মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৮ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

পৌরসভায় ড্রেন নির্মাণ কাজে ধীর গতি, বাড়ছে জনদূর্ভোগ

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে দীর্ঘ দিন থেকে পৌরশহরের রাস্তার পাশেই ধীর গতিতে ড্রেন নির্মাণ কাজ চলমান থাকায় উপজেলা শহরে তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়েছে। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছে পৌরশহরে আসা লোকজন। বিশেষ করে সাপ্তাহিক হাটের দিন শনি ও বুধবার যানজট তীব্র আকার ধারণ করে।

উপজেলার বিভিন্ন স্থান থেকে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য সামগ্রী নিয়ে কৃষক ও সাধারণ মানুষ বাজারে আসেন। এছাড়া দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে উপজেলা সদরে পণ্য আসে। রাস্তায় একসাথে বড় গাড়িগুলোর আসা যাওয়া করতেও বেগ পেতে হয়। মূল সড়কে ড্রেন তৈরির কাজ ধীরগতিতে চলায় জনদুর্ভোগ চরম আঁকার ধারণ করেছে। সেই সাথে রাস্তার গা ঘেঁষে অধিকাংশ স্থান দখল করে রাখা হয়েছে মাটি। যেন স্তুপে পরিণত হয়েছে। যা অপসারণের উদ্যোগ নেই কারো। চলাচলে দেখা দিয়েছে তীব্র যানযট। এদিকে শহরের ডাস্টবিনগুলো বজ্র দিয়ে ভর্তি হওয়ার পরে এখনো তা অপসারণ করা হয়নি। এমনি শহরের রাস্তা-ঘাটগুলো ঝাড়ুদার দিয়ে পরিস্কার-পরিছন্ন করার কোন উদ্যোগ নেই । এছাড়াও, শহরে চলমান বিভিন্ন প্রকার গাড়ি যাত্রী উঠা ও নামার কারণে জনজীবন অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে। এর ফলে প্রতিদিন উপজেলার বিভিন্ন এলাকার মানুষজনের চলাফেরা চরম ঝুঁকির মধ্যে করতে হচ্ছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, ঠিকাদার ও পৌর কর্তৃপক্ষের গাফিলতির কারণে বর্তমানে যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। ধীর গতিতে কাজ করছে তারা।  শহরের প্রধান প্রধান সড়কগুলোতে ধীরে ড্রেনের কাজ করায় তীব্র যানজটের কবলে পড়েছে।

বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা পথচারী ও যানবাহন চালকরা বলেন, ড্রেনের কাজ করায় রাস্তা সরু হয়েছে অনেকটা। চলতে সমস্যা হচ্ছে খুব আমাদের হেটেও রাস্তা পাড় হওয়া যাচ্ছে না। বিশেষ করে আমিনা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে জমে গেছে কাঁদা পানি, যেন তলিয়ে গেছে রাস্তা।

স্থানীয় ব্যবসায়ীরা বলছেন, এখানে যানজট আগে ছিল না। দীর্ঘ  দিন থেকে ধীর গতিতে ড্রেন নির্মাণের চলমান থাকায় বাজারের মাঝে, বিশেষ করে সোনালী ব্যাংক, বাহির গোলা মসজিদ মোড়, কাঁঠালতলী মোড়সহ গুরুত্বপূর্ণ স্থানে অপরিকল্পিতভাবে ড্রেন নির্মাণ করছেন। ফলে রাস্তা ছোট হয়ে গেছে। এদিকে, সামনে আসছে ঈদ, কেনা- বেচা নেই, অন্য দিকে চলছে লকডাউন। এভাবে থাকলে আমরা কীভাবে ব্যবসা করবো।

এ বিষয়ে পৌর মেয়র আব্দুর রশিদ  সরকার ডাবলু’র অফিসে (পৌর ভবন) বক্তব্য নিতে গেলে, তিনি বলেন, আমি এখন একটু ব্যস্ত আছি, মিটিং করছি ফোন করে আপনাদের ডেকে নিব।

পৌরসভায় ড্রেন নির্মাণ কাজে ধীর গতি, বাড়ছে জনদূর্ভোগ

প্রকাশের সময়: ০৮:১৪:৪৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ মে ২০২১

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে দীর্ঘ দিন থেকে পৌরশহরের রাস্তার পাশেই ধীর গতিতে ড্রেন নির্মাণ কাজ চলমান থাকায় উপজেলা শহরে তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়েছে। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছে পৌরশহরে আসা লোকজন। বিশেষ করে সাপ্তাহিক হাটের দিন শনি ও বুধবার যানজট তীব্র আকার ধারণ করে।

উপজেলার বিভিন্ন স্থান থেকে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য সামগ্রী নিয়ে কৃষক ও সাধারণ মানুষ বাজারে আসেন। এছাড়া দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে উপজেলা সদরে পণ্য আসে। রাস্তায় একসাথে বড় গাড়িগুলোর আসা যাওয়া করতেও বেগ পেতে হয়। মূল সড়কে ড্রেন তৈরির কাজ ধীরগতিতে চলায় জনদুর্ভোগ চরম আঁকার ধারণ করেছে। সেই সাথে রাস্তার গা ঘেঁষে অধিকাংশ স্থান দখল করে রাখা হয়েছে মাটি। যেন স্তুপে পরিণত হয়েছে। যা অপসারণের উদ্যোগ নেই কারো। চলাচলে দেখা দিয়েছে তীব্র যানযট। এদিকে শহরের ডাস্টবিনগুলো বজ্র দিয়ে ভর্তি হওয়ার পরে এখনো তা অপসারণ করা হয়নি। এমনি শহরের রাস্তা-ঘাটগুলো ঝাড়ুদার দিয়ে পরিস্কার-পরিছন্ন করার কোন উদ্যোগ নেই । এছাড়াও, শহরে চলমান বিভিন্ন প্রকার গাড়ি যাত্রী উঠা ও নামার কারণে জনজীবন অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে। এর ফলে প্রতিদিন উপজেলার বিভিন্ন এলাকার মানুষজনের চলাফেরা চরম ঝুঁকির মধ্যে করতে হচ্ছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, ঠিকাদার ও পৌর কর্তৃপক্ষের গাফিলতির কারণে বর্তমানে যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। ধীর গতিতে কাজ করছে তারা।  শহরের প্রধান প্রধান সড়কগুলোতে ধীরে ড্রেনের কাজ করায় তীব্র যানজটের কবলে পড়েছে।

বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা পথচারী ও যানবাহন চালকরা বলেন, ড্রেনের কাজ করায় রাস্তা সরু হয়েছে অনেকটা। চলতে সমস্যা হচ্ছে খুব আমাদের হেটেও রাস্তা পাড় হওয়া যাচ্ছে না। বিশেষ করে আমিনা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে জমে গেছে কাঁদা পানি, যেন তলিয়ে গেছে রাস্তা।

স্থানীয় ব্যবসায়ীরা বলছেন, এখানে যানজট আগে ছিল না। দীর্ঘ  দিন থেকে ধীর গতিতে ড্রেন নির্মাণের চলমান থাকায় বাজারের মাঝে, বিশেষ করে সোনালী ব্যাংক, বাহির গোলা মসজিদ মোড়, কাঁঠালতলী মোড়সহ গুরুত্বপূর্ণ স্থানে অপরিকল্পিতভাবে ড্রেন নির্মাণ করছেন। ফলে রাস্তা ছোট হয়ে গেছে। এদিকে, সামনে আসছে ঈদ, কেনা- বেচা নেই, অন্য দিকে চলছে লকডাউন। এভাবে থাকলে আমরা কীভাবে ব্যবসা করবো।

এ বিষয়ে পৌর মেয়র আব্দুর রশিদ  সরকার ডাবলু’র অফিসে (পৌর ভবন) বক্তব্য নিতে গেলে, তিনি বলেন, আমি এখন একটু ব্যস্ত আছি, মিটিং করছি ফোন করে আপনাদের ডেকে নিব।