বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৪ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ছোট ভাইয়ের কাঁচির আঘাতে প্রাণ গেল বড় ভাইয়ের

গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলায় শ্যালো মেশিন বিক্রি করাকে কেন্দ্র করে আকুল মিয়ার (৩৫) কাঁচির আঘাতে তার বড় ভাই রাখু মিয়া (৪০) নিহত হয়েছেন।

বুধবার (১২ জুলাই) সকালে উপজেলার মনোহরপুর (মুন্সিপাড়া) গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত রাখু মিয়া ওই গ্রামের মকবুল হোসেনের ছেলে।

স্বজনরা জানায়, রাখু মিয়ার ব্যবহৃত একটি শ্যালো মেশিন তার ছোট ভাই বিক্রি করার চেষ্টা করে। এতে বাধা দিতে গিয়ে উভয়ের মধ্যে বাকবিতন্ডা শুরু হয়। এরই একপর্যায়ে আকুল মিয়া উত্তেজীত হয়ে রাখুর শরীরে কাঁচি দিয়ে উপর্যপরি আঘাত করে। এসময় গুরুতর আহত হলে তাকে গাইবান্ধা সদর হাসপাতলে নেওয়া হয়। এসময় রাখু মিয়া মারা যায়।

এ বিষয়ে মনোহরপুর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান আব্দুল ওহাব বলেন, দুই ভায়ের মধ্যে মারামারির ঘটনায় রাখু মিয়া রামের একজন মারা গেছেন।

পলাশবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাসুদ রানা বলেন, মনোহরপুর (মুন্সিপাড়া) গ্রামে রাখু মিয়া নামের নিহত হয়েছে। এ ঘটনার খবর পেয়ে তার মরদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে।

জনপ্রিয়

ছোট ভাইয়ের কাঁচির আঘাতে প্রাণ গেল বড় ভাইয়ের

প্রকাশের সময়: ০৩:৫৪:২৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ জুলাই ২০২৩

গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলায় শ্যালো মেশিন বিক্রি করাকে কেন্দ্র করে আকুল মিয়ার (৩৫) কাঁচির আঘাতে তার বড় ভাই রাখু মিয়া (৪০) নিহত হয়েছেন।

বুধবার (১২ জুলাই) সকালে উপজেলার মনোহরপুর (মুন্সিপাড়া) গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত রাখু মিয়া ওই গ্রামের মকবুল হোসেনের ছেলে।

স্বজনরা জানায়, রাখু মিয়ার ব্যবহৃত একটি শ্যালো মেশিন তার ছোট ভাই বিক্রি করার চেষ্টা করে। এতে বাধা দিতে গিয়ে উভয়ের মধ্যে বাকবিতন্ডা শুরু হয়। এরই একপর্যায়ে আকুল মিয়া উত্তেজীত হয়ে রাখুর শরীরে কাঁচি দিয়ে উপর্যপরি আঘাত করে। এসময় গুরুতর আহত হলে তাকে গাইবান্ধা সদর হাসপাতলে নেওয়া হয়। এসময় রাখু মিয়া মারা যায়।

এ বিষয়ে মনোহরপুর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান আব্দুল ওহাব বলেন, দুই ভায়ের মধ্যে মারামারির ঘটনায় রাখু মিয়া রামের একজন মারা গেছেন।

পলাশবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাসুদ রানা বলেন, মনোহরপুর (মুন্সিপাড়া) গ্রামে রাখু মিয়া নামের নিহত হয়েছে। এ ঘটনার খবর পেয়ে তার মরদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে।