বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ইজিবাইক থ্রীহুইলার ব্যাটারী চালিত রিক্সা বন্ধ করে দেয়ার সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

ইজিবাইক থ্রীহুইলার ব্যাটারী চালিত রিক্সা বন্ধ করে দেয়ার সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে গতকাল চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেছে চট্টগ্রাম ইজিবাইক ও থ্রীহুইলার অটো রিক্সা মালিক চালক সংগ্রাম পরিষদ। লিখিত বক্তব্যে সংগঠনের সভাপতি নূর মোহাম্মদ চৌধুরী জানান, ইজিবাইক থ্রীহুইলার ব্যাটারী চালিত রিক্সা নিয়ন্ত্রণের সরকারি সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়েছেন। তিনি আরো জানান এ রিকশা বন্ধ হলে প্রায় ৫০ লাখ পরিবারের প্রধান মানুষটি বেকার হয়ে যাবে। অর্ধাহারে অনাহারে দিন কাটাতে হবে ঐ সব অসহায় দারিদ্র্যসীমার নিচে বসবাস করে মানুষগুলোকে।

তিনি বলেন, গত দেড় বছরে করোনাভাইরাস মহামারি ও টানা লকডাউনে ক্ষতিগ্রস্থ নানা পেশার শ্রমিক এবং কর্মহীন, বেকার ও ছাঁটাই হওয়া শ্রমিকের পাশে সরকার ও মালিক শ্রেণীর কেহই দাঁড়ায়নি। করোনা মহামারিতে দেশের ৫০ ভাগের উপরে মানুষ যখন দারিদ্রসীমার নিচে চলে গেছে, সেই সময়ে আত্মকর্মসংস্থানের মাধ্যমে কর্মরত ২ লাখ পরিবার জড়িত। সেই সমস্ত পরিবারের চালককে বেকার ও কর্মহীন করার চক্রান্ত চলছে বলে মন্তব্য করেন

তিনি জানান, তারা গত ৮ বছর ধরে নকশা আধুনিকায়ন ও নীতিমালা প্রনয়ণ করে ব্যাটারিচালিত রিকশা ও ইজিবাইকসহ যান্ত্রিক যানবাহনের লাইসেন্স প্রদানসহ তিন দফা দাবিতে আন্দোলন করে আসছে। মোটা চাকা ব্যাটারি চারিত রিকশা নিরাপত্তা বিধায় বন্ধ না করা, অন্য কোন কর্মসংস্থান না করা এ পর্যন্ত গাড়ী গুলো বন্ধ করা যেন না হয়, বন্ধ করা গাড়ীগুলো নতুন করে চালু না করা পর্যন্ত আন্দোলন সংগ্রাম চালিয়ে যাবে এবং অব্যাহত থাকবে। তিনি আরো জানান, যখন মোটা ব্যাটারি চারিত রিকশা বিক্রি হলো, যন্ত্রাংশ আমদানি করা হলো তখন সরকার কোনো ব্যাবস্থা না নিয়ে এখন দরিদ্র মানুষের রুটি-রুজি ইনকাম বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে।” তারা অবিলম্বে বুয়েট প্রস্তাবিত রিকশাবডি, গতি নিয়ন্ত্রক, উন্নত ব্রেকসহ ব্যাটারিচালিত রিকশা রাস্তায় চলতে দেয়ার কঠোর দাবি জানান। লাখ লাখ রিকশা চালক চড়া সুদে ঋণ নিয়ে অথবা সম্পত্তি বিক্রি-বন্ধক রেখে ব্যাটারি রিকশা কিনে ইনকামের রাস্তা তৈরি করেছে। এই রিকশা শ্রমিকদের অমানবিক শ্রমলাঘব করেছে। উপরন্তু গণপরিবহন হিসেবে এখনও দেশের শহর কিংবা গ্রামে রিকশা অপরিহার্য। এ অবস্থায় কোনো যুক্তিতেই সরকার গরিব ব্যাটারি রিকশা চালকদের সর্বশান্ত করে পথে বসিয়ে দিতে পারে না।

মোটা চাকার ব্যাটারি চালিত রিকশা বন্ধের প্রতিবাদে এবং বুয়েট প্রস্তাবিত রিকশাবডি, গতি নিয়ন্ত্রক, উন্নত ব্রেকসহ ব্যাটারি চালিত রিকশা রাস্তায় চলতে দেয়ার জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রির নিকট জোরালো ‌দাবি জানাচ্ছি। এ সময় উপস্থিত ছিলেন জাতীয়
শ্রমিক লীগের চট্টগ্রাম মহানগর সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার নুরুল ইসলাম, চট্টগ্রাম ইজিবাইক ও থ্রীহুইলার অটো রিক্সা মালিক চালক সংগ্রাম পরিষদ’র কার্যকরী সভাপতি এস এম মুহিব উল্লাহ, পরিষদের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ রাশেদ সোলেমান, সফিউল আজম চৌধুরী বাহার, রিয়াজ, মনির হোসেন, ছিদ্দিক মিয়া সহ প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।

ইজিবাইক থ্রীহুইলার ব্যাটারী চালিত রিক্সা বন্ধ করে দেয়ার সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

প্রকাশের সময়: ০৬:১৮:৫৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ জুন ২০২১

ইজিবাইক থ্রীহুইলার ব্যাটারী চালিত রিক্সা বন্ধ করে দেয়ার সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে গতকাল চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেছে চট্টগ্রাম ইজিবাইক ও থ্রীহুইলার অটো রিক্সা মালিক চালক সংগ্রাম পরিষদ। লিখিত বক্তব্যে সংগঠনের সভাপতি নূর মোহাম্মদ চৌধুরী জানান, ইজিবাইক থ্রীহুইলার ব্যাটারী চালিত রিক্সা নিয়ন্ত্রণের সরকারি সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়েছেন। তিনি আরো জানান এ রিকশা বন্ধ হলে প্রায় ৫০ লাখ পরিবারের প্রধান মানুষটি বেকার হয়ে যাবে। অর্ধাহারে অনাহারে দিন কাটাতে হবে ঐ সব অসহায় দারিদ্র্যসীমার নিচে বসবাস করে মানুষগুলোকে।

তিনি বলেন, গত দেড় বছরে করোনাভাইরাস মহামারি ও টানা লকডাউনে ক্ষতিগ্রস্থ নানা পেশার শ্রমিক এবং কর্মহীন, বেকার ও ছাঁটাই হওয়া শ্রমিকের পাশে সরকার ও মালিক শ্রেণীর কেহই দাঁড়ায়নি। করোনা মহামারিতে দেশের ৫০ ভাগের উপরে মানুষ যখন দারিদ্রসীমার নিচে চলে গেছে, সেই সময়ে আত্মকর্মসংস্থানের মাধ্যমে কর্মরত ২ লাখ পরিবার জড়িত। সেই সমস্ত পরিবারের চালককে বেকার ও কর্মহীন করার চক্রান্ত চলছে বলে মন্তব্য করেন

তিনি জানান, তারা গত ৮ বছর ধরে নকশা আধুনিকায়ন ও নীতিমালা প্রনয়ণ করে ব্যাটারিচালিত রিকশা ও ইজিবাইকসহ যান্ত্রিক যানবাহনের লাইসেন্স প্রদানসহ তিন দফা দাবিতে আন্দোলন করে আসছে। মোটা চাকা ব্যাটারি চারিত রিকশা নিরাপত্তা বিধায় বন্ধ না করা, অন্য কোন কর্মসংস্থান না করা এ পর্যন্ত গাড়ী গুলো বন্ধ করা যেন না হয়, বন্ধ করা গাড়ীগুলো নতুন করে চালু না করা পর্যন্ত আন্দোলন সংগ্রাম চালিয়ে যাবে এবং অব্যাহত থাকবে। তিনি আরো জানান, যখন মোটা ব্যাটারি চারিত রিকশা বিক্রি হলো, যন্ত্রাংশ আমদানি করা হলো তখন সরকার কোনো ব্যাবস্থা না নিয়ে এখন দরিদ্র মানুষের রুটি-রুজি ইনকাম বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে।” তারা অবিলম্বে বুয়েট প্রস্তাবিত রিকশাবডি, গতি নিয়ন্ত্রক, উন্নত ব্রেকসহ ব্যাটারিচালিত রিকশা রাস্তায় চলতে দেয়ার কঠোর দাবি জানান। লাখ লাখ রিকশা চালক চড়া সুদে ঋণ নিয়ে অথবা সম্পত্তি বিক্রি-বন্ধক রেখে ব্যাটারি রিকশা কিনে ইনকামের রাস্তা তৈরি করেছে। এই রিকশা শ্রমিকদের অমানবিক শ্রমলাঘব করেছে। উপরন্তু গণপরিবহন হিসেবে এখনও দেশের শহর কিংবা গ্রামে রিকশা অপরিহার্য। এ অবস্থায় কোনো যুক্তিতেই সরকার গরিব ব্যাটারি রিকশা চালকদের সর্বশান্ত করে পথে বসিয়ে দিতে পারে না।

মোটা চাকার ব্যাটারি চালিত রিকশা বন্ধের প্রতিবাদে এবং বুয়েট প্রস্তাবিত রিকশাবডি, গতি নিয়ন্ত্রক, উন্নত ব্রেকসহ ব্যাটারি চালিত রিকশা রাস্তায় চলতে দেয়ার জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রির নিকট জোরালো ‌দাবি জানাচ্ছি। এ সময় উপস্থিত ছিলেন জাতীয়
শ্রমিক লীগের চট্টগ্রাম মহানগর সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার নুরুল ইসলাম, চট্টগ্রাম ইজিবাইক ও থ্রীহুইলার অটো রিক্সা মালিক চালক সংগ্রাম পরিষদ’র কার্যকরী সভাপতি এস এম মুহিব উল্লাহ, পরিষদের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ রাশেদ সোলেমান, সফিউল আজম চৌধুরী বাহার, রিয়াজ, মনির হোসেন, ছিদ্দিক মিয়া সহ প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।