বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ২৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সাদুল্লাপুরে ছাগল-ভেড়াকে পিপিআর টিকা, পালকদের স্বস্তি

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুরে পিপিআর রোগ নির্মূল ও ক্ষুরারোগ নিয়ন্ত্রণ প্রকল্পের আওতায় ছাগল ও ভেড়াকে টিকা দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (৮ অক্টোবর) উপজেলার পাটানোছা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে এ টিকাদান ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত হয়। এতে ২০০টি ছাগল ও ভেড়াকে পিপিআর টিকা দেওয়া হয়।

টিকাদান কর্মসূচিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রওজাতুন জান্নাত, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা তানভীক জাহানসহ প্রাণিসম্পদ দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও স্থানীয় পশুপালকেরা উপস্থিত ছিলেন।

উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর সূত্রে জানা যায়, পিপিআর রোগ নির্মূল ও ক্ষুরারোগ নিয়ন্ত্রণ প্রকল্পের আওতায় কর্মসূচির চতুর্থ পর্যায়ে ১ থেকে ১৮ অক্টোবর পর্যন্ত ৩ থেকে ১২ মাস বয়সী ছাগল ও ভেড়াকে পিপিআর টিকা দেওয়া হচ্ছে। উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় পর্যায়ক্রমে এ টিকাদান কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।

উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা তানভীক জাহান জানান, পিপিআর ছাগল ও ভেড়ার একটি সংক্রামক রোগ। আক্রান্ত পশুর মাধ্যমে দ্রুত অন্য পশুর মধ্যে রোগটি ছড়িয়ে পড়তে পারে। এতে পশু মারা যাওয়ার পাশাপাশি খামারি ও প্রান্তিক পশুপালকেরা আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েন। নিয়মিত টিকাদানের মাধ্যমে এ রোগের সংক্রমণ ও বিস্তার অনেকটাই নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। তাই নির্ধারিত বয়সের ছাগল ও ভেড়াকে সময়মতো টিকার আওতায় আনার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

কর্মসূচির অংশ হিসেবে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রওজাতুন জান্নাত পাটানোছা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাঠদান কার্যক্রম পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন এবং শিক্ষা কার্যক্রমের সার্বিক খোঁজখবর নেন।

পরে উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর ও ভেটেরিনারি হাসপাতাল প্রাঙ্গণে জাতীয় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি-২০২৬-এর অংশ হিসেবে ঔষধি বৃক্ষের চারা রোপণ করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রওজাতুন জান্নাত।

জনপ্রিয়

সাদুল্লাপুরে ছাগল-ভেড়াকে পিপিআর টিকা, পালকদের স্বস্তি

প্রকাশের সময়: ০৪:১৮:৩৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর ২০২৬

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুরে পিপিআর রোগ নির্মূল ও ক্ষুরারোগ নিয়ন্ত্রণ প্রকল্পের আওতায় ছাগল ও ভেড়াকে টিকা দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (৮ অক্টোবর) উপজেলার পাটানোছা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে এ টিকাদান ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত হয়। এতে ২০০টি ছাগল ও ভেড়াকে পিপিআর টিকা দেওয়া হয়।

টিকাদান কর্মসূচিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রওজাতুন জান্নাত, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা তানভীক জাহানসহ প্রাণিসম্পদ দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও স্থানীয় পশুপালকেরা উপস্থিত ছিলেন।

উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর সূত্রে জানা যায়, পিপিআর রোগ নির্মূল ও ক্ষুরারোগ নিয়ন্ত্রণ প্রকল্পের আওতায় কর্মসূচির চতুর্থ পর্যায়ে ১ থেকে ১৮ অক্টোবর পর্যন্ত ৩ থেকে ১২ মাস বয়সী ছাগল ও ভেড়াকে পিপিআর টিকা দেওয়া হচ্ছে। উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় পর্যায়ক্রমে এ টিকাদান কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।

উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা তানভীক জাহান জানান, পিপিআর ছাগল ও ভেড়ার একটি সংক্রামক রোগ। আক্রান্ত পশুর মাধ্যমে দ্রুত অন্য পশুর মধ্যে রোগটি ছড়িয়ে পড়তে পারে। এতে পশু মারা যাওয়ার পাশাপাশি খামারি ও প্রান্তিক পশুপালকেরা আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েন। নিয়মিত টিকাদানের মাধ্যমে এ রোগের সংক্রমণ ও বিস্তার অনেকটাই নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। তাই নির্ধারিত বয়সের ছাগল ও ভেড়াকে সময়মতো টিকার আওতায় আনার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

কর্মসূচির অংশ হিসেবে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রওজাতুন জান্নাত পাটানোছা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাঠদান কার্যক্রম পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন এবং শিক্ষা কার্যক্রমের সার্বিক খোঁজখবর নেন।

পরে উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর ও ভেটেরিনারি হাসপাতাল প্রাঙ্গণে জাতীয় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি-২০২৬-এর অংশ হিসেবে ঔষধি বৃক্ষের চারা রোপণ করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রওজাতুন জান্নাত।