বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৮ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বিশেষ ব্যবস্থাপনায় অব্যাহত চরাঞ্চলের ৫ হাজার শিক্ষার্থীর পাঠদান

করোনা পরিস্থিতিতে এক বছরের অধিক সময় ধরে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বন্ধ রয়েছে পাঠদান। এতে হুমকি পড়েছে শিক্ষার্থীদের লেখাপড়া। এসব শিক্ষাথীদের বিষয়টি চিন্তা করে ‘ফ্রেন্ডশিপ’ নামের একটি সংস্থার পরিচালিত স্কুলগুলোর শিক্ষার্থীদের বিশেষ ব্যবস্থাপনায় চালু রাখা হয়ে পাঠদান। এসব শিক্ষার্থীরা চরাঞ্চলের বাসিন্দা।

করোনাকালে গাইবান্ধা-কুড়িগ্রামে  সুবিধা  বঞ্চিত প্রায় ৫ হাজার  ছাত্র-ছাত্রীকে ফোন  কলের  মাধ্যমে যোগাযোগ, ছোট ছোট দলে উঠোন শিক্ষা, বাড়ি বাড়ি গিয়ে ছাত্র-ছাত্রীদের খোঁজ-খবর নেয়া। এমন উপায়ে শিক্ষাদান দেয়া হচ্ছে।

জানা যায়, গাইবান্ধা-কুড়িগ্রাম চরাঞ্চলে ফ্রেন্ডশিপের ৪৩টি প্রাথমিক  এবং  ১৭টি  মাধ্যমিক ফ্রেন্ডশিপ বিদ্যালয়ে চলছে এই পাঠদান। শিক্ষকদের পাঠদান সহজ করতে আয়োজন করা হচ্ছে অনলাইন প্রশিক্ষনের। করোনা প্রাদুর্ভাবের সময় এমন উদ্যোগ নেয়ার ফলে বিদ্যালয়  থেকে  ছাত্র-ছাত্রীদের  ঝরে  পড়া  রোধ  করা  সম্ভব  হয়েছে।  চরের শিক্ষা ব্যবস্থায় নতুন এ উদ্যোগ শুরু করা হয় ২০২০ সালের মার্চে লকডাউনকালেই। ছাত্র-ছাত্রীরা আগ্রহের সাথে অংশ নিচ্ছে উঠোন শিক্ষায়। চরের পাশাপাশি সারাদেশের শিক্ষার্থীদের জন্য কিছু উদ্যোগ আগে থেকেই চলমান ফ্রেন্ডশিপের। বাংলাদেশের সকল শিক্ষার্থীদের কথা বিবেচনা করে ফ্রেন্ডশিপের তত্বাবধানে ধারণ করা মাধ্যমিক শিক্ষার ভিডিও ক্লাসগুলো নিয়মিত আপলোড করা হচ্ছে ফ্রেন্ডশিপ এডুকেশন ইউটিউব চ্যানেলে। ইউটিউব চ্যানেলটির  লিংক সরকারী ওয়েব  সাইট কিশোর বাতায়নের সাথেও সংযুক্ত রয়েছে। দেশের  যেখানে  জীবন-জীবিকা  হুমকির  মুখে,  সে  সব প্রান্তিক এলাকার জনগোষ্ঠিকে স্বাবলম্বীকরণ  এবং স্থানীয়  জনগনের ক্ষমতায়ন  নিয়ে  কাজ  করছে  উন্নয়ন  সহযোগি  সংস্থা ‘ফ্রেন্ডশিপ’।

এ তথ্য নিশ্চিত করে ফ্রেন্ডশিপ  শিক্ষা বিভাগ প্রধান ইলিয়াস  ইফতেখার  রসুল  জানান, বিশেষ  করে  উঠোন  শিক্ষা  এবং  বাড়ি  বাড়ি  গিয়ে  খোঁজ  নেয়ার কারণে ছাত্র-ছাত্রীদের মনে ইতিবাচক মনোভাব সৃষ্টি হয়েছে। যা করোনাকালে পাঠদানকে সহজ করেছে।

ফ্রেন্ডশিপের প্রতিষ্ঠাতা নির্বাহী পরিচালক রুনা খান বলেন, করোনাকালে সুবিধা বঞ্চিত চরাঞ্চলের মানুষদের জীবনযাত্রা স্বাভাবিক রাখতে বিশেষ নজর দিয়েছে ফ্রেন্ডশিপ। তাই সংস্থার অধীনে পরিচালিত বিদ্যালয়গুলোতে পাঠদানে আনা হয়েছে নতুন মাত্রা।

 

বিশেষ ব্যবস্থাপনায় অব্যাহত চরাঞ্চলের ৫ হাজার শিক্ষার্থীর পাঠদান

প্রকাশের সময়: ০৯:৩৫:২৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ মে ২০২১

করোনা পরিস্থিতিতে এক বছরের অধিক সময় ধরে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বন্ধ রয়েছে পাঠদান। এতে হুমকি পড়েছে শিক্ষার্থীদের লেখাপড়া। এসব শিক্ষাথীদের বিষয়টি চিন্তা করে ‘ফ্রেন্ডশিপ’ নামের একটি সংস্থার পরিচালিত স্কুলগুলোর শিক্ষার্থীদের বিশেষ ব্যবস্থাপনায় চালু রাখা হয়ে পাঠদান। এসব শিক্ষার্থীরা চরাঞ্চলের বাসিন্দা।

করোনাকালে গাইবান্ধা-কুড়িগ্রামে  সুবিধা  বঞ্চিত প্রায় ৫ হাজার  ছাত্র-ছাত্রীকে ফোন  কলের  মাধ্যমে যোগাযোগ, ছোট ছোট দলে উঠোন শিক্ষা, বাড়ি বাড়ি গিয়ে ছাত্র-ছাত্রীদের খোঁজ-খবর নেয়া। এমন উপায়ে শিক্ষাদান দেয়া হচ্ছে।

জানা যায়, গাইবান্ধা-কুড়িগ্রাম চরাঞ্চলে ফ্রেন্ডশিপের ৪৩টি প্রাথমিক  এবং  ১৭টি  মাধ্যমিক ফ্রেন্ডশিপ বিদ্যালয়ে চলছে এই পাঠদান। শিক্ষকদের পাঠদান সহজ করতে আয়োজন করা হচ্ছে অনলাইন প্রশিক্ষনের। করোনা প্রাদুর্ভাবের সময় এমন উদ্যোগ নেয়ার ফলে বিদ্যালয়  থেকে  ছাত্র-ছাত্রীদের  ঝরে  পড়া  রোধ  করা  সম্ভব  হয়েছে।  চরের শিক্ষা ব্যবস্থায় নতুন এ উদ্যোগ শুরু করা হয় ২০২০ সালের মার্চে লকডাউনকালেই। ছাত্র-ছাত্রীরা আগ্রহের সাথে অংশ নিচ্ছে উঠোন শিক্ষায়। চরের পাশাপাশি সারাদেশের শিক্ষার্থীদের জন্য কিছু উদ্যোগ আগে থেকেই চলমান ফ্রেন্ডশিপের। বাংলাদেশের সকল শিক্ষার্থীদের কথা বিবেচনা করে ফ্রেন্ডশিপের তত্বাবধানে ধারণ করা মাধ্যমিক শিক্ষার ভিডিও ক্লাসগুলো নিয়মিত আপলোড করা হচ্ছে ফ্রেন্ডশিপ এডুকেশন ইউটিউব চ্যানেলে। ইউটিউব চ্যানেলটির  লিংক সরকারী ওয়েব  সাইট কিশোর বাতায়নের সাথেও সংযুক্ত রয়েছে। দেশের  যেখানে  জীবন-জীবিকা  হুমকির  মুখে,  সে  সব প্রান্তিক এলাকার জনগোষ্ঠিকে স্বাবলম্বীকরণ  এবং স্থানীয়  জনগনের ক্ষমতায়ন  নিয়ে  কাজ  করছে  উন্নয়ন  সহযোগি  সংস্থা ‘ফ্রেন্ডশিপ’।

এ তথ্য নিশ্চিত করে ফ্রেন্ডশিপ  শিক্ষা বিভাগ প্রধান ইলিয়াস  ইফতেখার  রসুল  জানান, বিশেষ  করে  উঠোন  শিক্ষা  এবং  বাড়ি  বাড়ি  গিয়ে  খোঁজ  নেয়ার কারণে ছাত্র-ছাত্রীদের মনে ইতিবাচক মনোভাব সৃষ্টি হয়েছে। যা করোনাকালে পাঠদানকে সহজ করেছে।

ফ্রেন্ডশিপের প্রতিষ্ঠাতা নির্বাহী পরিচালক রুনা খান বলেন, করোনাকালে সুবিধা বঞ্চিত চরাঞ্চলের মানুষদের জীবনযাত্রা স্বাভাবিক রাখতে বিশেষ নজর দিয়েছে ফ্রেন্ডশিপ। তাই সংস্থার অধীনে পরিচালিত বিদ্যালয়গুলোতে পাঠদানে আনা হয়েছে নতুন মাত্রা।