মঙ্গলবার, ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

চিরিরবন্দরে আনন্দ-উৎসাহর মধ্যদিয়ে বই বিতরণ

দিনাজপুরের চিরিরবন্দরে আনন্দ-উৎসাহর মধ্যদিয়ে জাঁকজমকপুর্ণভাবে পাঠ্যপুস্তক উৎসব দিবস উপলক্ষে নতুন শ্রেণিতে উর্ত্তীণ শিক্ষার্থীদের মাঝে বিনামুল্যে নতুন বই বিতরণ করা হয়েছে।
গতকাল ১ জানুয়ারি রবিবার বেলা ১১টায় চিরিরবন্দর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস ও উপজেলা শিক্ষা অফিসের সহযোগিতায় শিক্ষার্থীদের মাঝে বিনামুল্যের বই তুলে দেন উপজেলা চেয়ারম্যান তারিকুল ইসলাম তারিক ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. খালিদ হাসান।
এসময় উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার ফজলে এলাহী, থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. বজলুর রশিদ, উপজেলা শিক্ষা অফিসার এমজিএম সারোয়ার হোসেন, চিরিরবন্দর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি নীপা ভট্টাচার্য্য বক্তব্য রাখেন। অনুষ্ঠানে ম্যানেজিং কমিটির সদস্যবৃন্দ, শিক্ষক, অভিভাবক, শিক্ষার্থীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য ৭ম শ্রেণির নতুন বই প্রতিষ্ঠানে সরবরাহ না করায় ওই শ্রেণির শিক্ষার্থীরা মনোকষ্ট নিয়ে শিক্ষকদের আশ্বাসে ফিরে যায়। এছাড়াও প্রাইভেট প্রতিষ্ঠানসহ এমপিওভূক্ত প্রায় প্রতিষ্ঠানে সেশনচার্জ দিতে না পেরে নতুন শ্রেণিতে ভর্তি না হওয়ায় অনেক গরীব শিক্ষার্থী বই পাওয়া থেকে বঞ্চিত হন।

চিরিরবন্দরে আনন্দ-উৎসাহর মধ্যদিয়ে বই বিতরণ

প্রকাশের সময়: ০৬:১৭:২১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ জানুয়ারী ২০২৩
দিনাজপুরের চিরিরবন্দরে আনন্দ-উৎসাহর মধ্যদিয়ে জাঁকজমকপুর্ণভাবে পাঠ্যপুস্তক উৎসব দিবস উপলক্ষে নতুন শ্রেণিতে উর্ত্তীণ শিক্ষার্থীদের মাঝে বিনামুল্যে নতুন বই বিতরণ করা হয়েছে।
গতকাল ১ জানুয়ারি রবিবার বেলা ১১টায় চিরিরবন্দর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস ও উপজেলা শিক্ষা অফিসের সহযোগিতায় শিক্ষার্থীদের মাঝে বিনামুল্যের বই তুলে দেন উপজেলা চেয়ারম্যান তারিকুল ইসলাম তারিক ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. খালিদ হাসান।
এসময় উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার ফজলে এলাহী, থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. বজলুর রশিদ, উপজেলা শিক্ষা অফিসার এমজিএম সারোয়ার হোসেন, চিরিরবন্দর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি নীপা ভট্টাচার্য্য বক্তব্য রাখেন। অনুষ্ঠানে ম্যানেজিং কমিটির সদস্যবৃন্দ, শিক্ষক, অভিভাবক, শিক্ষার্থীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য ৭ম শ্রেণির নতুন বই প্রতিষ্ঠানে সরবরাহ না করায় ওই শ্রেণির শিক্ষার্থীরা মনোকষ্ট নিয়ে শিক্ষকদের আশ্বাসে ফিরে যায়। এছাড়াও প্রাইভেট প্রতিষ্ঠানসহ এমপিওভূক্ত প্রায় প্রতিষ্ঠানে সেশনচার্জ দিতে না পেরে নতুন শ্রেণিতে ভর্তি না হওয়ায় অনেক গরীব শিক্ষার্থী বই পাওয়া থেকে বঞ্চিত হন।