বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ১০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গাইবান্ধায় রেস্টুরেন্ট-এ শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ, থমথম উত্তেজনা

গাইবান্ধা সদর উপজেলার উদাখালি ইউনিয়নের জাফলং চাইনিজ এন্ড ফাস্টফুড রেস্টুরেন্টে এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। ন্যাক্কারজনক এ ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে ফুঁসে উঠেছে স্থানীয় বিক্ষুব্ধ জনতা।

বুধবার (২৪ জনু) ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে এবং উত্তেজিত এলাকাবাসী উক্ত রেস্টুরেন্টে অগ্নিসংযোগসহ ভাঙচুর চালিয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে ভেড়ামারা ব্রিজ সংলগ্ন এলাকায় যত্রতত্র গড়ে ওঠা এসব তথাকথিত বিনোদন কেন্দ্র ও রেস্টুরেন্টগুলোতে নানাবিধ অনৈতিক কর্মকাণ্ডের গুঞ্জন ছিল। তবে এবার সমস্ত সীমা ছাড়িয়ে এক কোমলমতি শিশুকে ধর্ষণের মতো জঘন্য অপরাধের অভিযোগ আসায় এলাকার সর্বস্তরের মানুষের মাঝে তীব্র ক্ষোভ ও উৎকণ্ঠার সৃষ্টি হয়েছে।

বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসীর অভিযোগ, নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে গড়ে ওঠা এসব রেস্টুরেন্টে দীর্ঘদিন ধরে প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে একদিকে যেমন কোমলমতি শিশুদের দিয়ে ঝুঁকিপূর্ণ ‘শিশু শ্রম’ করানো হচ্ছে, অন্যদিকে পর্দার আড়ালে চলছে নানামুখী অপরাধমূলক ও অনৈতিক কর্মকাণ্ড।

এলাকাবাসী বলছেন- আজকের এই নির্মম ধর্ষণের ঘটনাটি ঘটেছে।  যা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। এসব নামসর্বস্ব রেস্টুরেন্ট মূলত অপরাধের অভয়ারণ্যে পরিণত হয়েছে। আজকের এই ঘটনার পর স্থানীয় সচেতন মহল ও সাধারণ মানুষ চরম উৎকণ্ঠার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। তারা অবিলম্বে এই ঘটনার সাথে জড়িত মূল হোতা এবং রেস্টুরেন্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও ফাঁসির দাবি জানিয়েছেন। সেইসাথে আবাসিক ও জনবহুল এলাকায় যত্রতত্র সেই সাথে আবাসিক ও জনবহুল এলাকায় যত্রতত্র গড়ে ওঠা এসব অবৈধ ও অনৈতিক রেস্টুরেন্টগুলো স্থায়ীভাবে বন্ধ করার জন্য প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি জানানো হয়েছে।

গাইবান্ধা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্কর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, এ ঘটনায় জড়িত আমির হোসেনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। বর্তমানে পরিবেশ শান্ত রয়েছে।

জনপ্রিয়

গাইবান্ধায় রেস্টুরেন্ট-এ শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ, থমথম উত্তেজনা

প্রকাশের সময়: ০৬:৩৫:৫৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬

গাইবান্ধা সদর উপজেলার উদাখালি ইউনিয়নের জাফলং চাইনিজ এন্ড ফাস্টফুড রেস্টুরেন্টে এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। ন্যাক্কারজনক এ ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে ফুঁসে উঠেছে স্থানীয় বিক্ষুব্ধ জনতা।

বুধবার (২৪ জনু) ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে এবং উত্তেজিত এলাকাবাসী উক্ত রেস্টুরেন্টে অগ্নিসংযোগসহ ভাঙচুর চালিয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে ভেড়ামারা ব্রিজ সংলগ্ন এলাকায় যত্রতত্র গড়ে ওঠা এসব তথাকথিত বিনোদন কেন্দ্র ও রেস্টুরেন্টগুলোতে নানাবিধ অনৈতিক কর্মকাণ্ডের গুঞ্জন ছিল। তবে এবার সমস্ত সীমা ছাড়িয়ে এক কোমলমতি শিশুকে ধর্ষণের মতো জঘন্য অপরাধের অভিযোগ আসায় এলাকার সর্বস্তরের মানুষের মাঝে তীব্র ক্ষোভ ও উৎকণ্ঠার সৃষ্টি হয়েছে।

বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসীর অভিযোগ, নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে গড়ে ওঠা এসব রেস্টুরেন্টে দীর্ঘদিন ধরে প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে একদিকে যেমন কোমলমতি শিশুদের দিয়ে ঝুঁকিপূর্ণ ‘শিশু শ্রম’ করানো হচ্ছে, অন্যদিকে পর্দার আড়ালে চলছে নানামুখী অপরাধমূলক ও অনৈতিক কর্মকাণ্ড।

এলাকাবাসী বলছেন- আজকের এই নির্মম ধর্ষণের ঘটনাটি ঘটেছে।  যা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। এসব নামসর্বস্ব রেস্টুরেন্ট মূলত অপরাধের অভয়ারণ্যে পরিণত হয়েছে। আজকের এই ঘটনার পর স্থানীয় সচেতন মহল ও সাধারণ মানুষ চরম উৎকণ্ঠার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। তারা অবিলম্বে এই ঘটনার সাথে জড়িত মূল হোতা এবং রেস্টুরেন্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও ফাঁসির দাবি জানিয়েছেন। সেইসাথে আবাসিক ও জনবহুল এলাকায় যত্রতত্র সেই সাথে আবাসিক ও জনবহুল এলাকায় যত্রতত্র গড়ে ওঠা এসব অবৈধ ও অনৈতিক রেস্টুরেন্টগুলো স্থায়ীভাবে বন্ধ করার জন্য প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি জানানো হয়েছে।

গাইবান্ধা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্কর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, এ ঘটনায় জড়িত আমির হোসেনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। বর্তমানে পরিবেশ শান্ত রয়েছে।