সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৪ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সাদুল্লাপুরের ভারসাম্যহীন যুবককে সুস্থ করতে পাবনা পাঠালেন এসপি

গাইবান্ধার পুলিশ সুপার মুহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম এর সার্বিক সহযোগিতায় মানসিক ভারসাম্যহীন তৌহিদকে পাবনা মানসিক হাসপাতালে সুচিকিৎসা উদ্দেশ্যে প্রেরণ করা হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে সাদুল্লাপুর থানা চত্বরে আনুষ্ঠানিকভাবে তাকে পাঠানো হয়।

জানা যায়, সাদুল্লাপুর উপজেলার জামালপুর ইউনিয়নের রফিকুল ইসলামের ছেলে তৌহিদ মিয়া দীর্ঘ ৫ বছর যাবৎ মানসিক ভারসাম্যহীন অবস্থায় গ্রাম-গঞ্জে শহরে ঘুরে বেড়ায়। ইতিমধ্যে দুবার হারিয়ে যায় এবং অনেক দিন পর বের হয়। তার পারিবারিকভাবে অস্বচ্ছল হওয়ায় তৌহিদুলের চিকিৎসা সম্ভব হয়নি। বিষয়টি জেলা পুলিশ সুপার তৌহিদুল ইসলামের নজরে আসলে তৌহিদের পরিবারের সাথে কথা বলে জেলা পুলিশের সার্বিক সহযোগীতায় পাবনার হেমায়েতপুর মানসিক হাসপাতালে সুচিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, সাদুল্লাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) প্রদীপ কুমার রায়, টিআই এডমিন নুর আলম সিদ্দিক, প্রভাষক আব্দুল জলিল সরকার, সাদুল্লাপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি শাহজাহান সোহেল, সাধারণ সম্পাদক জিল্লুর রহমান পলাশ প্রমুখ।

জনপ্রিয়

সাদুল্লাপুরের ভারসাম্যহীন যুবককে সুস্থ করতে পাবনা পাঠালেন এসপি

প্রকাশের সময়: ০৮:১৮:১৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ অক্টোবর ২০২১

গাইবান্ধার পুলিশ সুপার মুহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম এর সার্বিক সহযোগিতায় মানসিক ভারসাম্যহীন তৌহিদকে পাবনা মানসিক হাসপাতালে সুচিকিৎসা উদ্দেশ্যে প্রেরণ করা হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে সাদুল্লাপুর থানা চত্বরে আনুষ্ঠানিকভাবে তাকে পাঠানো হয়।

জানা যায়, সাদুল্লাপুর উপজেলার জামালপুর ইউনিয়নের রফিকুল ইসলামের ছেলে তৌহিদ মিয়া দীর্ঘ ৫ বছর যাবৎ মানসিক ভারসাম্যহীন অবস্থায় গ্রাম-গঞ্জে শহরে ঘুরে বেড়ায়। ইতিমধ্যে দুবার হারিয়ে যায় এবং অনেক দিন পর বের হয়। তার পারিবারিকভাবে অস্বচ্ছল হওয়ায় তৌহিদুলের চিকিৎসা সম্ভব হয়নি। বিষয়টি জেলা পুলিশ সুপার তৌহিদুল ইসলামের নজরে আসলে তৌহিদের পরিবারের সাথে কথা বলে জেলা পুলিশের সার্বিক সহযোগীতায় পাবনার হেমায়েতপুর মানসিক হাসপাতালে সুচিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, সাদুল্লাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) প্রদীপ কুমার রায়, টিআই এডমিন নুর আলম সিদ্দিক, প্রভাষক আব্দুল জলিল সরকার, সাদুল্লাপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি শাহজাহান সোহেল, সাধারণ সম্পাদক জিল্লুর রহমান পলাশ প্রমুখ।