সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ১৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চিরিরবন্দরে যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

দিনাজপুরের চিরিরবন্দরে ইউক্যালিপ্টাস গাছ থেকে সবুজ চন্দ্র রায় নামে এক যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সবুজ চন্দ্র রায় (২২) উপজেলার সাতনালা ইউনিয়নের জোত সাতনালা গ্রামের নাপিতপাড়ার সুনীল চন্দ্র রায়ের ছেলে।

সোমবার সকালে উপজেলার ফতেজংপুর ইউনিয়নের ট্রিলিয়ন গোল্ড লিমিটেডের উত্তর পাশে একটি ইউক্যালিপ্টাস গাছ থেকে সবুজ চন্দ্র রায়ের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

জানা গেছে, উপজেলার সাতনালা ইউনিয়নের জোত সাতনালা গ্রামের নাপিতপাড়ার সুনীল চন্দ্র রায়ের ছেলে সবুজ চন্দ্র রায় উপজেলার ফতেজংপুর ইউনিয়নের ট্রিলিয়ন গোল্ড লিমিটেডের উত্তর পাশে একটি বাসাভাড়া নিয়ে স্বামী-স্ত্রী থাকতো এবং তারা ট্রিলিয়ন গোল্ড লিমিটেড ফ্যাক্টরীতে চাকুরি করতো। গতকাল সোমবার সকালে ওই এলাকায় একটি ইউক্যালিপ্টাস গাছে ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পেয়ে থানা পুলিশকে খবর দেয় লোকজন। থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে সুরতহাল রিপোর্ট করে।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার সবুজ পেশায় একজন রাজমিস্ত্রি ছিল। সে গত ৩ বছর পূর্বে প্রেম করে উপজেলার রাজাপুর গ্রামের কৃষ্ণা রায়কে বিয়ে করেছিল। বিয়ের পর থেকেই তাদের দাম্পত্য জীবনে ঝগড়া-বিবাদ লেগেই থাকতো। গত ২৮ আগস্ট রাত ৮টায় সবুজ তার স্ত্রীর ওপর অভিমান করে বাড়িতে ফিরে আসে। গত ৩০ আগস্ট রবিবার বিকেল ৫টার দিকে কাউকে না জানিয়ে সবুজ বাড়ি থেকে বের হয়ে গিয়ে আর ফিরে আসেনি। এ ঘটনায় সবুজের পিতা থানায় একটি অপমৃত্যু মামলার আবেদন করেছেন।

থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মাহমুদুন-নবী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, মৃত যুবকের পিতার আবেদনের প্রেক্ষিতে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহের সুরতহাল করে। আত্মহত্যার আলামত পাওয়া যাওয়ায় পরিবারের আবেদনের প্রেক্ষিতে মরদেহ হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করা হয়েছে। তার পড়নের টি-শার্টের পকেটে হাতে লেখা একটি চিরকুট পাওয়া গেছে।

বিজ্ঞাপন

জনপ্রিয়

চিরিরবন্দরে যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

প্রকাশের সময়: ০৯:৪৮:২৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬

দিনাজপুরের চিরিরবন্দরে ইউক্যালিপ্টাস গাছ থেকে সবুজ চন্দ্র রায় নামে এক যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সবুজ চন্দ্র রায় (২২) উপজেলার সাতনালা ইউনিয়নের জোত সাতনালা গ্রামের নাপিতপাড়ার সুনীল চন্দ্র রায়ের ছেলে।

সোমবার সকালে উপজেলার ফতেজংপুর ইউনিয়নের ট্রিলিয়ন গোল্ড লিমিটেডের উত্তর পাশে একটি ইউক্যালিপ্টাস গাছ থেকে সবুজ চন্দ্র রায়ের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

জানা গেছে, উপজেলার সাতনালা ইউনিয়নের জোত সাতনালা গ্রামের নাপিতপাড়ার সুনীল চন্দ্র রায়ের ছেলে সবুজ চন্দ্র রায় উপজেলার ফতেজংপুর ইউনিয়নের ট্রিলিয়ন গোল্ড লিমিটেডের উত্তর পাশে একটি বাসাভাড়া নিয়ে স্বামী-স্ত্রী থাকতো এবং তারা ট্রিলিয়ন গোল্ড লিমিটেড ফ্যাক্টরীতে চাকুরি করতো। গতকাল সোমবার সকালে ওই এলাকায় একটি ইউক্যালিপ্টাস গাছে ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পেয়ে থানা পুলিশকে খবর দেয় লোকজন। থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে সুরতহাল রিপোর্ট করে।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার সবুজ পেশায় একজন রাজমিস্ত্রি ছিল। সে গত ৩ বছর পূর্বে প্রেম করে উপজেলার রাজাপুর গ্রামের কৃষ্ণা রায়কে বিয়ে করেছিল। বিয়ের পর থেকেই তাদের দাম্পত্য জীবনে ঝগড়া-বিবাদ লেগেই থাকতো। গত ২৮ আগস্ট রাত ৮টায় সবুজ তার স্ত্রীর ওপর অভিমান করে বাড়িতে ফিরে আসে। গত ৩০ আগস্ট রবিবার বিকেল ৫টার দিকে কাউকে না জানিয়ে সবুজ বাড়ি থেকে বের হয়ে গিয়ে আর ফিরে আসেনি। এ ঘটনায় সবুজের পিতা থানায় একটি অপমৃত্যু মামলার আবেদন করেছেন।

থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মাহমুদুন-নবী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, মৃত যুবকের পিতার আবেদনের প্রেক্ষিতে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহের সুরতহাল করে। আত্মহত্যার আলামত পাওয়া যাওয়ায় পরিবারের আবেদনের প্রেক্ষিতে মরদেহ হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করা হয়েছে। তার পড়নের টি-শার্টের পকেটে হাতে লেখা একটি চিরকুট পাওয়া গেছে।

বিজ্ঞাপন