মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৮ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

গরীবের জন্য সব সুযোগ কাজে লাগে না!

দরিদ্র ঘরে জন্ম নিয়েছি। পিতার কষ্টে উপার্জনের টাকায় লেখাপড়া করছি।শিক্ষা জীবনে দরিদ্রাতার কাছে হার না মেনে এইচএসসিতে জিপিএ-৫ পেয়ে পাশ করেছি। এরই মধ্যে ভর্তির সুযোগ হয়েছে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজে। কিন্ত অর্থাভাবে ভর্তি হওয়া অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। আসলে গরীবের জন্য সব সুযোগ কাজে লাগে না।

মঙ্গলবার (৪ এপ্রিল) অতি আক্ষেপের সঙ্গে এমনিভাবে কথা বলছিলেন গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার ইদিলপুর ইউনিয়নের রুপনাথপুর গ্রামের কমল চন্দ্রের মেধাবী ছেলে গোবিন্দ চন্দ্র।

জানা যায়, কমল চন্দ্র পেশায় একজন জেলে। খাল-বিলে মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ তার। অতিকষ্টে স্ত্রী-সন্তান নিয়ে সংসার চালাতে হচ্ছে কমলকে। তবে এ কষ্ট থেকে রেহাই পেতে ছেলে গোবিন্দকে নিয়ে স্বপ্ন দেখেন। দরিদ্রদের কষাঘাতে জর্জরিত জেলে কমল চন্দ্রের জীর্ণ কুটিরে জন্ম নেয়া ছেলে গোবিন্দ চন্দ্র এলাকায় অত্যন্ত মেধাবী ছাত্র হিসাবেই পরিচিত। সে স্থানীয় মাদারহাট উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি ও পলাশবাড়ী সরকারি কলেজ থেকে এইচএসসি জিপিএ- ৫ পেয়ে পাশ করে। এরপর চলতি বছর গোবিন্দ চন্দ্র মেডিকেল কলেজে ভর্তির জন্য আবেদন করে। তাকে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজে ভর্তির জন্য সুপারিশ করে। ভর্তির আর মাত্র কয়েক দিন বাকী থাকলেও ভর্তি ও আনুষঙ্গিক খরচের টাকা জোগাড় করতে পারেনি তার পরিবার। ফলে অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে মেডিকেলে ভর্তি।

এ বিষয়ে কমল চন্দ্র অনেকটা অভিমান করে বলেন, ছেলেকে মেডিকেল কলেজ কীভাবে পড়াবো। এত খরচ কোথায় পাবো। ছিড়ে কাঁথায় শুয়ে লক্ষ টাকার স্বপ্ন। মেডিকেল কলেজ ছেলেকে পড়ানো সাধ থাকলেও, তা তার সাধ্যের বাহিরে।

গরীবের জন্য সব সুযোগ কাজে লাগে না!

প্রকাশের সময়: ০৬:৪৬:০৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ মে ২০২১

দরিদ্র ঘরে জন্ম নিয়েছি। পিতার কষ্টে উপার্জনের টাকায় লেখাপড়া করছি।শিক্ষা জীবনে দরিদ্রাতার কাছে হার না মেনে এইচএসসিতে জিপিএ-৫ পেয়ে পাশ করেছি। এরই মধ্যে ভর্তির সুযোগ হয়েছে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজে। কিন্ত অর্থাভাবে ভর্তি হওয়া অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। আসলে গরীবের জন্য সব সুযোগ কাজে লাগে না।

মঙ্গলবার (৪ এপ্রিল) অতি আক্ষেপের সঙ্গে এমনিভাবে কথা বলছিলেন গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার ইদিলপুর ইউনিয়নের রুপনাথপুর গ্রামের কমল চন্দ্রের মেধাবী ছেলে গোবিন্দ চন্দ্র।

জানা যায়, কমল চন্দ্র পেশায় একজন জেলে। খাল-বিলে মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ তার। অতিকষ্টে স্ত্রী-সন্তান নিয়ে সংসার চালাতে হচ্ছে কমলকে। তবে এ কষ্ট থেকে রেহাই পেতে ছেলে গোবিন্দকে নিয়ে স্বপ্ন দেখেন। দরিদ্রদের কষাঘাতে জর্জরিত জেলে কমল চন্দ্রের জীর্ণ কুটিরে জন্ম নেয়া ছেলে গোবিন্দ চন্দ্র এলাকায় অত্যন্ত মেধাবী ছাত্র হিসাবেই পরিচিত। সে স্থানীয় মাদারহাট উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি ও পলাশবাড়ী সরকারি কলেজ থেকে এইচএসসি জিপিএ- ৫ পেয়ে পাশ করে। এরপর চলতি বছর গোবিন্দ চন্দ্র মেডিকেল কলেজে ভর্তির জন্য আবেদন করে। তাকে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজে ভর্তির জন্য সুপারিশ করে। ভর্তির আর মাত্র কয়েক দিন বাকী থাকলেও ভর্তি ও আনুষঙ্গিক খরচের টাকা জোগাড় করতে পারেনি তার পরিবার। ফলে অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে মেডিকেলে ভর্তি।

এ বিষয়ে কমল চন্দ্র অনেকটা অভিমান করে বলেন, ছেলেকে মেডিকেল কলেজ কীভাবে পড়াবো। এত খরচ কোথায় পাবো। ছিড়ে কাঁথায় শুয়ে লক্ষ টাকার স্বপ্ন। মেডিকেল কলেজ ছেলেকে পড়ানো সাধ থাকলেও, তা তার সাধ্যের বাহিরে।