শুক্রবার, ০৬ মার্চ ২০২৬, ২২ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

চিরিরবন্দরে বাজারে মরা মুরগী বিক্রির অভিযোগ

দিনাজপুরের চিরিরবন্দরে বিভিন্ন বাজারে মরা মুরগী বিক্রি করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনাটি গত ৩ মার্চ মঙ্গলবার দিবাগত রাত ৯টায় উপজেলার আব্দুলপুর ইউনিয়নের বেলতলীবাজারে ঘটেছে।

স্থানীয়রা জানান, উপজেলার আব্দুলপুর ইউনিয়নের নান্দেড়াই গ্রামের জনৈক মুরগীর খামার ব্যবসায়ী কয়েকটি বস্তায় করে মরা মুরগী এনে তারাবী নামাজের পর রাত ৯টায় বেলতলীবাজারে সড়কের উপর কম দামে বিক্রি শুরু করে। এসময় স্থানীয় লোকজন এ ঘটনার প্রতিবাদ করলে মরা মুরগী বিক্রেতা সবার সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেন। একপর্যায়ে পরিস্থিতি উপ্তপ্ত হয়ে উঠলে স্থানীয় লোকজন বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) কে জানান। এ ঘটনা অবহিত হয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠান। তবে ঘটনাস্থলে পুলিশ পৌঁছার আগেই ওই মুরগী ব্যবসায়ী মরা মুরগীগুলো নিয়ে ওই ইউনিয়নের সুখীপীর বাজারের দিকে পালিয়ে যান। ঘন্টাখানেক পর পুলিশ আসলেও সুখীপীর বাজারসহ কোথাও মুরগী ব্যবসায়ীকে পাওয়া যায়নি।

অন্য মুরগী ব্যবসায়ীরা জানান, খামারে মুরগীগুলো খুব অসুস্থ হয়ে যাওয়ায় খামারেই মুরগীগুলো জবাই করা হয়েছিল। গত ৩দিন ধরে এসব মরা মুরগী বিভিন্ন বাজারে বিক্রি করা হচ্ছিল। এ বাজারে আসাতে ঝামেলা করছে স্থানীয় লোকজন।

উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসার মো. রায়হান আলী বলেন, মরা মুরগী ও অসুস্থ্য মুরগী বিক্রি করা আইনত দন্ডনীয় অপরাধ। এ ধরনের কাজে কোন খামার মালিকের বিরুদ্ধে অভিযোগ পাওয়া গেলে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।

চিরিরবন্দরে বাজারে মরা মুরগী বিক্রির অভিযোগ

প্রকাশের সময়: ০৬:০৩:১২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ মার্চ ২০২৬

দিনাজপুরের চিরিরবন্দরে বিভিন্ন বাজারে মরা মুরগী বিক্রি করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনাটি গত ৩ মার্চ মঙ্গলবার দিবাগত রাত ৯টায় উপজেলার আব্দুলপুর ইউনিয়নের বেলতলীবাজারে ঘটেছে।

স্থানীয়রা জানান, উপজেলার আব্দুলপুর ইউনিয়নের নান্দেড়াই গ্রামের জনৈক মুরগীর খামার ব্যবসায়ী কয়েকটি বস্তায় করে মরা মুরগী এনে তারাবী নামাজের পর রাত ৯টায় বেলতলীবাজারে সড়কের উপর কম দামে বিক্রি শুরু করে। এসময় স্থানীয় লোকজন এ ঘটনার প্রতিবাদ করলে মরা মুরগী বিক্রেতা সবার সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেন। একপর্যায়ে পরিস্থিতি উপ্তপ্ত হয়ে উঠলে স্থানীয় লোকজন বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) কে জানান। এ ঘটনা অবহিত হয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠান। তবে ঘটনাস্থলে পুলিশ পৌঁছার আগেই ওই মুরগী ব্যবসায়ী মরা মুরগীগুলো নিয়ে ওই ইউনিয়নের সুখীপীর বাজারের দিকে পালিয়ে যান। ঘন্টাখানেক পর পুলিশ আসলেও সুখীপীর বাজারসহ কোথাও মুরগী ব্যবসায়ীকে পাওয়া যায়নি।

অন্য মুরগী ব্যবসায়ীরা জানান, খামারে মুরগীগুলো খুব অসুস্থ হয়ে যাওয়ায় খামারেই মুরগীগুলো জবাই করা হয়েছিল। গত ৩দিন ধরে এসব মরা মুরগী বিভিন্ন বাজারে বিক্রি করা হচ্ছিল। এ বাজারে আসাতে ঝামেলা করছে স্থানীয় লোকজন।

উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসার মো. রায়হান আলী বলেন, মরা মুরগী ও অসুস্থ্য মুরগী বিক্রি করা আইনত দন্ডনীয় অপরাধ। এ ধরনের কাজে কোন খামার মালিকের বিরুদ্ধে অভিযোগ পাওয়া গেলে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।