শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৫ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

দিন যতই যাচ্ছে ততই বাড়ছে হাতের ওজন

শিশু রেহাকুল ইসলাম রেহান। বয়স ৭। দিনমজুর পরিবারে জন্ম। জন্মের পরই হাতের আঙ্গুলগুলো আকাড়ে বড়। এরপর বয়স যতই বাড়ছে ততই বেড়ে চলেছে হাতের ওজন। এখন দেড় কেজি ওজনের হাত নিয়ে দূর্বীষহ জীবন তার। সুচিকিৎসার অভাবে ভবিষ্যৎ যেন অনিশ্চিতের পথে।

এই শিশু রেহানের বাড়ি গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার কামালেরপাড়া ইউনিয়নের সুজালপুর গ্রামে। এ গ্রামের রিকশা চালক আব্দুল হাই মিয়ার ছেলে।

পারিবারিক সুত্রে জানা যায়, ২০১৫ সালে রেহান জন্মের পর থেকে ডান হাতের আঙ্গুল গুলো আকারে বড় দেখা যায়। ধীরে ধীরে রেহানের বয়স বাড়ার সাথে সাথে বাড়তে থাকে তার হাতের আঙ্গুল গুলোও। বাবা হাই মিয়া ঢাকায় রিকশা চালায় আর মা রেহেনা বেগম অন্যের বাড়িতে কাজ করে দিনাতিপাত করে। স্বল্প আয়ের সংসারে শিশু রেহানের চিকিৎসার চেষ্টা করেও কোন সুফল হয়নি। ফলে দিন যাচ্চে আর শিশু রেহানের হাতের আঙ্গুলও বাড়ছে। এখন শিশু রেহানের ডাল হাতের ওজন প্রায় দেড় কেজি । যা স্বাভাবিকের তুলনায় চারগুন বেশী । এতে রেহানের চলাফেরা কষ্ট কর হয়েছে। এখন অর্থাভাবে থমকে গেছে চিকিৎসাসেবা।

কান্নজড়িত কণ্ঠে শিশু রেহান বলে, হাতের ওজন বেড়ে যাওয়ায় আমি চলাফেরা করতে পারিনা। আমার বাবা-মার হাতেও টাকা নেই। তাই চিকিৎসা করাতে পারেনা। এজন্য আমার ডান হাতের সবগুলো আঙ্গুল ফুলে যাচ্ছে।

শিশুর বাবা আব্দুল হাই মিয়া বলেন, আমি ঢাকায় রিকশা চালাই । স্ত্রী অন্যের বাড়িতে কাজ করে। এ দিয়ে কোনমতে জীবযাপন। অভাবেব সংসারে ছেলে রেহানের চিকিৎসার খরচ চালানো অসম্ভব। কেউ আমার ছেলের চিকিৎসার দায়িত্ব নিতো তাহলে ছেলে আশার আলো দেখতো।

সাঘাটা উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মানিক চন্দ্র রায় জাগো২৪.নেট-কে জানান, প্রতিবন্ধীদের চিকিৎসার জন্য সমাজসেবা অধিদপ্তর থেকে প্রাথমিক উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরে জেলা হাসপাতালে চিকিসার সুজোগ রয়েছে ।

জনপ্রিয়

দিন যতই যাচ্ছে ততই বাড়ছে হাতের ওজন

প্রকাশের সময়: ০৩:৫৬:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২২

শিশু রেহাকুল ইসলাম রেহান। বয়স ৭। দিনমজুর পরিবারে জন্ম। জন্মের পরই হাতের আঙ্গুলগুলো আকাড়ে বড়। এরপর বয়স যতই বাড়ছে ততই বেড়ে চলেছে হাতের ওজন। এখন দেড় কেজি ওজনের হাত নিয়ে দূর্বীষহ জীবন তার। সুচিকিৎসার অভাবে ভবিষ্যৎ যেন অনিশ্চিতের পথে।

এই শিশু রেহানের বাড়ি গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার কামালেরপাড়া ইউনিয়নের সুজালপুর গ্রামে। এ গ্রামের রিকশা চালক আব্দুল হাই মিয়ার ছেলে।

পারিবারিক সুত্রে জানা যায়, ২০১৫ সালে রেহান জন্মের পর থেকে ডান হাতের আঙ্গুল গুলো আকারে বড় দেখা যায়। ধীরে ধীরে রেহানের বয়স বাড়ার সাথে সাথে বাড়তে থাকে তার হাতের আঙ্গুল গুলোও। বাবা হাই মিয়া ঢাকায় রিকশা চালায় আর মা রেহেনা বেগম অন্যের বাড়িতে কাজ করে দিনাতিপাত করে। স্বল্প আয়ের সংসারে শিশু রেহানের চিকিৎসার চেষ্টা করেও কোন সুফল হয়নি। ফলে দিন যাচ্চে আর শিশু রেহানের হাতের আঙ্গুলও বাড়ছে। এখন শিশু রেহানের ডাল হাতের ওজন প্রায় দেড় কেজি । যা স্বাভাবিকের তুলনায় চারগুন বেশী । এতে রেহানের চলাফেরা কষ্ট কর হয়েছে। এখন অর্থাভাবে থমকে গেছে চিকিৎসাসেবা।

কান্নজড়িত কণ্ঠে শিশু রেহান বলে, হাতের ওজন বেড়ে যাওয়ায় আমি চলাফেরা করতে পারিনা। আমার বাবা-মার হাতেও টাকা নেই। তাই চিকিৎসা করাতে পারেনা। এজন্য আমার ডান হাতের সবগুলো আঙ্গুল ফুলে যাচ্ছে।

শিশুর বাবা আব্দুল হাই মিয়া বলেন, আমি ঢাকায় রিকশা চালাই । স্ত্রী অন্যের বাড়িতে কাজ করে। এ দিয়ে কোনমতে জীবযাপন। অভাবেব সংসারে ছেলে রেহানের চিকিৎসার খরচ চালানো অসম্ভব। কেউ আমার ছেলের চিকিৎসার দায়িত্ব নিতো তাহলে ছেলে আশার আলো দেখতো।

সাঘাটা উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মানিক চন্দ্র রায় জাগো২৪.নেট-কে জানান, প্রতিবন্ধীদের চিকিৎসার জন্য সমাজসেবা অধিদপ্তর থেকে প্রাথমিক উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরে জেলা হাসপাতালে চিকিসার সুজোগ রয়েছে ।