শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬, ১৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পীরগঞ্জে বাণিজ্যিক ভাবে চাষ হচ্ছে তুলসী গাছ

রংপুরের পীরগঞ্জে প্রত্যন্ত পল্লীতে বাণিজ্যিকভাবে তুলসী চাষ শুরু হয়েছে। তুলসী গাছের সবুজ পাতা দিয়ে ভরে গেছে দিগন্ত বিস্তৃত মাঠ। অল্প খরচে ভাল লাভ হওয়ায় অনেকেই আগ্রহী হয়ে উঠছেন তুলসী চাষে।

উল্লেখ্য, ঔষধি গুণের কারণে প্রাচীনকাল থেকেই তুলসী গাছ সবার কাছে পরিচিত। আগের দিনে বাড়ির উঠান বা আশেপাশে দুই একটা তুলসী গাছ দেখা গেলেও, ভেষজ গুণের কারণে এখন বাণিজ্যিক চাষ শুরু হয়েছে। পীরগঞ্জ উপজেলার পাঁচগাছি ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় তুলসীর চাষ তুলনামুলক বেশী। ওই ইউনিয়নের অর্ধ শতাধিক কৃষক তুলসী, বাসকসহ কয়েক প্রকারের ঔষধি গাছের চাষাবাদে ঝুঁকছেন। এ বছর উপজেলায় প্রায় ৩ একর জমিতে তুলসীর চাষ হয়েছে।

জাহাঙ্গীরাবাদ গ্রামের মেহেদুল ইসলাম ২০১৪ সাল থেকে এই ঔষধি গাছের চাষের সাথে জড়িয়ে আছেন। মেহেদুল ইসলাম বলেন প্রতিবছরের ন্যয় এ বছর তার তুলসী পাতার চাহিদা রয়েছে ১০ টন, এলাকার আবাদ থেকে আসবে প্রায় ৫ টন। একমি কোম্পানিসহ কয়েকটি কোম্পানিতে ঔষধি পাতা বিক্রি করে থাকেন। তিনি আরও বলেন, পাচগাছি এলাকায় প্রায় ৫০ জনেরও বেশী কৃষক ঔষধি গাছের চাষ করে থাকেন।

সরেজমিন অনুসন্ধানে জানা গেছে,অনেক চাষি অর্থের অভাবে এ বছর ঔষধি গাছের চাষ করতে পারেনি। তারা সরকারি বেসরকারি ভাবে সহয়তা পেলে আগের মতো করে এই ঔষধি গাছের চাষাবাদ করতে পারবে। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবীদ সাদেকুজ্জামান সরকার বলেন , চাষীদের চারা ও বীজ দেয়ার পাশাপাশি প্রযুক্তিগত সহায়তা দেয়া হচ্ছে। ঔষধি গাছের চাষ কৃষক পর্যায়ে ছড়িয়ে দিতে পারলে একদিকে যেমন কৃষকরা আর্থিকভাবে লাভবান হবে, অপরদিকে ওষুধ শিল্পের চাহিদাও পুরণ হবে।

গাইবান্ধায় ট্রাকচাপায় মসজিদের খাদেম নিহত

পীরগঞ্জে বাণিজ্যিক ভাবে চাষ হচ্ছে তুলসী গাছ

প্রকাশের সময়: ১২:৪৯:০৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২ এপ্রিল ২০২২

রংপুরের পীরগঞ্জে প্রত্যন্ত পল্লীতে বাণিজ্যিকভাবে তুলসী চাষ শুরু হয়েছে। তুলসী গাছের সবুজ পাতা দিয়ে ভরে গেছে দিগন্ত বিস্তৃত মাঠ। অল্প খরচে ভাল লাভ হওয়ায় অনেকেই আগ্রহী হয়ে উঠছেন তুলসী চাষে।

উল্লেখ্য, ঔষধি গুণের কারণে প্রাচীনকাল থেকেই তুলসী গাছ সবার কাছে পরিচিত। আগের দিনে বাড়ির উঠান বা আশেপাশে দুই একটা তুলসী গাছ দেখা গেলেও, ভেষজ গুণের কারণে এখন বাণিজ্যিক চাষ শুরু হয়েছে। পীরগঞ্জ উপজেলার পাঁচগাছি ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় তুলসীর চাষ তুলনামুলক বেশী। ওই ইউনিয়নের অর্ধ শতাধিক কৃষক তুলসী, বাসকসহ কয়েক প্রকারের ঔষধি গাছের চাষাবাদে ঝুঁকছেন। এ বছর উপজেলায় প্রায় ৩ একর জমিতে তুলসীর চাষ হয়েছে।

জাহাঙ্গীরাবাদ গ্রামের মেহেদুল ইসলাম ২০১৪ সাল থেকে এই ঔষধি গাছের চাষের সাথে জড়িয়ে আছেন। মেহেদুল ইসলাম বলেন প্রতিবছরের ন্যয় এ বছর তার তুলসী পাতার চাহিদা রয়েছে ১০ টন, এলাকার আবাদ থেকে আসবে প্রায় ৫ টন। একমি কোম্পানিসহ কয়েকটি কোম্পানিতে ঔষধি পাতা বিক্রি করে থাকেন। তিনি আরও বলেন, পাচগাছি এলাকায় প্রায় ৫০ জনেরও বেশী কৃষক ঔষধি গাছের চাষ করে থাকেন।

সরেজমিন অনুসন্ধানে জানা গেছে,অনেক চাষি অর্থের অভাবে এ বছর ঔষধি গাছের চাষ করতে পারেনি। তারা সরকারি বেসরকারি ভাবে সহয়তা পেলে আগের মতো করে এই ঔষধি গাছের চাষাবাদ করতে পারবে। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবীদ সাদেকুজ্জামান সরকার বলেন , চাষীদের চারা ও বীজ দেয়ার পাশাপাশি প্রযুক্তিগত সহায়তা দেয়া হচ্ছে। ঔষধি গাছের চাষ কৃষক পর্যায়ে ছড়িয়ে দিতে পারলে একদিকে যেমন কৃষকরা আর্থিকভাবে লাভবান হবে, অপরদিকে ওষুধ শিল্পের চাহিদাও পুরণ হবে।