বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ভয়ভীতি দেখিয়ে মানুষকে বিভ্রান্ত করা হচ্ছে : প্রধানমন্ত্রী

গুজব ছড়িয়ে মানুষকে ভয়ভীতি দেখিয়ে বিভ্রান্ত করছে একটি মহল বলে মন্তব্য করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, দেশ যখন শান্তিপূর্ণভাবে সামনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে, তখন কিছু মানুষ তা পছন্দ করছে না।

সোমবার (৫ ডিসেম্বর) সকালে ন্যাশনাল ডিফেন্স কোর্স-২০২২ ও আর্মড ফোর্সেস ওয়ার কোর্স-২০২২ এর গ্রাজুয়েশন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশকে এগিয়ে নিতে সরকার কাজ করছে, অন্যথায় স্বাধীনতার চেতনা ধরে রাখা যাবে না। একটি মহল নানা কথা বলে মানুষকে ভয়-ভীতি দেখিয়ে বিভ্রান্তের চেষ্টা করছে। দেশে গণতান্ত্রিক ধারা অব্যাহত আছে বলেই উন্নতি সম্ভব হচ্ছে, উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা পেয়েছে বাংলাদেশ।

তিনি বলেন, ২০৪১ সালের মধ্যে হবে উন্নত সমৃদ্ধ বাংলাদেশ। পদ্মা সেতু নিয়ে আমাকে অপবাদ দেয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল। পরে প্রমাণ হয়, সেখানে কোনো দুর্নীতি হয়নি। পরে আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম, নিজেদের অর্থায়নে পদ্মা সেতু করব। আমাকে অনেকে বলেছিল, কখনো সম্ভব না। এমনকি অনেক দেশের সরকার প্রধানের সাথে আলোচনা করেছিলাম, তারা বলেছিল এটা সম্ভব না। অসম্ভবকে সম্ভব করা- এটাই বাংলাদেশের চরিত্র। এটা আমরা করতে পারি।

তিনি আরো বলেন, আমি যখন ঘোষণা দিয়েছিলাম ডিজিটাল বাংলাদেশের, তখন এটা নিয়ে অনেকে হেসেছে, বলেছে সম্ভব নয়। কিন্তু এখন অনেক তরুণ গ্রামে বসে ডিজিটাল প্রযুক্তির সহায়তায় অর্থ উপার্জন করছে। সুত্রঃ নয় শতাব্দী

ভয়ভীতি দেখিয়ে মানুষকে বিভ্রান্ত করা হচ্ছে : প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশের সময়: ০১:১৬:১৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ ডিসেম্বর ২০২২

গুজব ছড়িয়ে মানুষকে ভয়ভীতি দেখিয়ে বিভ্রান্ত করছে একটি মহল বলে মন্তব্য করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, দেশ যখন শান্তিপূর্ণভাবে সামনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে, তখন কিছু মানুষ তা পছন্দ করছে না।

সোমবার (৫ ডিসেম্বর) সকালে ন্যাশনাল ডিফেন্স কোর্স-২০২২ ও আর্মড ফোর্সেস ওয়ার কোর্স-২০২২ এর গ্রাজুয়েশন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশকে এগিয়ে নিতে সরকার কাজ করছে, অন্যথায় স্বাধীনতার চেতনা ধরে রাখা যাবে না। একটি মহল নানা কথা বলে মানুষকে ভয়-ভীতি দেখিয়ে বিভ্রান্তের চেষ্টা করছে। দেশে গণতান্ত্রিক ধারা অব্যাহত আছে বলেই উন্নতি সম্ভব হচ্ছে, উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা পেয়েছে বাংলাদেশ।

তিনি বলেন, ২০৪১ সালের মধ্যে হবে উন্নত সমৃদ্ধ বাংলাদেশ। পদ্মা সেতু নিয়ে আমাকে অপবাদ দেয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল। পরে প্রমাণ হয়, সেখানে কোনো দুর্নীতি হয়নি। পরে আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম, নিজেদের অর্থায়নে পদ্মা সেতু করব। আমাকে অনেকে বলেছিল, কখনো সম্ভব না। এমনকি অনেক দেশের সরকার প্রধানের সাথে আলোচনা করেছিলাম, তারা বলেছিল এটা সম্ভব না। অসম্ভবকে সম্ভব করা- এটাই বাংলাদেশের চরিত্র। এটা আমরা করতে পারি।

তিনি আরো বলেন, আমি যখন ঘোষণা দিয়েছিলাম ডিজিটাল বাংলাদেশের, তখন এটা নিয়ে অনেকে হেসেছে, বলেছে সম্ভব নয়। কিন্তু এখন অনেক তরুণ গ্রামে বসে ডিজিটাল প্রযুক্তির সহায়তায় অর্থ উপার্জন করছে। সুত্রঃ নয় শতাব্দী