যকর তথ্য তুলে ধরেন সাবেক অধ্যক্ষ মুহাম্মদ মুজাম্মেল হক। এ চাঞ্চল্যকর ঘটনা গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার চন্ডিপুর ফজলুল হক উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজে ঘটেছে।

ভুয়া কাগজপত্র সৃজন করে নিয়োগ দেয়ার বিষয়টি ডিজিসহ একাধিক দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দেয়ার পরও কোনো ব্যাবস্থা নেননি সংশ্লিষ্ট উর্ধতন কর্তৃপক্ষ বলেও জানান সংবাদ সম্মেলনে।

সংবাদ সম্মেলনে সাবেক অধ্যক্ষ মো. মুজাম্মেল হক বলেন, আমি গত ২০২০ সালের ৩১ আগস্ট ওই কলেজ থেকে অবসরে যাই। আমার সময়ে তাঁদের নিয়োগ দেয়া হয়নি। অথচ আমার এবং তৎকালীন সময়ের গভর্নিং বডির সভাপতির স্বাক্ষর সৃজন করে ৭ জন শিক্ষক-কর্মচারীকে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। ইনডেক্সও হয়েছে ৩ জনের। আর এ সকল অনিয়ম ও দূর্নীতি করেছেন বর্তমান ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. আবদুর রহিম মিয়া ও প্রভাষক মো. আতাউর রহমান (অর্থনীতি)। এ বিষয়ে ডিজিসহ একাধিক দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দিয়েও কোনো সাড়া মেলেনি সংবাদ সম্মেলনে দাবি সাবেক অধ্যক্ষের।

ভুয়া কাগজপত্র সৃজন করে নিয়োগ দেয়া ৭ শিক্ষক-কর্মচারী হলেন, মোঃ আরাফাত আলী আকাশ, ল্যাব সহকারী (রসায়ন), সোমা আক্তার, প্রদর্শক কম্পিউটার শিক্ষা, মোঃ হুমায়ুন কবির, ল্যাব সহকারী (তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি), মোঃ মোস্তাফিজার রহমান, প্রভাষক, ইসলামের ইতিহাস ও সাংস্কৃতি, মোঃ হিরু মিয়া (ল্যাব এ্যাসিস্টেন্ট), মোঃ ফিরোজ আখতার লিপন (ল্যাব এ্যাসিস্টেন্ট) ও মোঃ মমিনুল ইসলাম (নিরাপত্তা কর্মী)।এরমধ্যে মোঃ আরাফাত আলী আকাশ, সোমা আক্তার ও মোঃ হুমায়ুন কবিরের ইনডেক্স হয়েছে।

এ বিষয়ে কথা হয় ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. আবদুর রহিম মিয়ার সাথে। তিনি বলেন, আমি কোনো ভূয়া কাগজ সৃজন করে তাদের নিয়োগ দেইনি।  নিয়োগ দিয়েছেন তাদের পূর্বের অধ্যক্ষ ও তার কমিটির লোকজন। তারা সেই নিয়োগপত্রসহ বেতন পাঠানোর প্রয়োজনীয় কাগজপত্র অফিসে দাখিল করলে আমি তাদের বেতনের বিষয়ে পদক্ষেপ গ্রহন করি।

আমি কারো কাছে কোনো টাকা গ্রহণ করি নাই বলেও জানান ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো আবদুর রহিম মিয়া।

কলেজের প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক সভাপতি এম এ মালেক, অভিভাবক সদস্য এস এম আব্দুল হালিম আকন্দ, সহকারী অধ্যাপক মৃনাল কান্তি রায়, সিনিয়র প্রভাষক মো. আশরাফুল ইসলাম খন্দকার, গোলক চন্দ্র কর্মকার, প্রভাষক মো. আঃ কাদের মিয়া, প্রভাষক মোছাঃ বিউটি বেগম, প্রভাষক মো. আরিফুল ইসলাম চৌধুরী, শরীর চর্চা শিক্ষক জাহাঙ্গীর আলম ও স্থানীয় অভিভাবক।