শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৫ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ফুলছড়িতে খড়ের মূল্য বৃদ্ধি

টানা কয়েক মৌসুম ধরে ধানের সাথে পাল্লা দিয়ে খড়ও বিক্রি হচ্ছে। ধান ও খড়ের দাম মোটামুটি সন্তোষজনক। তবে ফুলছড়িতে কৃষকেরা ধান ও খড়ের বাজার চাঙ্গায় স্বস্তিতে রয়েছেন।

একেবারে হঠাৎ খড় (গো-খাদ্য) বাজার চাঙ্গা হয়ে উঠেছে। মাত্র এক সপ্তাহ আগেও ১হাজার খড়ের আঁটির মূল্য ছিল ৪হাজার থেকে ৪হাজার ৫শত টাকা। খড়ের মূল্য বর্তমান বাজার ৬হাজারে গিয়ে ঠেঁকেছে। প্রতি পিস খড় আঁটি বিক্রি হচ্ছে ৬টাকা করে। হঠাৎ খড়ের বাজার বৃদ্ধিতে বিপাকে পড়েছেন খামারিরা।

উদাখালি ইউনিয়নে উত্তর বুড়াইল গ্রামের কৃষক হাজী মোঃ কাশেম আলী জানিয়েছেন, চলতি ইরি-বোরো মৌসুমেও এখন হঠাৎ করে খড়ের সবোর্চ্চ দাম উঠায় ক্ষতিগ্রস্থ কৃষকেরা কিছুটা ক্ষতি পুশিয়ে নিতে পারবে বলে আশা করছেন তারা।

এদিকে গাইবান্ধা জেলা সদরসহ উড়িয়া, উদাখালি, কঞ্চিপাড়া, ফুলছড়ি উপজেলার কালির বাজার হতে প্রতিদিন খড় ক্রয় করতে ট্রাক, ভটভুটি, টলি, ভ্যান ও ঘোড়ারগাড়ী নিয়ে দুর-দুরান্তের থেকে চলে আসছেন কৃষক ও ব্যবসায়ীরা। তারা খড় ক্রয় করে নিয়ে যাচ্ছে।

খড় ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, গাইবান্ধা  জেলার গো-খামারীরা খড় ক্রয় করছে। তাই খড়ের চাহিদা বেড়ে দাম হঠাৎ করে বৃদ্ধি পেয়ে দুই-তিন গুণ বেশি দিয়ে বিক্রি হচ্ছে।

উপজেলার কেতকীর হাট  গ্রামের কৃষক আমির আলী বলেন, আমার ইরি-বোরো ধানের খড়ের আটি প্রতি ৪টাকা করে বিক্রি করেছি। আর যে খড় রয়েছে তা দিয়ে নিজের গরুর চাহিদা পূরণ হবে।

উড়িয়া ইউনিয়নের দক্ষিণ উদাখালি  গ্রামের রিপন মিয়া বলেন, বিগত আমন মৌসুমের সকল খড়ের আঁটি জমা রয়েছে। যা দিয়ে ৩টি চৌচালা ঘর তৈরি করেছি। এতে বৃষ্টিতেও আঁটি নষ্ট হবে না। ভালো দাম পেলে বিক্রি করবো।

ফুলছড়ি উপজেলা কৃষক লীগের সভাপতি আতোয়ার রহমান বলেন, ধান চাষ করে খড়ে বাড়তি লাভ হয় কৃষকের। ধানের দামের পাশাপাশি খড়ের বাজার চাঙ্গা থাকায় স্বস্তিতে কৃষকেরা।

দক্ষিণ গুরাইল গ্রামের খামারি মোহাম্মদ গোলাম জাগো২৪.নেট-কে হোসেন বলেন। আমার খামারে পাঁচটি গরু ছিল হঠাৎ করে গো খাদ্যের দাম বৃদ্ধিতে আমি তিনটি গরু বিক্রি করে দিয়েছি এখন মাত্র দুটি গরু আছে আমার।

জনপ্রিয়

ফুলছড়িতে খড়ের মূল্য বৃদ্ধি

প্রকাশের সময়: ০৬:৪৭:৩৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২২

টানা কয়েক মৌসুম ধরে ধানের সাথে পাল্লা দিয়ে খড়ও বিক্রি হচ্ছে। ধান ও খড়ের দাম মোটামুটি সন্তোষজনক। তবে ফুলছড়িতে কৃষকেরা ধান ও খড়ের বাজার চাঙ্গায় স্বস্তিতে রয়েছেন।

একেবারে হঠাৎ খড় (গো-খাদ্য) বাজার চাঙ্গা হয়ে উঠেছে। মাত্র এক সপ্তাহ আগেও ১হাজার খড়ের আঁটির মূল্য ছিল ৪হাজার থেকে ৪হাজার ৫শত টাকা। খড়ের মূল্য বর্তমান বাজার ৬হাজারে গিয়ে ঠেঁকেছে। প্রতি পিস খড় আঁটি বিক্রি হচ্ছে ৬টাকা করে। হঠাৎ খড়ের বাজার বৃদ্ধিতে বিপাকে পড়েছেন খামারিরা।

উদাখালি ইউনিয়নে উত্তর বুড়াইল গ্রামের কৃষক হাজী মোঃ কাশেম আলী জানিয়েছেন, চলতি ইরি-বোরো মৌসুমেও এখন হঠাৎ করে খড়ের সবোর্চ্চ দাম উঠায় ক্ষতিগ্রস্থ কৃষকেরা কিছুটা ক্ষতি পুশিয়ে নিতে পারবে বলে আশা করছেন তারা।

এদিকে গাইবান্ধা জেলা সদরসহ উড়িয়া, উদাখালি, কঞ্চিপাড়া, ফুলছড়ি উপজেলার কালির বাজার হতে প্রতিদিন খড় ক্রয় করতে ট্রাক, ভটভুটি, টলি, ভ্যান ও ঘোড়ারগাড়ী নিয়ে দুর-দুরান্তের থেকে চলে আসছেন কৃষক ও ব্যবসায়ীরা। তারা খড় ক্রয় করে নিয়ে যাচ্ছে।

খড় ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, গাইবান্ধা  জেলার গো-খামারীরা খড় ক্রয় করছে। তাই খড়ের চাহিদা বেড়ে দাম হঠাৎ করে বৃদ্ধি পেয়ে দুই-তিন গুণ বেশি দিয়ে বিক্রি হচ্ছে।

উপজেলার কেতকীর হাট  গ্রামের কৃষক আমির আলী বলেন, আমার ইরি-বোরো ধানের খড়ের আটি প্রতি ৪টাকা করে বিক্রি করেছি। আর যে খড় রয়েছে তা দিয়ে নিজের গরুর চাহিদা পূরণ হবে।

উড়িয়া ইউনিয়নের দক্ষিণ উদাখালি  গ্রামের রিপন মিয়া বলেন, বিগত আমন মৌসুমের সকল খড়ের আঁটি জমা রয়েছে। যা দিয়ে ৩টি চৌচালা ঘর তৈরি করেছি। এতে বৃষ্টিতেও আঁটি নষ্ট হবে না। ভালো দাম পেলে বিক্রি করবো।

ফুলছড়ি উপজেলা কৃষক লীগের সভাপতি আতোয়ার রহমান বলেন, ধান চাষ করে খড়ে বাড়তি লাভ হয় কৃষকের। ধানের দামের পাশাপাশি খড়ের বাজার চাঙ্গা থাকায় স্বস্তিতে কৃষকেরা।

দক্ষিণ গুরাইল গ্রামের খামারি মোহাম্মদ গোলাম জাগো২৪.নেট-কে হোসেন বলেন। আমার খামারে পাঁচটি গরু ছিল হঠাৎ করে গো খাদ্যের দাম বৃদ্ধিতে আমি তিনটি গরু বিক্রি করে দিয়েছি এখন মাত্র দুটি গরু আছে আমার।