শুক্রবার, ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মোটরসাইকেল কিনে না দেওয়ায় গলায় ফাঁস নিয়ে স্কুলছাত্রের আত্মহত্যা

পাবনার আটঘরিয়ায় ছেলেকে মোটরসাইকেল কিনে না দেয়ার অভিমানে গলায় ফাঁস নিয়ে আত্মহত্যা করেছে রিয়াদ হোসেন (১৬) নামক এক স্কুল ছাত্র।

আজ মঙ্গলবার ১৪ অক্টোবর সকাল সাড়ে এগারোটার সময় ষাটগাছা গ্রামে এঘটনা ঘটে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ইউপি সদস্য আব্দুল মমিন।

নিহতদের পারিবারিক সুত্রে জানা গেছে, উপজেলার একদন্ত ইউনিয়নের ষাটগাছা গ্রামের প্রবাসী নজর আলী ছেলে একদন্ত উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী রিয়াদ হোসেন তার বাবা মার কাছে মাঝে মধ্যে মোটরসাইকেল দাবি করেন।

এসময় তার বাবা মা মোটরসাইকেল কিনে দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে ছেলে রিয়াদের মনে ক্ষোভ সৃষ্টি হয়।

এঘটনার দিন বাড়ির পাশে প্রতিবেশী একজন মারা গেলে সবাই তাকে দেখতে যায়। এসুযোগে রিয়াদ হোসেন বাড়ির উঠানে গাছের সাথে গলায় দড়ি দিয়ে ফাঁস নিয়ে আত্মহত্যা করে।

তবে পরিবেশীরা জানান, রিয়াদ হোসেন মোবাইলে প্রতি বেশি আসক্ত ছিল। ঘরের দরজা দিয়ে সারা দিন মোবাইলে গেম খেলতো।

মোবাইল কেড়ে নিলে মাঝে মধ্যে বাবা মার কাছে মোটরসাইকেল সাইকেল কিনে চাইতো। এরই কারনে রিয়াদ সকালে আম গাছের সাথে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্নহত্যা করে।

তারা আরও জানান, রিয়াদের মা মোবাইল ফোন কেড়ে নেয়ার কারণে আজ সকালে বাড়ির পাশে এক প্রতিবেশী মারা গেছে তাকে দেখতে যায় বাড়ীর সবাই। এই সুযোগে রিয়াদ মনে ক্ষোভে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্নহত্যা করে।

মোটরসাইকেল কিনে না দেওয়ায় গলায় ফাঁস নিয়ে স্কুলছাত্রের আত্মহত্যা

প্রকাশের সময়: ০৬:৫১:০০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৫

পাবনার আটঘরিয়ায় ছেলেকে মোটরসাইকেল কিনে না দেয়ার অভিমানে গলায় ফাঁস নিয়ে আত্মহত্যা করেছে রিয়াদ হোসেন (১৬) নামক এক স্কুল ছাত্র।

আজ মঙ্গলবার ১৪ অক্টোবর সকাল সাড়ে এগারোটার সময় ষাটগাছা গ্রামে এঘটনা ঘটে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ইউপি সদস্য আব্দুল মমিন।

নিহতদের পারিবারিক সুত্রে জানা গেছে, উপজেলার একদন্ত ইউনিয়নের ষাটগাছা গ্রামের প্রবাসী নজর আলী ছেলে একদন্ত উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী রিয়াদ হোসেন তার বাবা মার কাছে মাঝে মধ্যে মোটরসাইকেল দাবি করেন।

এসময় তার বাবা মা মোটরসাইকেল কিনে দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে ছেলে রিয়াদের মনে ক্ষোভ সৃষ্টি হয়।

এঘটনার দিন বাড়ির পাশে প্রতিবেশী একজন মারা গেলে সবাই তাকে দেখতে যায়। এসুযোগে রিয়াদ হোসেন বাড়ির উঠানে গাছের সাথে গলায় দড়ি দিয়ে ফাঁস নিয়ে আত্মহত্যা করে।

তবে পরিবেশীরা জানান, রিয়াদ হোসেন মোবাইলে প্রতি বেশি আসক্ত ছিল। ঘরের দরজা দিয়ে সারা দিন মোবাইলে গেম খেলতো।

মোবাইল কেড়ে নিলে মাঝে মধ্যে বাবা মার কাছে মোটরসাইকেল সাইকেল কিনে চাইতো। এরই কারনে রিয়াদ সকালে আম গাছের সাথে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্নহত্যা করে।

তারা আরও জানান, রিয়াদের মা মোবাইল ফোন কেড়ে নেয়ার কারণে আজ সকালে বাড়ির পাশে এক প্রতিবেশী মারা গেছে তাকে দেখতে যায় বাড়ীর সবাই। এই সুযোগে রিয়াদ মনে ক্ষোভে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্নহত্যা করে।