সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ১৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সাদুল্লাপুরে অবৈধভাবে মজুত ২১১ বস্তা সার জব্দ, ব্যবসায়ীর অর্থদণ্ড

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুরে অবৈধভাবে মজুদ ২১১ বস্তা সার জব্দ করেছে উপজেলা প্রশাসন। একইসঙ্গে এ ব্যবসায় জড়িত খুচরা সার ব্যবসায়ী শ্রী মিথুন চন্দ্র বর্মন নান্টুকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

জব্দ করা সারগুলো রোববার (৩০ আগস্ট) দুপুরে উপজেলার কামারপাড়া বাজার থেকে প্রশাসনের কার্যালয়ে আনা হয়।

এসব সারের মধ্যে- ইউরিয়া ৯৪ বস্তা, ডিএপি ১৯ বস্তা, টিএসপি ১৭ বস্তা, জিপসাম ৬৮ বস্তা ও পটাস ১৩ বস্তা রয়েছে। এসব জব্দে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করেন ইউএনও রওজাতুন জান্নাত।

স্থানীয়রা জানায়, শনিবার (২৯ আগস্ট) কামারপাড়া বাজারের মিথুন চন্দ্র বর্মন নান্টুর দোকান থেকে ১৪ বস্তা সার ভ্যানযোগে সুন্দরগঞ্জের দিকে নিয়ে যাচ্ছিল। এরই মধ্যে এলাকাবাসী টের পেয়ে প্রশাসনের খবর দেন। এরপর নান্টুর গুদামে আরও মজুদ সার আছে বলে স্থানীয়রা বিক্ষোভ করতে থাকেন। পরে প্রশাসনের লোকজন এসে ২১১ বস্তার সার জব্দ করেন।

কৃষকদের অভিযোগ, আমন মৌসুমে সারের চাহিদা বেড়ে যাওয়ার সুযোগ নিয়ে কেউ কেউ সার মজুত করে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করেছে।  তাই অবৈধ মজুতদারদের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান ও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।

এ বিষয়ে সাদুল্লাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রওজাতুন জান্নাতের অফিসিয়াল মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল দেওয়া হয় কিন্তু ফোনটি সিরিভ করেননি তিনি। ফলে বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

তবে সাদুল্লাপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ অপূর্ব ভট্টাচার্য বলেন, ওইস্থানে বিভিন্ন ধরনের ২১১ বস্তার সার জব্দসহ ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জব্দ করা সারগুলো প্রশাসনের হেফাজতে রয়েছে। এগুলো সরকারি দামে কৃষকদের কাছে বিতরণ করা হবে।

বিজ্ঞাপন

জনপ্রিয়

সাদুল্লাপুরে অবৈধভাবে মজুত ২১১ বস্তা সার জব্দ, ব্যবসায়ীর অর্থদণ্ড

প্রকাশের সময়: ০৮:৩৫:৪৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুরে অবৈধভাবে মজুদ ২১১ বস্তা সার জব্দ করেছে উপজেলা প্রশাসন। একইসঙ্গে এ ব্যবসায় জড়িত খুচরা সার ব্যবসায়ী শ্রী মিথুন চন্দ্র বর্মন নান্টুকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

জব্দ করা সারগুলো রোববার (৩০ আগস্ট) দুপুরে উপজেলার কামারপাড়া বাজার থেকে প্রশাসনের কার্যালয়ে আনা হয়।

এসব সারের মধ্যে- ইউরিয়া ৯৪ বস্তা, ডিএপি ১৯ বস্তা, টিএসপি ১৭ বস্তা, জিপসাম ৬৮ বস্তা ও পটাস ১৩ বস্তা রয়েছে। এসব জব্দে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করেন ইউএনও রওজাতুন জান্নাত।

স্থানীয়রা জানায়, শনিবার (২৯ আগস্ট) কামারপাড়া বাজারের মিথুন চন্দ্র বর্মন নান্টুর দোকান থেকে ১৪ বস্তা সার ভ্যানযোগে সুন্দরগঞ্জের দিকে নিয়ে যাচ্ছিল। এরই মধ্যে এলাকাবাসী টের পেয়ে প্রশাসনের খবর দেন। এরপর নান্টুর গুদামে আরও মজুদ সার আছে বলে স্থানীয়রা বিক্ষোভ করতে থাকেন। পরে প্রশাসনের লোকজন এসে ২১১ বস্তার সার জব্দ করেন।

কৃষকদের অভিযোগ, আমন মৌসুমে সারের চাহিদা বেড়ে যাওয়ার সুযোগ নিয়ে কেউ কেউ সার মজুত করে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করেছে।  তাই অবৈধ মজুতদারদের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান ও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।

এ বিষয়ে সাদুল্লাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রওজাতুন জান্নাতের অফিসিয়াল মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল দেওয়া হয় কিন্তু ফোনটি সিরিভ করেননি তিনি। ফলে বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

তবে সাদুল্লাপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ অপূর্ব ভট্টাচার্য বলেন, ওইস্থানে বিভিন্ন ধরনের ২১১ বস্তার সার জব্দসহ ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জব্দ করা সারগুলো প্রশাসনের হেফাজতে রয়েছে। এগুলো সরকারি দামে কৃষকদের কাছে বিতরণ করা হবে।

বিজ্ঞাপন