শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬, ১৭ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

গাইবান্ধায় স্কোয়াশ চাষে লাভবান কৃষক

তোফায়েল হোসেন জাকিরঃ কৃষি নির্ভর গাইবান্ধায় জেলায় কৃষকের মাঠে দুলছে নানা ধরণের শাক-সবজি। এসব সবজির পাশাপাশি নতুন করে চাষ করা হয়েছে স্কোয়াশ। অতি সুস্বাদু ও পুষ্টিকর এই স্কোয়াশ আবাদে লাভবান হচ্ছে এ জেলার কৃষকরা।

শুক্রবার (৪ মার্চ) বিকেলে গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন স্থানে দেখা যায় স্কয়াশ ক্ষেতের রঙিন দৃশ্য। নতুন এ ফসল থেকে ভালো ফলন ও দাম পাওয়ায় কৃষকের মুখে ফুটেছে হাসির ঝিলিক।

জানা যায়, স্কোয়াশ একটি শীতকালী সবজি। দেখতে মিষ্টি কুমড়ার মতো হলেও এটি লম্বা হয়। অধিক পুষ্টি সম্মৃদ্ধ ও মুখরোচক এ স্কোয়াশ অনেকটা জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। ফলে বাজারে এর চাহিদা রয়েছে প্রচুর। এটি চাষের জন্য বেলে-দোআঁশ মাটি বেশ উপযুক্ত। এসব মাটিতে অধিক ফলন উৎপাদন করা সম্ভব। শীতকালীন এই আবাদ থেকে ভালো ফলন পেতে জমি গভীরভাবে চাষ করার পর মই দিয়ে জমি তৈরী করতে হয়। পরিকল্পনা মাফিক চাষ করা হলে ১০০ দিনের মধ্যে প্রতি হেক্টরে ৩৫-৪০ টন উৎপান করা সম্ভব।

সুন্দরগঞ্জ উপজেলার ফলগাছা গ্রামের কৃষক আব্দুল আজিজ জাগো২৪.নেট-কে জানান, চলতি রবি মৌসুমে পরীক্ষামূলক নতুন করে ১১ শতক জমিতে স্কোয়াশ চাষ করেছেন। এতে বীজ-সার-শ্রমিক ও অন্যান্য খরচ হয়েছে ৭ হাজার টাকা। এ পর্যন্ত বিক্রি করা হয়েছে ১৯ হাজার টাকা। আরও প্রায় ৪ হাজার টাকা বিক্রি করবেন।

তিনি আরও বলেন, সবজি ফসলের মধ্যে সবচেয়ে লাভজনক ফসল স্কোয়াশ। কৃষি বিভাগ কর্তৃক সঠিক পরামর্শ পেলে আগামী বছর দুই বিঘা জমিতে স্কোয়াশ চাষাবাদের পরিকল্পনা রয়েছে।

কৃষিবিদ ফরিদুল হক জাগো২৪.নেট-কে জানান, স্কোয়াশের উচ্চ ফলনশীন কয়েকটি জাত রয়েছে। এর মধ্যে বারি স্কোয়াস-১ জাতটি খুবই ভালো। কৃষকরা এই স্কোয়াশ চাষে অনেকটাই লাভবান হতে পারবেন।

গাইবান্ধা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক কৃষিবিদ বেলাল উদ্দিন জাগো২৪.নেট-কে জানান, গাইবান্ধা জেলায় ১১ হেক্টর জমিতে স্কোয়াশ চাষ হয়েছে। বিশেষ করে সদর, গোবিন্দগঞ্জ ও সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় এটি চাষ হচ্ছে। এসব কৃষকদের লাভবান করতে সর্বাত্নকভাবে সহযোগিতা করা হচ্ছে।

জনপ্রিয়

গাইবান্ধায় স্কোয়াশ চাষে লাভবান কৃষক

প্রকাশের সময়: ০৫:০৯:২০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৪ মার্চ ২০২২

তোফায়েল হোসেন জাকিরঃ কৃষি নির্ভর গাইবান্ধায় জেলায় কৃষকের মাঠে দুলছে নানা ধরণের শাক-সবজি। এসব সবজির পাশাপাশি নতুন করে চাষ করা হয়েছে স্কোয়াশ। অতি সুস্বাদু ও পুষ্টিকর এই স্কোয়াশ আবাদে লাভবান হচ্ছে এ জেলার কৃষকরা।

শুক্রবার (৪ মার্চ) বিকেলে গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন স্থানে দেখা যায় স্কয়াশ ক্ষেতের রঙিন দৃশ্য। নতুন এ ফসল থেকে ভালো ফলন ও দাম পাওয়ায় কৃষকের মুখে ফুটেছে হাসির ঝিলিক।

জানা যায়, স্কোয়াশ একটি শীতকালী সবজি। দেখতে মিষ্টি কুমড়ার মতো হলেও এটি লম্বা হয়। অধিক পুষ্টি সম্মৃদ্ধ ও মুখরোচক এ স্কোয়াশ অনেকটা জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। ফলে বাজারে এর চাহিদা রয়েছে প্রচুর। এটি চাষের জন্য বেলে-দোআঁশ মাটি বেশ উপযুক্ত। এসব মাটিতে অধিক ফলন উৎপাদন করা সম্ভব। শীতকালীন এই আবাদ থেকে ভালো ফলন পেতে জমি গভীরভাবে চাষ করার পর মই দিয়ে জমি তৈরী করতে হয়। পরিকল্পনা মাফিক চাষ করা হলে ১০০ দিনের মধ্যে প্রতি হেক্টরে ৩৫-৪০ টন উৎপান করা সম্ভব।

সুন্দরগঞ্জ উপজেলার ফলগাছা গ্রামের কৃষক আব্দুল আজিজ জাগো২৪.নেট-কে জানান, চলতি রবি মৌসুমে পরীক্ষামূলক নতুন করে ১১ শতক জমিতে স্কোয়াশ চাষ করেছেন। এতে বীজ-সার-শ্রমিক ও অন্যান্য খরচ হয়েছে ৭ হাজার টাকা। এ পর্যন্ত বিক্রি করা হয়েছে ১৯ হাজার টাকা। আরও প্রায় ৪ হাজার টাকা বিক্রি করবেন।

তিনি আরও বলেন, সবজি ফসলের মধ্যে সবচেয়ে লাভজনক ফসল স্কোয়াশ। কৃষি বিভাগ কর্তৃক সঠিক পরামর্শ পেলে আগামী বছর দুই বিঘা জমিতে স্কোয়াশ চাষাবাদের পরিকল্পনা রয়েছে।

কৃষিবিদ ফরিদুল হক জাগো২৪.নেট-কে জানান, স্কোয়াশের উচ্চ ফলনশীন কয়েকটি জাত রয়েছে। এর মধ্যে বারি স্কোয়াস-১ জাতটি খুবই ভালো। কৃষকরা এই স্কোয়াশ চাষে অনেকটাই লাভবান হতে পারবেন।

গাইবান্ধা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক কৃষিবিদ বেলাল উদ্দিন জাগো২৪.নেট-কে জানান, গাইবান্ধা জেলায় ১১ হেক্টর জমিতে স্কোয়াশ চাষ হয়েছে। বিশেষ করে সদর, গোবিন্দগঞ্জ ও সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় এটি চাষ হচ্ছে। এসব কৃষকদের লাভবান করতে সর্বাত্নকভাবে সহযোগিতা করা হচ্ছে।