বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সাদুল্লাপুরে গৃহহীন ২০০ পরিবার পাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রীর দেয়া ঘর

মুজিব বর্ষে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ উপহার হিসেবে দ্বিতীয় দফায় গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার ভূমিহীন-গৃহহীন ২০০ পরিবার পাচ্ছেন নতুন ঘর।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে আগামীকাল রোববার নতুন ঘরগুলো উদ্বোধন করবেন। এর পরই নতুন ঘড়ে উঠবেন হতদরিদ্র পরিবারগুলো। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের আশ্রয়ন-২ প্রকল্পের অর্থায়নে ঘরগুলো নির্মাণে ব্যায় হয়েছে ৩ কোটি ৮০ লাখ টাকা। এর আগে একই প্রকল্পের অর্থায়নে নির্মাণ করা ১৭৯ টি নতুন ঘরে বসবাস শুরু করেছেন হতদরিদ্র ১৭৯ পরিবার। এই নতুন ঘর পেয়ে হতদরিদ্র পরিবারগুলোতে আনন্দের বন্যা বইছে। ইতোমধ্যে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের পরিচালক এ.কে.এম মনিরুজ্জামান ঘড়গুলো পরিদর্শন করে গেছেন।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে জানা গেছে মুজিব বর্ষে ভূমিহীন-গৃহহীন পরিবারের জন্য ঘর নির্মাণের নির্দেশনা মোতাবেক ঘরগুলো তৈরী করা হয়েছে। বঙ্গবন্ধুর জন্মশত বার্ষিকীতে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ উপহার হিসেবে হতদরিদ্র পরিবারগুলো এই ঘর পাচ্ছেন। সেমিপাকা ঘরগুলো বারান্দাসহ দুই রুম বিশিষ্ঠ। এর সঙ্গে থাকবে রান্নাঘর ও একটি বাথরুম। দ্বিতীয় দফায় বরাদ্দ পাওয়া প্রতিটি ঘর নির্মাণে ব্যায় হয়েছে ১ লক্ষ ৯০ হাজার টাকা। এ নিয়ে দুই দফায় এই উপজেলায় ৩৭৯ টি ঘর নির্মাণ করা হয়েছে।

উপজেলার জামালপুর ইউনিয়নের বড় জামালপুর গ্রামের জেলেখা বেওয়া জাগো২৪.নেট-কে বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপর হিসেবে আমাকে একটি পাকা ঘর তৈরী করে দেওয়া হয়েছে। এটি আমার জীবনের শ্রেষ্ট উপহার। আমি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্য দোয়া করি, আল্লাহ যেন তাকে দীর্ঘজীবি করেন।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. নবীনেওয়াজ জাগো২৪.নেট-কে জানান যাচাই-বাছাই করে ভূমিহীন ভিক্ষুক, প্রতিবন্ধি, বিধবা ও স্বামী পরিত্যাক্তাসহ ‘ক’ শ্রেণীর সুবিধাভোগী নির্বাচন করা হয়েছে। এর পর তাদের অনেককে খাসজমি বন্ধবস্ত দেওয়া হয়। আবার স্থানীয় অনেকে অসহায় এসব পরিবারকে জমিদান করেছেন। সেখানেই ঘর নির্মাণ সম্পন্ন হয়েছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আগামীকাল রোববার ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ঘরগুলো উদ্বোধন করবেন। একই সঙ্গে পরিবারগুলোর মাঝে জমি সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় দলিলপত্র হস্তান্তর করা হবে।

তিনি আরও বলেন, বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়তে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উপহার পেয়ে হতদরিদ্র পরিবারগুলোতে আনন্দের বন্যা বইছে। তারা প্রধানমন্ত্রীর জন্য দোয়া করছেন।

 

সাদুল্লাপুরে গৃহহীন ২০০ পরিবার পাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রীর দেয়া ঘর

প্রকাশের সময়: ০১:৫৬:২২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ জুন ২০২১

মুজিব বর্ষে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ উপহার হিসেবে দ্বিতীয় দফায় গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার ভূমিহীন-গৃহহীন ২০০ পরিবার পাচ্ছেন নতুন ঘর।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে আগামীকাল রোববার নতুন ঘরগুলো উদ্বোধন করবেন। এর পরই নতুন ঘড়ে উঠবেন হতদরিদ্র পরিবারগুলো। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের আশ্রয়ন-২ প্রকল্পের অর্থায়নে ঘরগুলো নির্মাণে ব্যায় হয়েছে ৩ কোটি ৮০ লাখ টাকা। এর আগে একই প্রকল্পের অর্থায়নে নির্মাণ করা ১৭৯ টি নতুন ঘরে বসবাস শুরু করেছেন হতদরিদ্র ১৭৯ পরিবার। এই নতুন ঘর পেয়ে হতদরিদ্র পরিবারগুলোতে আনন্দের বন্যা বইছে। ইতোমধ্যে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের পরিচালক এ.কে.এম মনিরুজ্জামান ঘড়গুলো পরিদর্শন করে গেছেন।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে জানা গেছে মুজিব বর্ষে ভূমিহীন-গৃহহীন পরিবারের জন্য ঘর নির্মাণের নির্দেশনা মোতাবেক ঘরগুলো তৈরী করা হয়েছে। বঙ্গবন্ধুর জন্মশত বার্ষিকীতে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ উপহার হিসেবে হতদরিদ্র পরিবারগুলো এই ঘর পাচ্ছেন। সেমিপাকা ঘরগুলো বারান্দাসহ দুই রুম বিশিষ্ঠ। এর সঙ্গে থাকবে রান্নাঘর ও একটি বাথরুম। দ্বিতীয় দফায় বরাদ্দ পাওয়া প্রতিটি ঘর নির্মাণে ব্যায় হয়েছে ১ লক্ষ ৯০ হাজার টাকা। এ নিয়ে দুই দফায় এই উপজেলায় ৩৭৯ টি ঘর নির্মাণ করা হয়েছে।

উপজেলার জামালপুর ইউনিয়নের বড় জামালপুর গ্রামের জেলেখা বেওয়া জাগো২৪.নেট-কে বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপর হিসেবে আমাকে একটি পাকা ঘর তৈরী করে দেওয়া হয়েছে। এটি আমার জীবনের শ্রেষ্ট উপহার। আমি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্য দোয়া করি, আল্লাহ যেন তাকে দীর্ঘজীবি করেন।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. নবীনেওয়াজ জাগো২৪.নেট-কে জানান যাচাই-বাছাই করে ভূমিহীন ভিক্ষুক, প্রতিবন্ধি, বিধবা ও স্বামী পরিত্যাক্তাসহ ‘ক’ শ্রেণীর সুবিধাভোগী নির্বাচন করা হয়েছে। এর পর তাদের অনেককে খাসজমি বন্ধবস্ত দেওয়া হয়। আবার স্থানীয় অনেকে অসহায় এসব পরিবারকে জমিদান করেছেন। সেখানেই ঘর নির্মাণ সম্পন্ন হয়েছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আগামীকাল রোববার ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ঘরগুলো উদ্বোধন করবেন। একই সঙ্গে পরিবারগুলোর মাঝে জমি সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় দলিলপত্র হস্তান্তর করা হবে।

তিনি আরও বলেন, বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়তে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উপহার পেয়ে হতদরিদ্র পরিবারগুলোতে আনন্দের বন্যা বইছে। তারা প্রধানমন্ত্রীর জন্য দোয়া করছেন।