সোমবার, ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৭ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

লকডাউন বাস্তবায়নে গাইবান্ধায় কঠোর অবস্থানে প্রশাসন

করোনা ভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে শুরু হয়েছে এক সপ্তাহের সর্বাত্মক লকডাউন। এই লকডাউন বাস্তবায়নে কঠোর অবস্থানে রয়েছে প্রশাসন। এ সময় গাইবান্ধায় বাড়ি থেকে বের হওয়ায় মানুষদের জবাবদিহিতা নিচ্ছেলেন তারা।

বুধবার (১৪ এপ্রিল) সকাল থেকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারি বাহীনির সদস্যরা মাঠে অবস্থান করছেন। লকডাউনের সরকারি নির্দেশনা মানাতে মানুষদের জরিমানা করাসহ সচেতনতা সৃষ্টি লক্ষ্যে কাজ করছেন তারা।

এদিকে, গত বছরের তুলনায় লকডাউন মানছে না অনেকে। তবে এ বছরের প্রথম লকডাউনের চেয়ে বুধবার শুরু হওয়া লকডাউন কিছুটা কঠোর ছিল।

মহাসড়কে গণপরিবহন তেমন না থাকলেও আঞ্চলিক সড়কগুলোতে মাইক্রোবাস, সিএনজি ও ব্যাটারি চালিত অটোরিকশা চলাচল করছিল। সেটি আগের তুলনায় কম।দোকানের অর্ধেক শাটার ফেলে কেনা-বেচা করতে দেখা গেছে। হাট-বাজারগুলো চলছে যত্রতত্রভাবে। নিত্যপণ্য কিনতে আসা মানুষরা তেমন স্বাস্থ্যবিধি মানছে না।

এছাড়া শহর, হাট-বাজারে বিভিন্ন দোকানপাটে শাটারের নিচ দিয়ে মানুষের ভির লক্ষণীয়। এসময় পুলিশ কিংবা প্রশাসনের লোকজন টহলে আসলে, দোকান মালিকরা শাটার বন্ধ করে রাখে। এরপর টহল থেকে সরে যাওয়ার পরপরই দোকানের অর্ধৈক শাটার খুলে আবার কেনা-বেচা করেন ব্যবসায়ীরা।a

নাম প্রকাশ না করা শর্তে সিএনজি-অটোরিকশা চালক বলেন, পরিবারের অন্ন জোগাতে রাস্তায় গাড়ি নিয়ে বের হতে হচ্ছে।

গাইবান্ধা জেলা প্রশাসক আব্দুল মতিন বলেন, সার্বাত্নক লকডাউন বাস্তবায়নে জেলার বিভিন্ন স্থানে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও পুলিশ সদস্যরা মাঠে রয়েছেন। তারা রাস্তা থেকে মানুষকে ঘরে ফেরাতে দায়িত্ব পালন করছেন। একই সঙ্গে সরকারি নির্দেশনা অমান্যকারিদের জরিমানা করা হচ্ছে।

লকডাউন বাস্তবায়নে গাইবান্ধায় কঠোর অবস্থানে প্রশাসন

প্রকাশের সময়: ০৫:০০:০৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ এপ্রিল ২০২১

করোনা ভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে শুরু হয়েছে এক সপ্তাহের সর্বাত্মক লকডাউন। এই লকডাউন বাস্তবায়নে কঠোর অবস্থানে রয়েছে প্রশাসন। এ সময় গাইবান্ধায় বাড়ি থেকে বের হওয়ায় মানুষদের জবাবদিহিতা নিচ্ছেলেন তারা।

বুধবার (১৪ এপ্রিল) সকাল থেকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারি বাহীনির সদস্যরা মাঠে অবস্থান করছেন। লকডাউনের সরকারি নির্দেশনা মানাতে মানুষদের জরিমানা করাসহ সচেতনতা সৃষ্টি লক্ষ্যে কাজ করছেন তারা।

এদিকে, গত বছরের তুলনায় লকডাউন মানছে না অনেকে। তবে এ বছরের প্রথম লকডাউনের চেয়ে বুধবার শুরু হওয়া লকডাউন কিছুটা কঠোর ছিল।

মহাসড়কে গণপরিবহন তেমন না থাকলেও আঞ্চলিক সড়কগুলোতে মাইক্রোবাস, সিএনজি ও ব্যাটারি চালিত অটোরিকশা চলাচল করছিল। সেটি আগের তুলনায় কম।দোকানের অর্ধেক শাটার ফেলে কেনা-বেচা করতে দেখা গেছে। হাট-বাজারগুলো চলছে যত্রতত্রভাবে। নিত্যপণ্য কিনতে আসা মানুষরা তেমন স্বাস্থ্যবিধি মানছে না।

এছাড়া শহর, হাট-বাজারে বিভিন্ন দোকানপাটে শাটারের নিচ দিয়ে মানুষের ভির লক্ষণীয়। এসময় পুলিশ কিংবা প্রশাসনের লোকজন টহলে আসলে, দোকান মালিকরা শাটার বন্ধ করে রাখে। এরপর টহল থেকে সরে যাওয়ার পরপরই দোকানের অর্ধৈক শাটার খুলে আবার কেনা-বেচা করেন ব্যবসায়ীরা।a

নাম প্রকাশ না করা শর্তে সিএনজি-অটোরিকশা চালক বলেন, পরিবারের অন্ন জোগাতে রাস্তায় গাড়ি নিয়ে বের হতে হচ্ছে।

গাইবান্ধা জেলা প্রশাসক আব্দুল মতিন বলেন, সার্বাত্নক লকডাউন বাস্তবায়নে জেলার বিভিন্ন স্থানে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও পুলিশ সদস্যরা মাঠে রয়েছেন। তারা রাস্তা থেকে মানুষকে ঘরে ফেরাতে দায়িত্ব পালন করছেন। একই সঙ্গে সরকারি নির্দেশনা অমান্যকারিদের জরিমানা করা হচ্ছে।