মঙ্গলবার, ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বাবা-ছেলে হেঁটে ৮০০ কিলোমিটার পথ পাড়ি

তোফায়েল হোসেন জাকিরঃ গাইবান্ধা শহরের মধ্য গোবিন্দপুরের বাসিন্দা ছাদেক আলী সরদার (৬৬)। গত ২০০৬ সালে সেনা বাহিনীর অনারারী ক্যাপ্টেন পদে অবসর নিয়েছে তিনি। তার শরীর চর্চার পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন স্থান হেঁটেই ঘুরে দেখার স্বপ্ন দীর্ঘদিনের। এরই মধ্যে শুরু করেছে তার স্বপ্নযাত্রা। একই সঙ্গে সফর সঙ্গী হয়েছে তার ছেলে মোস্তাফিজুর রহমান (৩৬)। ইতোমধ্যে তারা পর্যাক্রমে ৮০০ কিলোমিটার পথ হেঁটে পাড়ি দিয়েছে।

আজ বুধবার (৯ ফেব্রুয়ারি) পর্যন্ত ছাদেক আলী সরদার তার ছেলে মোস্তাফিজুর রহমানকে সঙ্গে নিয়ে হেঁটে চলা ভ্রমণ অব্যাহত রেখেছে।

এর আগে গত ১৪ ডিসেম্বর সকালে গাইবান্ধা ছাদেক চত্বর থেকে ফুলছড়ি থানা চত্বর পর্যন্ত ২৮ কিলোমিটার পথ হেঁটে যাত্রা শুরু করে তারা। ধারাবাহিকতায় গাইবান্ধার জেলা বিভিন্ন ইতিহাস-ঐতিহ্য ও দর্শণীয় স্থান সমূহ হেঁটে পদার্পন করেছে। এ ধারা অব্যাহত রেখে গাইবান্ধা থেকে বগুড়া, রংপুর ও দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটসহ মোট ৩২টি স্থানে ৮০০ কিলোমিটার দীর্ঘ পথ হেঁটে পাড়ি দিয়েছে ওই বাবা-ছেলে।

ইতোমধ্যে বিশেষ স্থানে অবস্থিত হযরত  শাহ সুলতানের মাজার, হযরত  শাহ জামাল (র:) এর মাজার, রাজবাড়ি, জমিদার বাড়ি, গায়েবী মসজিদ, শাহী  আমলের সুরা মসজিদ, যাদুঘর, নৌঘাট, সেতু-বন্দর, হাট-বাজারসহ আরও বেশ কিছু আলোচিত ও দর্শণীয় জায়গাগুলোতে হেঁটে চলেছে তারা। এভাবে আরও বেশ কিছু স্থানে দীর্ঘ পথ হেঁটে যাত্রা করবেন বলে জানিয়েছে ওই ভ্রমণ পিপাসুরা। তবে বাবা-ছেলের ভিষণ কি, সে বিষয়ে মন্তব্য দিতে নারাজ তারা।

ভ্রমণ সঙ্গী মোস্তাফিজুর রহমান জাগো২৪.নেট-কে বলেন, বাবা-ছেলের মধ্যে যদি সু-সম্পর্ক বজায় থাকে এবং তা যদি বন্ধুসুলভ হয়, তাহলে হাজার হাজার কিলোমিটার পথ পাড়ি দেওয়া যায় অবলিলায়। কিন্তু যদি সেই সম্পর্কের অবনতী ঘটে তাহলে এক কিলোমিটার তো দুরের কথা, একই ছাদের নিচে থাকাটাই দুষ্কর হয়ে দাঁড়ায়। তাই বাবা-ছেলের মধ্যে সু-সম্পর্ক থাকার পাশাপাশি তা বন্ধুসুলভ হওয়াটাও একান্ত প্রয়োজন। এজন্য আমার বাবার হেঁটে চলার ভ্রমণে সঙ্গী হয়েছি।


সেনা বাহিনীর অনারারী ক্যাপ্টেন (অবসরপ্রাপ্ত) ভ্রমণকারী ছাদেক আলী সরদার জাগো২৪.নেট-কে জানান, হেঁটে যাত্রা করবেন, এটি দীর্ঘদিনের পরিকল্পনা ছিল তার। সেটি বাস্তবায়নে দীর্ঘ পথ পাড়ি দেয়া শুরু করেছেন।

তিনি আরও বলেন, আমাদের বাপ-বেটার পা গুলোকেই বাহন হিসাবে কাজে লাগিয়ে আমাদের মিশন কে আরও দীর্ঘায়িত করবে বলে দৃঢ় বিশ্বাস।

বাবা-ছেলে হেঁটে ৮০০ কিলোমিটার পথ পাড়ি

প্রকাশের সময়: ০৯:৩৯:০৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ ফেব্রুয়ারী ২০২২

তোফায়েল হোসেন জাকিরঃ গাইবান্ধা শহরের মধ্য গোবিন্দপুরের বাসিন্দা ছাদেক আলী সরদার (৬৬)। গত ২০০৬ সালে সেনা বাহিনীর অনারারী ক্যাপ্টেন পদে অবসর নিয়েছে তিনি। তার শরীর চর্চার পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন স্থান হেঁটেই ঘুরে দেখার স্বপ্ন দীর্ঘদিনের। এরই মধ্যে শুরু করেছে তার স্বপ্নযাত্রা। একই সঙ্গে সফর সঙ্গী হয়েছে তার ছেলে মোস্তাফিজুর রহমান (৩৬)। ইতোমধ্যে তারা পর্যাক্রমে ৮০০ কিলোমিটার পথ হেঁটে পাড়ি দিয়েছে।

আজ বুধবার (৯ ফেব্রুয়ারি) পর্যন্ত ছাদেক আলী সরদার তার ছেলে মোস্তাফিজুর রহমানকে সঙ্গে নিয়ে হেঁটে চলা ভ্রমণ অব্যাহত রেখেছে।

এর আগে গত ১৪ ডিসেম্বর সকালে গাইবান্ধা ছাদেক চত্বর থেকে ফুলছড়ি থানা চত্বর পর্যন্ত ২৮ কিলোমিটার পথ হেঁটে যাত্রা শুরু করে তারা। ধারাবাহিকতায় গাইবান্ধার জেলা বিভিন্ন ইতিহাস-ঐতিহ্য ও দর্শণীয় স্থান সমূহ হেঁটে পদার্পন করেছে। এ ধারা অব্যাহত রেখে গাইবান্ধা থেকে বগুড়া, রংপুর ও দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটসহ মোট ৩২টি স্থানে ৮০০ কিলোমিটার দীর্ঘ পথ হেঁটে পাড়ি দিয়েছে ওই বাবা-ছেলে।

ইতোমধ্যে বিশেষ স্থানে অবস্থিত হযরত  শাহ সুলতানের মাজার, হযরত  শাহ জামাল (র:) এর মাজার, রাজবাড়ি, জমিদার বাড়ি, গায়েবী মসজিদ, শাহী  আমলের সুরা মসজিদ, যাদুঘর, নৌঘাট, সেতু-বন্দর, হাট-বাজারসহ আরও বেশ কিছু আলোচিত ও দর্শণীয় জায়গাগুলোতে হেঁটে চলেছে তারা। এভাবে আরও বেশ কিছু স্থানে দীর্ঘ পথ হেঁটে যাত্রা করবেন বলে জানিয়েছে ওই ভ্রমণ পিপাসুরা। তবে বাবা-ছেলের ভিষণ কি, সে বিষয়ে মন্তব্য দিতে নারাজ তারা।

ভ্রমণ সঙ্গী মোস্তাফিজুর রহমান জাগো২৪.নেট-কে বলেন, বাবা-ছেলের মধ্যে যদি সু-সম্পর্ক বজায় থাকে এবং তা যদি বন্ধুসুলভ হয়, তাহলে হাজার হাজার কিলোমিটার পথ পাড়ি দেওয়া যায় অবলিলায়। কিন্তু যদি সেই সম্পর্কের অবনতী ঘটে তাহলে এক কিলোমিটার তো দুরের কথা, একই ছাদের নিচে থাকাটাই দুষ্কর হয়ে দাঁড়ায়। তাই বাবা-ছেলের মধ্যে সু-সম্পর্ক থাকার পাশাপাশি তা বন্ধুসুলভ হওয়াটাও একান্ত প্রয়োজন। এজন্য আমার বাবার হেঁটে চলার ভ্রমণে সঙ্গী হয়েছি।


সেনা বাহিনীর অনারারী ক্যাপ্টেন (অবসরপ্রাপ্ত) ভ্রমণকারী ছাদেক আলী সরদার জাগো২৪.নেট-কে জানান, হেঁটে যাত্রা করবেন, এটি দীর্ঘদিনের পরিকল্পনা ছিল তার। সেটি বাস্তবায়নে দীর্ঘ পথ পাড়ি দেয়া শুরু করেছেন।

তিনি আরও বলেন, আমাদের বাপ-বেটার পা গুলোকেই বাহন হিসাবে কাজে লাগিয়ে আমাদের মিশন কে আরও দীর্ঘায়িত করবে বলে দৃঢ় বিশ্বাস।