শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৫ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নবজাতককে শ্বাসরোধ করে হত্যা, দায় স্বীকার মায়ের 

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলায় এক নবজাতক শিশুকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করার অভিযোগ ওঠেছে।  এঘটনায় অভিযুক্ত  মা কল্পনা রানী (৪০) কে গ্রেফতার করেছে পুলিশ ।
শুক্রবার (২৩ জুন) সকালে গোবিন্দগঞ্জ থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) বুলবুল ইসলাম গণমাধ্যমে কর্মীদের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
গ্রেফতার কল্পনা রানী বর্মণ গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার দরবস্ত ইউনিয়নের দরবস্ত হিন্দুপাড়া প্রামের দেবেন্দ্র নাথের স্ত্রী।
পুলিশ জানায়, গত বুধবার (২১ জুন) রাত ১টা হতে ৩টার মধ্যে যে কোন সময় কল্পনা রানী সকলের অগোচরে নিজ বাড়িতে নবজাতক শিশুটিকে ভুমিষ্ট করে। ভূমিষ্ট হবার পর শিশুটির নাকে আঙ্গুল দিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে। পরে মরদেহ গুম করার জন্য দরবস্ত হিন্দুপাড়া গ্রামের মনোরঞ্জন রায়ের বাঁশ বাগানের ড্রেনের পানিতে ফেলে আসে।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই প্রলয় কুমার বর্মা জানান, ঘটনার বিষয়ে প্রাধমিক তদন্তকালে জানাযায় দরবস্ত হিন্দুপাড়া গ্রামে মৃত রামতনু চন্দ্র বর্মনের ছেলে শ্রী দেবেন্দ্র নাথ বর্মন (৪৫) সাথে প্রায় ২০-২২ বছর আগে শ্রীমতি কল্পনা রানীর বিয়ে হয়। এরপর সংসার করাকালে তাদের সংসারে ২টি সন্তান কনক চন্দ্র বর্মন (২০) এবং শ্রীমতি কনিকা রানী (১৮) জন্ম হয়। এই সংসার করাকালে প্রায় ৮ বছর আগে শ্রী দেবেন্দ্র নাথ বর্মন তার স্ত্রী শ্রীমতি কল্পনা রানীর আচার-আচরণে সন্দেহের জন্ম দেয়। স্ত্রীর এমন স্বভাব চরিত্রের বিষয়টি শ্বাশুড়িকে জানালেও কোন ব্যবস্থা না নেওয়ায় মনোকষ্টে স্বামী দেবেন্দ্র নাথ প্রায় ৮ বছর ধরে নিজ বাড়ি ছেড়ে গোবিন্দগঞ্জ পৌরসভার বোয়ালিয়া এলাকায় আলাদাভাবে বসবাস করছে।
কল্পনার স্বামী দেবেন্দ্র নাথ জানান, গত বুধবার লোক মাধ্যমে বাঁশ বাগানের ড্রেনের পানিতে এক দিনের নবজাতকের মৃতদেহ ভাসছে এমন সংবাদ শুনে বাড়িতে আসলে স্ত্রী সদ্য বাচ্চা প্রসব করার মত লক্ষণ দেখতে পায়। পরে তাকে উক্ত নবজাতক শিশু সন্তানের বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলে প্রথমে সে অস্বীকার করলেও জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে আশপাশের লোক জনের সামনে উক্ত নবজাতক শিশু সন্তান তার বলে স্বীকার করেন।
পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) বুলবুল ইসলাম বলেন, স্থানীয়দের মাধ্যমে সংবাদ পাওয়ার পর নবজাতক শিশুর মরদেহ উদ্ধার  করে মর্গে পাঠানো হয়। অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে আদলতে সোপর্দ করা হয়। বিজ্ঞ আদালতে কল্পনা রানী ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।
জনপ্রিয়

নবজাতককে শ্বাসরোধ করে হত্যা, দায় স্বীকার মায়ের 

প্রকাশের সময়: ০৩:০৩:৪৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ জুন ২০২৩
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলায় এক নবজাতক শিশুকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করার অভিযোগ ওঠেছে।  এঘটনায় অভিযুক্ত  মা কল্পনা রানী (৪০) কে গ্রেফতার করেছে পুলিশ ।
শুক্রবার (২৩ জুন) সকালে গোবিন্দগঞ্জ থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) বুলবুল ইসলাম গণমাধ্যমে কর্মীদের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
গ্রেফতার কল্পনা রানী বর্মণ গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার দরবস্ত ইউনিয়নের দরবস্ত হিন্দুপাড়া প্রামের দেবেন্দ্র নাথের স্ত্রী।
পুলিশ জানায়, গত বুধবার (২১ জুন) রাত ১টা হতে ৩টার মধ্যে যে কোন সময় কল্পনা রানী সকলের অগোচরে নিজ বাড়িতে নবজাতক শিশুটিকে ভুমিষ্ট করে। ভূমিষ্ট হবার পর শিশুটির নাকে আঙ্গুল দিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে। পরে মরদেহ গুম করার জন্য দরবস্ত হিন্দুপাড়া গ্রামের মনোরঞ্জন রায়ের বাঁশ বাগানের ড্রেনের পানিতে ফেলে আসে।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই প্রলয় কুমার বর্মা জানান, ঘটনার বিষয়ে প্রাধমিক তদন্তকালে জানাযায় দরবস্ত হিন্দুপাড়া গ্রামে মৃত রামতনু চন্দ্র বর্মনের ছেলে শ্রী দেবেন্দ্র নাথ বর্মন (৪৫) সাথে প্রায় ২০-২২ বছর আগে শ্রীমতি কল্পনা রানীর বিয়ে হয়। এরপর সংসার করাকালে তাদের সংসারে ২টি সন্তান কনক চন্দ্র বর্মন (২০) এবং শ্রীমতি কনিকা রানী (১৮) জন্ম হয়। এই সংসার করাকালে প্রায় ৮ বছর আগে শ্রী দেবেন্দ্র নাথ বর্মন তার স্ত্রী শ্রীমতি কল্পনা রানীর আচার-আচরণে সন্দেহের জন্ম দেয়। স্ত্রীর এমন স্বভাব চরিত্রের বিষয়টি শ্বাশুড়িকে জানালেও কোন ব্যবস্থা না নেওয়ায় মনোকষ্টে স্বামী দেবেন্দ্র নাথ প্রায় ৮ বছর ধরে নিজ বাড়ি ছেড়ে গোবিন্দগঞ্জ পৌরসভার বোয়ালিয়া এলাকায় আলাদাভাবে বসবাস করছে।
কল্পনার স্বামী দেবেন্দ্র নাথ জানান, গত বুধবার লোক মাধ্যমে বাঁশ বাগানের ড্রেনের পানিতে এক দিনের নবজাতকের মৃতদেহ ভাসছে এমন সংবাদ শুনে বাড়িতে আসলে স্ত্রী সদ্য বাচ্চা প্রসব করার মত লক্ষণ দেখতে পায়। পরে তাকে উক্ত নবজাতক শিশু সন্তানের বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলে প্রথমে সে অস্বীকার করলেও জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে আশপাশের লোক জনের সামনে উক্ত নবজাতক শিশু সন্তান তার বলে স্বীকার করেন।
পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) বুলবুল ইসলাম বলেন, স্থানীয়দের মাধ্যমে সংবাদ পাওয়ার পর নবজাতক শিশুর মরদেহ উদ্ধার  করে মর্গে পাঠানো হয়। অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে আদলতে সোপর্দ করা হয়। বিজ্ঞ আদালতে কল্পনা রানী ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।