শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

কখনো জেল সুপার, কখনো পুলিশ কর্মকর্তা কিংবা আইনজীবী পরিচয়ে প্রতারণা

নিজেকে এমন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত দিয়ে ফোন করতেন কারাগারে বন্দি থাকা আসামিদের নিকট আত্মীয়-স্বজনদের কাছে। কখনো জেল সুপার, কখনো পুলিশ কর্মকর্তা কিংবা আইনজীবী বলে পরিচয় দিতেন।
বিভিন্ন উপায়ে আসামি মুক্ত করার কথা বলে স্বজনদের কাছ থেকে হাতিয়ে নিতেন লাখ লাখ টাকা। চক্রটির মুল হোতা ও তার সহযোগীকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)।
রোববার (২৫ ফেব্রুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে র‌্যাবের পাবনা ক্যাম্পে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান র‌্যাব-১২ সিপিসি-২ এর কোম্পানি কমান্ডার মেজর মো. এহতেশামুল হক খান।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন পাবনার চাটমোহর উপজেলার বিলচলন ইউনিয়নের বোঁথড়ের আহাদ মোড় এলাকার আজহার সরকারের ছেলে মো. মামুন হোসেন (৩০) ও একই এলাকার শাহ আলমের ছেলে মো. ইমরান হোসেন (২৮)।
এহতেশামুল হক খান জানান, সাম্প্রতিক সময়ে দেশের বিভিন্ন এলাকার আদালত প্রাঙ্গণে উদ্বেগ উৎকণ্ঠা নিয়ে আসামিদের আত্মীয়-স্বজনেরা অপেক্ষা করেন।
কেউ জামিনের জন্য আবার কেউ অপেক্ষা করেন কারাগার থেকে হাজিরা দিতে আসা স্বজনদের একনজর দেখার জন্য।
এ ধরনের ব্যক্তিদের আত্মীয়-স্বজনদের টার্গেট করে এক ধরনের প্রতারক চক্র। কখনো জেল সুপার, কখনো জেলা পুলিশ,
কখনো বা উকিল পরিচয়ে আত্মীয়স্বজনের মোবাইল নাম্বারে ফোন করে সহযোগিতার আশ্বাস দেন এবং জামিন ও মামলার নিষ্পত্তির কথা বলে হাতিয়ে নেন লাখ লাখ টাকা।
এই চক্রটি দীর্ঘদিন ধরে পাবনা জেলাতে নানা কৌশলে মোবাইলের মাধ্যমে প্রতারণা করে আসছে।
তিনি আরও জানান, এ রকম একটি ঘটনায় প্রতারণার স্বীকার হয়ে একজন র‌্যাবের কাছে একটি লিখিত অভিযোগ করলে মাঠে নামে র‌্যাব।
এরই ধারাবাহিকতায় গত ২৪ ফেব্রুয়ারি অভিযান চালিয়ে চক্রের মূলহোতা মো. মামুন ও তার সহযোগী ইমরান হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা প্রতারণার বিষয়টি স্বীকার করেছেন।

কখনো জেল সুপার, কখনো পুলিশ কর্মকর্তা কিংবা আইনজীবী পরিচয়ে প্রতারণা

প্রকাশের সময়: ০৬:২৩:২৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
নিজেকে এমন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত দিয়ে ফোন করতেন কারাগারে বন্দি থাকা আসামিদের নিকট আত্মীয়-স্বজনদের কাছে। কখনো জেল সুপার, কখনো পুলিশ কর্মকর্তা কিংবা আইনজীবী বলে পরিচয় দিতেন।
বিভিন্ন উপায়ে আসামি মুক্ত করার কথা বলে স্বজনদের কাছ থেকে হাতিয়ে নিতেন লাখ লাখ টাকা। চক্রটির মুল হোতা ও তার সহযোগীকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)।
রোববার (২৫ ফেব্রুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে র‌্যাবের পাবনা ক্যাম্পে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান র‌্যাব-১২ সিপিসি-২ এর কোম্পানি কমান্ডার মেজর মো. এহতেশামুল হক খান।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন পাবনার চাটমোহর উপজেলার বিলচলন ইউনিয়নের বোঁথড়ের আহাদ মোড় এলাকার আজহার সরকারের ছেলে মো. মামুন হোসেন (৩০) ও একই এলাকার শাহ আলমের ছেলে মো. ইমরান হোসেন (২৮)।
এহতেশামুল হক খান জানান, সাম্প্রতিক সময়ে দেশের বিভিন্ন এলাকার আদালত প্রাঙ্গণে উদ্বেগ উৎকণ্ঠা নিয়ে আসামিদের আত্মীয়-স্বজনেরা অপেক্ষা করেন।
কেউ জামিনের জন্য আবার কেউ অপেক্ষা করেন কারাগার থেকে হাজিরা দিতে আসা স্বজনদের একনজর দেখার জন্য।
এ ধরনের ব্যক্তিদের আত্মীয়-স্বজনদের টার্গেট করে এক ধরনের প্রতারক চক্র। কখনো জেল সুপার, কখনো জেলা পুলিশ,
কখনো বা উকিল পরিচয়ে আত্মীয়স্বজনের মোবাইল নাম্বারে ফোন করে সহযোগিতার আশ্বাস দেন এবং জামিন ও মামলার নিষ্পত্তির কথা বলে হাতিয়ে নেন লাখ লাখ টাকা।
এই চক্রটি দীর্ঘদিন ধরে পাবনা জেলাতে নানা কৌশলে মোবাইলের মাধ্যমে প্রতারণা করে আসছে।
তিনি আরও জানান, এ রকম একটি ঘটনায় প্রতারণার স্বীকার হয়ে একজন র‌্যাবের কাছে একটি লিখিত অভিযোগ করলে মাঠে নামে র‌্যাব।
এরই ধারাবাহিকতায় গত ২৪ ফেব্রুয়ারি অভিযান চালিয়ে চক্রের মূলহোতা মো. মামুন ও তার সহযোগী ইমরান হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা প্রতারণার বিষয়টি স্বীকার করেছেন।