বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৪ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

কীটনাশক পানে গৃহবধূর আত্মহত্যা

দিনাজপুরের বিরামপুরে কীটনাশক পানে আঞ্জুয়ারা বেগম (৪২) নামের এক গৃহবধূ আত্মহত্যা করেছে।

শনিবার(৮ জুলাই) দুপুরে উপজেলার কাটলা ইউনিয়নের মাধুপুর বালুগাড়ি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত আঞ্জুয়ারা বেগম ওই এলাকার মো. মোস্তাফিজুর রহমানের স্ত্রী। আঞ্জুয়ারা বেগম গৃহিনী ছিলেন। তার তিন ছেলে ও এক মেয়ের রয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিরামপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুমন কুমার মহন্ত।

নিহতের স্বজনরা জানান, ‘আঞ্জুয়ারা বেগম বেশ কিছুদিন থেকে মানসিক সমস্যায় ভুগছিলেন। শনিবার সকালে ঘরে চালের মধ্যে থাকা কীটনাশক পান করেন তিনি। পরে পরিবারের লোকজন টের পেয়ে তাকে উদ্ধার করে বিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক আঞ্জুয়ারাকে দিনাজপুর এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়। দিনাজপুর মেডিকেলে নেওয়ার পথে দুপুর সাড়ে ১২ টার দিকে আমবাড়ি নামক স্থানে পৌছালে সেখানে তার মৃত্যু হয়।’

বিরামপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুমন কুমার মহন্ত আমাদের সময়কে বলেন, ‘খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে সুরতহাল রির্পোট তৈরি করে। পরিবারের কোন অভিযোগ না থাকায় আঞ্জুয়ারা’র মরদেহ আইনি প্রক্রিয়া শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।’

জনপ্রিয়

কীটনাশক পানে গৃহবধূর আত্মহত্যা

প্রকাশের সময়: ০৮:৪০:০০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ জুলাই ২০২৩

দিনাজপুরের বিরামপুরে কীটনাশক পানে আঞ্জুয়ারা বেগম (৪২) নামের এক গৃহবধূ আত্মহত্যা করেছে।

শনিবার(৮ জুলাই) দুপুরে উপজেলার কাটলা ইউনিয়নের মাধুপুর বালুগাড়ি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত আঞ্জুয়ারা বেগম ওই এলাকার মো. মোস্তাফিজুর রহমানের স্ত্রী। আঞ্জুয়ারা বেগম গৃহিনী ছিলেন। তার তিন ছেলে ও এক মেয়ের রয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিরামপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুমন কুমার মহন্ত।

নিহতের স্বজনরা জানান, ‘আঞ্জুয়ারা বেগম বেশ কিছুদিন থেকে মানসিক সমস্যায় ভুগছিলেন। শনিবার সকালে ঘরে চালের মধ্যে থাকা কীটনাশক পান করেন তিনি। পরে পরিবারের লোকজন টের পেয়ে তাকে উদ্ধার করে বিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক আঞ্জুয়ারাকে দিনাজপুর এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়। দিনাজপুর মেডিকেলে নেওয়ার পথে দুপুর সাড়ে ১২ টার দিকে আমবাড়ি নামক স্থানে পৌছালে সেখানে তার মৃত্যু হয়।’

বিরামপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুমন কুমার মহন্ত আমাদের সময়কে বলেন, ‘খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে সুরতহাল রির্পোট তৈরি করে। পরিবারের কোন অভিযোগ না থাকায় আঞ্জুয়ারা’র মরদেহ আইনি প্রক্রিয়া শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।’