শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬, ১৭ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

হিলিতে সীমানা ঘেরাকে কেন্দ্র করে বীরমুক্তিযোদ্ধাকে হত্যা চেষ্টার অভিযোগ

সীমানা ঘেরাকে কেন্দ্র করে দিনাজপুরের হিলি সীমান্তের ধরন্দা (ফকিরপাড়া) গ্রামের বীরমুক্তিযোদ্ধা আশরাফ আলী (৭০) কে হত্যার চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। তাকে অকাথ্য ভাষায় গালিগালাজ, ধাক্কা দিয়ে মাটিতে ফেলে দিয়ে কোদাল দিয়ে হত্যার চেষ্টা করেছে বলে এমন অভিযোগ প্রতিবেশী রাজা মল্লিকের বিরুদ্ধে। থানায় অভিযোগ করেও জোরালো কোন পদক্ষেপ নিচ্ছে না পুলিশ, এমনটিই অভিযোগ ভুক্তভোগী বীরমুক্তিযোদ্ধাসহ হিলির বীরমুক্তিযোদ্ধাগণের।

রোববার (৬ ডিসেম্বর) দুপুরে বীর মুক্তিযোদ্ধা আশরাফ আলী বলেন, শনিবার সকালে আমার বাড়ি ও প্রতিবেশি রাজা মল্লিকের বাড়ির মাঝখানে বাঁশের তৈরি সীমানা প্রাচির রয়েছে। সীমানা প্রাচিরের বাঁশের খুঁটিটি পচে ভেঙে গেছে। সেখানে নতুন করে বাঁশের খুঁটি দিয়ে সীমানা তৈরি করছিলাম। পরে নাতিকে নিয়ে রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকতে রাজা এবং আরও চার-পাঁচ জন আমার নিকট আসে। তখন রাজা আমাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে। আমি শুধু তাকে বলেছি এতো খারাপ ভাষায় কেন গালিগালজ করছো। এমন সময় রাজা ক্ষিপ্ত হয়ে আমাকে ধাক্কা মেরে মাটিতে ফেলে দেয়। তার হাতে থাকা কোদাল দিয়ে আমাকে চোট মারতে গেলে প্রতিবেশী আবু বক্কর, ইসলাম শেখ ও রওশনারা এসে কোদালটি ধরে ফেলে এবং আমাকে উদ্ধার করে।

হিলির বীরমুক্তিযোদ্ধা অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ অফিসার শামসুল আলম জানান, আমরা মাটি ও মানুষের জন্য যুদ্ধ করেছি। দেশকে আমরা স্বাধীন করেছি। কিন্তু আজ আমরা এই দেশের কিছু মানুষের নিকট নির্যাতনের শিকার হচ্ছি। আমাদের সহকর্মী বীরমুক্তিযোদ্ধা আশরাফ আলীকে তার প্রতিবেশী রাজার হাতে নির্যাতনের শিকার হয়েছে। শুধু তাই নই তাকে কোদাল দিয়ে হত্যা করার চেষ্টাও করেছে। এ ঘটনায় পুলিশের নিকট অভিযোগ করেও থানা কোন পদক্ষেপ গ্রহন করছে না।

হাকিমপুর থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ফেরদৌস ওয়াহিদ জানান, বীরমুক্তিযোদ্ধা আশরাফ আলীকে নির্যাতন ও হত্যার চেষ্টার অভিযোগ পেয়েছি। অভিযোগ পাওয়ার পর ঘটনাস্থলে পুলিশ অফিসারদের পাঠানো হয়েছিলো। আদালতে প্রতিবেদন পাঠানো হয়েছে। আদালতের নির্দেশ পেলে ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

জনপ্রিয়

হিলিতে সীমানা ঘেরাকে কেন্দ্র করে বীরমুক্তিযোদ্ধাকে হত্যা চেষ্টার অভিযোগ

প্রকাশের সময়: ১২:০৩:২৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৭ ডিসেম্বর ২০২০

সীমানা ঘেরাকে কেন্দ্র করে দিনাজপুরের হিলি সীমান্তের ধরন্দা (ফকিরপাড়া) গ্রামের বীরমুক্তিযোদ্ধা আশরাফ আলী (৭০) কে হত্যার চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। তাকে অকাথ্য ভাষায় গালিগালাজ, ধাক্কা দিয়ে মাটিতে ফেলে দিয়ে কোদাল দিয়ে হত্যার চেষ্টা করেছে বলে এমন অভিযোগ প্রতিবেশী রাজা মল্লিকের বিরুদ্ধে। থানায় অভিযোগ করেও জোরালো কোন পদক্ষেপ নিচ্ছে না পুলিশ, এমনটিই অভিযোগ ভুক্তভোগী বীরমুক্তিযোদ্ধাসহ হিলির বীরমুক্তিযোদ্ধাগণের।

রোববার (৬ ডিসেম্বর) দুপুরে বীর মুক্তিযোদ্ধা আশরাফ আলী বলেন, শনিবার সকালে আমার বাড়ি ও প্রতিবেশি রাজা মল্লিকের বাড়ির মাঝখানে বাঁশের তৈরি সীমানা প্রাচির রয়েছে। সীমানা প্রাচিরের বাঁশের খুঁটিটি পচে ভেঙে গেছে। সেখানে নতুন করে বাঁশের খুঁটি দিয়ে সীমানা তৈরি করছিলাম। পরে নাতিকে নিয়ে রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকতে রাজা এবং আরও চার-পাঁচ জন আমার নিকট আসে। তখন রাজা আমাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে। আমি শুধু তাকে বলেছি এতো খারাপ ভাষায় কেন গালিগালজ করছো। এমন সময় রাজা ক্ষিপ্ত হয়ে আমাকে ধাক্কা মেরে মাটিতে ফেলে দেয়। তার হাতে থাকা কোদাল দিয়ে আমাকে চোট মারতে গেলে প্রতিবেশী আবু বক্কর, ইসলাম শেখ ও রওশনারা এসে কোদালটি ধরে ফেলে এবং আমাকে উদ্ধার করে।

হিলির বীরমুক্তিযোদ্ধা অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ অফিসার শামসুল আলম জানান, আমরা মাটি ও মানুষের জন্য যুদ্ধ করেছি। দেশকে আমরা স্বাধীন করেছি। কিন্তু আজ আমরা এই দেশের কিছু মানুষের নিকট নির্যাতনের শিকার হচ্ছি। আমাদের সহকর্মী বীরমুক্তিযোদ্ধা আশরাফ আলীকে তার প্রতিবেশী রাজার হাতে নির্যাতনের শিকার হয়েছে। শুধু তাই নই তাকে কোদাল দিয়ে হত্যা করার চেষ্টাও করেছে। এ ঘটনায় পুলিশের নিকট অভিযোগ করেও থানা কোন পদক্ষেপ গ্রহন করছে না।

হাকিমপুর থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ফেরদৌস ওয়াহিদ জানান, বীরমুক্তিযোদ্ধা আশরাফ আলীকে নির্যাতন ও হত্যার চেষ্টার অভিযোগ পেয়েছি। অভিযোগ পাওয়ার পর ঘটনাস্থলে পুলিশ অফিসারদের পাঠানো হয়েছিলো। আদালতে প্রতিবেদন পাঠানো হয়েছে। আদালতের নির্দেশ পেলে ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।