দিনাজপুরের খানসামা উপজেলায় বেলান নদীর গতিপথ বন্ধ করে নির্মিত বিকল্প রাস্তা ভেঙে যাওয়ায় চরম ভোগান্তি ও জনদুর্ভোগের সৃষ্টি হয়েছে।
উপজেলা প্রকৌশলী অফিস সূত্রে জানা গেছে, এলজিইডির বাস্তবায়নে বন্যা ও দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক অবকাঠামো পুনর্বাসন প্রকল্পের আওতায় প্রায় ৩ কোটি ৮৯ লাখ টাকা ব্যয়ে পাকেরহাট-খানসামা সড়কে বেলান নদীর উপর ৩৫ মিটার গার্ডার ব্রিজ নির্মাণ করা হচ্ছে। বর্ষার আগে ব্রিজের কাজ শেষ করবে মর্মে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান যানবাহন ও পথচারীদের যাতায়াতের জন্য নদীর গতিপথ বন্ধ করে বিকল্প রাস্তা নির্মাণ করেন। কিন্তু কাজ শেষ হওয়ার আগেই বর্ষা মৌসুম শুরু হওয়ায় পানি প্রবাহ ঠিক রাখার জন্য রিং বসানো হয়েছিল। সেটিও পানি প্রবাহের জন্য পর্যাপ্ত ছিল না।
বৃহস্পতিবার থেকে চলাচল অনুপযোগী হয়ে পড়ে রাস্তাটি। গত একদিনের বৃষ্টিতে নদীর উপর নির্মিত বিকল্প রাস্তা ভেঙে যাওয়ার ফলে পথচারী ও বিভিন্ন যানবাহনে যাতায়াতকারীরা ভোগান্তি ও জনদুর্ভোগে পড়ে। প্রয়োজনের তাগিদে পথচারী ও বিভিন্ন যানবাহনে যাতায়াতকারীরা অন্তত ২ কিলোমিটারের বেশি রাস্তা ঘুরে পাকেরহাট জাকির মার্কেট হয়ে নিউ পাকেরহাট উচ্চ বিদ্যালয় মোড় দিয়ে ভান্ডারদহ, বালাডাঙ্গী, ডাঙ্গাপাড়া, খামারপাড়া, হোসেনপুর, সহজপুর ও খানসামাসহ পার্শ্ববর্তী উপজেলায় যাচ্ছেন।
নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন পথচারী ও রিকশাভ্যান চালক জানান, খানসামা উপজেলার মধ্যে পাকেরহাট একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ হাট। এখানে ৫০ শয্যা বিশিষ্ট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সও অবস্থিত। হাটে প্রতিনিয়ত কাঁচামালসহ বিভিন্ন প্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি বেচাকেনার জন্য উপজেলার বিভিন্ন স্থান হতে আসতে হয়। এ গুরুত্বপূর্ণ রাস্তাটি ভেঙে যাওয়ার ফলে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।
ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এম এস বসুন্ধরার ম্যানেজার তাপস কুমার মনা মুঠোফোনে জানান, ‘বিষয়টি আমরা জেনেছি। দ্রæত সময়ের মধ্যে রাস্তাটি চলাচলের উপযোগী করে তোলা হবে।’
খানসামা উপজেলা এলজিইডি প্রকৌশলী হারুন-অর-রশিদ বলেন, জাগো২৪.নেট-কে পানির গতি প্রবাহ বন্ধ না করে বিকল্প রাস্তা হিসেবে কাঠের সাঁকো নির্মাণে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানকে বলা হয়েছে। যা দ্রæত সময়ের মধ্যে রাস্তাটি চলাচলের উপযোগী করার কাজ বাস্তবায়ন করা হবে
মো. রফিকুল ইসলাম, করেসপন্ডেন্ট, জাগো২৪.নেট, চিরিরবন্দর (দিনাজপুর) 



















