বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৩০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সাদুল্লাপুরে বালিশের নিচে সাপ, প্রাণ গেল গৃহবধূর

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলায় বিছানার বালিশের নিচে ছিল একটি জীবন্ত সাপ। এ সাপের কামড়ে ছকিনা বেগম (৪০) নামের এক গৃহবধূর মৃত্যু হয়েছে।

মঙ্গলবার (২০ জুলাই) সকাল ৯ টার দিকে উপজেলার জামালপুর ইউনিয়নের খোর্দ্দ রসুলপুর (মোংলা বন্দর) গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। মৃত্যু ছকিনা বেগম ওই গ্রামের ডিপটি প্রধানের স্ত্রী।

স্বজনরা জানান, সোমবার দিবাগত রাত ১২ টার দিকে নিজ শয়ন ঘরে ঘুমিয়েছিলেন ছকিনা বেগম। এসময় বালিশের নিচে থাকা একটি বিষাক্ত সাপ তাকে কামড় দেয়। এই মুহূর্তে ঘুম থেকে জেগে চিৎকার দিলে পাশের বাড়ির লোকজন ঘরে ঢুকে বালিশের নিচে ওই সাপটি দেখতে পায়। তাৎক্ষণিক সাপটি পিটিয়ে মারা হয়। এরপর ছকিনার শরীরে ব্যথা অনুভব হলে তাকে মঙ্গলবার সকালে পীরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয় স্বজনরা। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে রংপুর মেডিকলে কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করার পরামর্শ দেন। কিন্তু স্বজনরা রংপুরের না নিয়ে সাদুল্লাপুরের এক কবিরাজের নিকট নেয়ার পথে ছকিনার মৃত্যু হয়।

জামালপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান নুরুজ্জামান মণ্ডল বলেন, ছকিনা বেগমের মৃত্যুর ঘটনাটি লোকমুখে শুনেছি।

জনপ্রিয়

সাদুল্লাপুরে বালিশের নিচে সাপ, প্রাণ গেল গৃহবধূর

প্রকাশের সময়: ১২:৩৩:৪২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জুলাই ২০২১

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলায় বিছানার বালিশের নিচে ছিল একটি জীবন্ত সাপ। এ সাপের কামড়ে ছকিনা বেগম (৪০) নামের এক গৃহবধূর মৃত্যু হয়েছে।

মঙ্গলবার (২০ জুলাই) সকাল ৯ টার দিকে উপজেলার জামালপুর ইউনিয়নের খোর্দ্দ রসুলপুর (মোংলা বন্দর) গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। মৃত্যু ছকিনা বেগম ওই গ্রামের ডিপটি প্রধানের স্ত্রী।

স্বজনরা জানান, সোমবার দিবাগত রাত ১২ টার দিকে নিজ শয়ন ঘরে ঘুমিয়েছিলেন ছকিনা বেগম। এসময় বালিশের নিচে থাকা একটি বিষাক্ত সাপ তাকে কামড় দেয়। এই মুহূর্তে ঘুম থেকে জেগে চিৎকার দিলে পাশের বাড়ির লোকজন ঘরে ঢুকে বালিশের নিচে ওই সাপটি দেখতে পায়। তাৎক্ষণিক সাপটি পিটিয়ে মারা হয়। এরপর ছকিনার শরীরে ব্যথা অনুভব হলে তাকে মঙ্গলবার সকালে পীরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয় স্বজনরা। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে রংপুর মেডিকলে কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করার পরামর্শ দেন। কিন্তু স্বজনরা রংপুরের না নিয়ে সাদুল্লাপুরের এক কবিরাজের নিকট নেয়ার পথে ছকিনার মৃত্যু হয়।

জামালপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান নুরুজ্জামান মণ্ডল বলেন, ছকিনা বেগমের মৃত্যুর ঘটনাটি লোকমুখে শুনেছি।