বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সাদুল্লাপুরে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন, হুমকির মুখে কৃষি জমি ও ঘরবাড়ি

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার ঘাঘট নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। এর ফলে নদী ভাঙনসহ কৃষি জমি ও ঘরবাড়ি বিলীন হওয়ার আশঙ্কা করছে ভুক্তভোগি মানুষেরা। এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হলেও, প্রশাসনের পক্ষ থেকে কার্যকারি পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি বলে তাদের অভিযোগ।

সরেজমিনে শনিবার (৫ জুন) দুপুরে উপজেলার দামোদরপুর ইউনিয়নের মধ্য ভাঙ্গামোড় এলাকার ঘাঘট নদী থেকে অবাধে বালু উত্তোলনের চিত্র দেখা গেছে।

জানা যায়, দামোদরপুর ইউনিয়নের দামোদরপুর (বুড়িরভিটা) গ্রামের বালু খেকো মন্টু মিয়া তার ড্রেজার মেশিন মধ্যভাঙ্গামোড় ঘাঘট নদীতে বসিয়ে নির্বিকারে বালু উত্তোলন করে আসছে। এ নদী থেকে প্রায় এক কিলোমিটার পাইপ টেনে স্থানীয় শহিদুজ্জামানের ছেলে সবুজ মিয়ার বাড়ির খাল ভরাট করা হচ্ছে। মোটা অংকের চুক্তির মাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে বালু উত্তোলন বানিজ্য করে চলছেন মন্টু মিয়া। ওইস্থানে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের কারণে নদীর পানি প্রবাহ কমে যাওয়াসহ বিভিন্ন স্থানে ভাঙন সৃষ্টি হচ্ছে। একই সঙ্গে কৃষি জমি ও বসতভিটাও পড়েছে হুমকির মুখে। পাশপাশি মেশিনের বিকট শব্দে অতিষ্ঠ হয়ে পড়ছে আশপাশের মানুষেরা।

এলাকাবাসী জানায়, এই বালু বানিজ্য শুধু মধ্য ভাঙ্গামোড় এলাকায় নয়। অসাধু বালু ব্যবসায়ীরা স্থানীয় ক্ষমতাসীন ব্যক্তি ও প্রশাসনকে ম্যানেজ করে একাধিক প্রভাবশালী চক্র উপজেলার বেশ কিছু স্থানে বালু উত্তোলনের মহোৎসব চালাচ্ছে বলে একাধিক ভুক্তভোগির অভিযোগ। এছাড়াও দামোদরপুরের পাটনীপাড়া নামকস্থানে বালু তোলার প্রস্তুতি নিচ্ছে ফুলমিয়া নামের এক বালুদস্যু।

মধ্য ভাঙ্গামোড় স্থানের বালু ব্যবসায়ী মন্টু মিয়া জানান, বিভিন্ন জায়গা দোয়া-তাবিজ ও তদবির করে ড্রেজার মেশিন দিয়ে এইসব বালু নদী থেকে তোলা হচ্ছে।

এ বিষয়ে দামোদরপুর ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) চেয়ারম্যান এজেডএম সাজেদুল ইসলাম স্বাধীনের  সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোনটি রিসিভ করেন নি।

সাদুল্লাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাসুদ রানা মুঠোফোনে বলেন, মধ্য ভাঙ্গামোড় এলাকায় বালু উত্তোলন হচ্ছে, এ নিয়ে কেউ কোনো অভিযোগ করেনি।

সাদুল্লাপুরে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন, হুমকির মুখে কৃষি জমি ও ঘরবাড়ি

প্রকাশের সময়: ০৭:১৫:৪৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ জুন ২০২১

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার ঘাঘট নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। এর ফলে নদী ভাঙনসহ কৃষি জমি ও ঘরবাড়ি বিলীন হওয়ার আশঙ্কা করছে ভুক্তভোগি মানুষেরা। এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হলেও, প্রশাসনের পক্ষ থেকে কার্যকারি পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি বলে তাদের অভিযোগ।

সরেজমিনে শনিবার (৫ জুন) দুপুরে উপজেলার দামোদরপুর ইউনিয়নের মধ্য ভাঙ্গামোড় এলাকার ঘাঘট নদী থেকে অবাধে বালু উত্তোলনের চিত্র দেখা গেছে।

জানা যায়, দামোদরপুর ইউনিয়নের দামোদরপুর (বুড়িরভিটা) গ্রামের বালু খেকো মন্টু মিয়া তার ড্রেজার মেশিন মধ্যভাঙ্গামোড় ঘাঘট নদীতে বসিয়ে নির্বিকারে বালু উত্তোলন করে আসছে। এ নদী থেকে প্রায় এক কিলোমিটার পাইপ টেনে স্থানীয় শহিদুজ্জামানের ছেলে সবুজ মিয়ার বাড়ির খাল ভরাট করা হচ্ছে। মোটা অংকের চুক্তির মাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে বালু উত্তোলন বানিজ্য করে চলছেন মন্টু মিয়া। ওইস্থানে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের কারণে নদীর পানি প্রবাহ কমে যাওয়াসহ বিভিন্ন স্থানে ভাঙন সৃষ্টি হচ্ছে। একই সঙ্গে কৃষি জমি ও বসতভিটাও পড়েছে হুমকির মুখে। পাশপাশি মেশিনের বিকট শব্দে অতিষ্ঠ হয়ে পড়ছে আশপাশের মানুষেরা।

এলাকাবাসী জানায়, এই বালু বানিজ্য শুধু মধ্য ভাঙ্গামোড় এলাকায় নয়। অসাধু বালু ব্যবসায়ীরা স্থানীয় ক্ষমতাসীন ব্যক্তি ও প্রশাসনকে ম্যানেজ করে একাধিক প্রভাবশালী চক্র উপজেলার বেশ কিছু স্থানে বালু উত্তোলনের মহোৎসব চালাচ্ছে বলে একাধিক ভুক্তভোগির অভিযোগ। এছাড়াও দামোদরপুরের পাটনীপাড়া নামকস্থানে বালু তোলার প্রস্তুতি নিচ্ছে ফুলমিয়া নামের এক বালুদস্যু।

মধ্য ভাঙ্গামোড় স্থানের বালু ব্যবসায়ী মন্টু মিয়া জানান, বিভিন্ন জায়গা দোয়া-তাবিজ ও তদবির করে ড্রেজার মেশিন দিয়ে এইসব বালু নদী থেকে তোলা হচ্ছে।

এ বিষয়ে দামোদরপুর ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) চেয়ারম্যান এজেডএম সাজেদুল ইসলাম স্বাধীনের  সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোনটি রিসিভ করেন নি।

সাদুল্লাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাসুদ রানা মুঠোফোনে বলেন, মধ্য ভাঙ্গামোড় এলাকায় বালু উত্তোলন হচ্ছে, এ নিয়ে কেউ কোনো অভিযোগ করেনি।