বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

দাফনের ১৮ দিন পর সাদুল্লাপুরে রিকশা চালকের মরদেহ কবর থেকে উত্তোলন

দাফনের ১৮ দিন পর গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার রিকশা চালক ছকু মিয়ার মরদেহ কবর থেকে উত্তোলন করা হয়েছে।

সোমবার (২১ জুন) দুপুরে আদালতের নির্দেশে সাদুল্লাপুর উপজেলার দামোদরপুর ইউনিয়নের পূর্ব দামোদরপুর গ্রাম থেকে মরদেহটি উত্তোলন করা হয়।

এ সময় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট লোকমান হোসেনসহ সাদুল্লাপুর থানার পুলিশ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে গত ১৬ জুন নির্যাতনে ছকু মিয়ার মৃত্যুর অভিযোগে তার ছেলে মোজাম্মেল হক আদালতে মামলা করেন। আদালতের বিচারক শবনম মুস্তারী সাদুল্লাপুর থানাকে মামলা রেকর্ডভুক্ত করে মরদেহ উত্তোলনসহ প্রতিবেদন জমা দেয়ার নির্দেশ দেন।

এজাহারে বলা হয়, সাদুল্লাপুর উপজেলার পূর্ব দামোদরপুর গ্রামের আলমগীর মিয়া  ও মন্টু মিয়া গংদের দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। রিকশা চালক ছকুর ছেলের সঙ্গে মন্টু মিয়ার মেয়ের প্রেমের সম্পর্ক নিয়ে সেই বিরোধ আরও বেড়ে যায়।

এ নিয়ে গত ১৫ মে সন্ধ্যা ৭ টার দিকে ছকু মিয়ার বাড়িতে গিয়ে মন্টু মিয়া গংরা ছকুকে মারধর করে। এরপর ছেলের প্রেমের খেসারত  হিসেবে স্থানীয় শালিশে ছকু মিয়াকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। সেই টাকার যোগান দিতে গিয়ে ভিটেমাটি ছাড়া হয়ে ছকু মিয়া আশ্রয় নেন গাজীপুরে ছেলের বাসার। সেখানে হাসপাতালের ব্যবস্থাপত্র অনুযায়ী চিকিৎসা নেয়ার সময় ৩ জুন মৃত্যু হয় তার। এ নিয়ে আলমগীর মিয়াদের আসামি করে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়।

মামলার বাদী ছকু মিয়ার ছেলে মোজাম্মেল হক বলেন, মন্টু মিয়া গংদের নির্যাতনের শিকার হয়ে আমার বাবা ছকু মিয়া মারা গেছে। আমাকে ঘরে তালা দিয়ে বাবার লাশ কবর দেয় ওরা। এখন আমাকে ও আমার এতিম বোনকে ওরা বাড়ি থেকে বের করে দিছে। আমি ওদের বিচার চাই।

সাদুল্লাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাসুদ রানা বলেন,  আদালতের নির্দেশে মরদেহ উত্তোলন করা হয়েছে। মরদেহ রংপুর মেডিকেল কলেজ (রমেক) হাসপাতালে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হবে।

 

দাফনের ১৮ দিন পর সাদুল্লাপুরে রিকশা চালকের মরদেহ কবর থেকে উত্তোলন

প্রকাশের সময়: ০৫:২১:৩৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ জুন ২০২১

দাফনের ১৮ দিন পর গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার রিকশা চালক ছকু মিয়ার মরদেহ কবর থেকে উত্তোলন করা হয়েছে।

সোমবার (২১ জুন) দুপুরে আদালতের নির্দেশে সাদুল্লাপুর উপজেলার দামোদরপুর ইউনিয়নের পূর্ব দামোদরপুর গ্রাম থেকে মরদেহটি উত্তোলন করা হয়।

এ সময় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট লোকমান হোসেনসহ সাদুল্লাপুর থানার পুলিশ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে গত ১৬ জুন নির্যাতনে ছকু মিয়ার মৃত্যুর অভিযোগে তার ছেলে মোজাম্মেল হক আদালতে মামলা করেন। আদালতের বিচারক শবনম মুস্তারী সাদুল্লাপুর থানাকে মামলা রেকর্ডভুক্ত করে মরদেহ উত্তোলনসহ প্রতিবেদন জমা দেয়ার নির্দেশ দেন।

এজাহারে বলা হয়, সাদুল্লাপুর উপজেলার পূর্ব দামোদরপুর গ্রামের আলমগীর মিয়া  ও মন্টু মিয়া গংদের দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। রিকশা চালক ছকুর ছেলের সঙ্গে মন্টু মিয়ার মেয়ের প্রেমের সম্পর্ক নিয়ে সেই বিরোধ আরও বেড়ে যায়।

এ নিয়ে গত ১৫ মে সন্ধ্যা ৭ টার দিকে ছকু মিয়ার বাড়িতে গিয়ে মন্টু মিয়া গংরা ছকুকে মারধর করে। এরপর ছেলের প্রেমের খেসারত  হিসেবে স্থানীয় শালিশে ছকু মিয়াকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। সেই টাকার যোগান দিতে গিয়ে ভিটেমাটি ছাড়া হয়ে ছকু মিয়া আশ্রয় নেন গাজীপুরে ছেলের বাসার। সেখানে হাসপাতালের ব্যবস্থাপত্র অনুযায়ী চিকিৎসা নেয়ার সময় ৩ জুন মৃত্যু হয় তার। এ নিয়ে আলমগীর মিয়াদের আসামি করে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়।

মামলার বাদী ছকু মিয়ার ছেলে মোজাম্মেল হক বলেন, মন্টু মিয়া গংদের নির্যাতনের শিকার হয়ে আমার বাবা ছকু মিয়া মারা গেছে। আমাকে ঘরে তালা দিয়ে বাবার লাশ কবর দেয় ওরা। এখন আমাকে ও আমার এতিম বোনকে ওরা বাড়ি থেকে বের করে দিছে। আমি ওদের বিচার চাই।

সাদুল্লাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাসুদ রানা বলেন,  আদালতের নির্দেশে মরদেহ উত্তোলন করা হয়েছে। মরদেহ রংপুর মেডিকেল কলেজ (রমেক) হাসপাতালে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হবে।