সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৪ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

চিরিরবন্দরে অধ্যক্ষের পদত্যাগের দাবিতে মানববন্ধন

দিনাজপুরের চিরিরবন্দর উপজেলার আউলিয়াপুকুর হাইউল উলুম ফাযিল মাদরাসার অবৈধ নিয়োগ বাণিজ্যের অভিযোগ এনে অধ্যক্ষের পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল, মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে মাদরাসার শিক্ষার্থীসহ এলাকাবাসী। গতকাল ১ আগস্ট রবিবার উপজেলার আউলিয়াপুকুর ইউনিয়নের ওই মাদরাসার অধ্যক্ষের পদত্যাগ দাবিতে এই বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন করেছে।

মানবজন্ধনে শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করে বলেন, অধ্যক্ষ মো. আব্দুর রাজ্জাক দীর্ঘদিন ধরে এই মাদরাসাটিকে ধরে কোটি কোটি টাকা অবৈধভাবে আতœসাৎ করেছেন। দীর্ঘদিন ধরে দাবি করে আসা হলেও মেয়ে শিক্ষার্থীদের জন্য একটি পৃথক টয়লেট তৈরি করেননি। তিনি বিভিন্ন শিক্ষক, কর্মচারী ও কর্মকর্তা পদে নিয়োগ বাণিজ্যের টাকা অবৈধভাবে গ্রহণ করলেও হিসাব প্রদান করেননি। মাদরাসার মাঠ ভরাটের বিষয়ে বিভিন্ন সময়ে সরকারি বাজেট, শিক্ষকদের টাইম স্কেল দেয়া বাবদ, অতিরিক্ত ফরম ফিলআপ ও রেজিস্ট্রেশন ফি, পরীক্ষার ফিসহ শিক্ষার্থীদের নিকট থেকে অতিরিক্ত ফি আদায় করার অভিযোগ তুলে ধরেন তারা। বর্তমানে অধ্যক্ষের এইসব অনৈতিকর কার্যক্রমের কারণে খাতা-কলমে ১৫০জন শিক্ষার্থী থাকলেও প্রতিদিন ৩০-৩৫জন উপস্থিত হয়।

ওই মাদরাসার সাবেক শিক্ষার্থী নুর ইসলাম, মাসুদ রানা, ছাত্রী সানজিদা আক্তার স্বর্ণা, স্থানীয় বাসিন্দা মো. কাইজার রহমান, মাদরাসার ভাইস প্রিন্সিপাল হাফিজুর রহমান বক্তব্য রাখেন। এ ব্যাপারে এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপজেলা নির্বাহী অফিসারের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

জনপ্রিয়

চিরিরবন্দরে অধ্যক্ষের পদত্যাগের দাবিতে মানববন্ধন

প্রকাশের সময়: ০৭:৪২:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৪

দিনাজপুরের চিরিরবন্দর উপজেলার আউলিয়াপুকুর হাইউল উলুম ফাযিল মাদরাসার অবৈধ নিয়োগ বাণিজ্যের অভিযোগ এনে অধ্যক্ষের পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল, মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে মাদরাসার শিক্ষার্থীসহ এলাকাবাসী। গতকাল ১ আগস্ট রবিবার উপজেলার আউলিয়াপুকুর ইউনিয়নের ওই মাদরাসার অধ্যক্ষের পদত্যাগ দাবিতে এই বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন করেছে।

মানবজন্ধনে শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করে বলেন, অধ্যক্ষ মো. আব্দুর রাজ্জাক দীর্ঘদিন ধরে এই মাদরাসাটিকে ধরে কোটি কোটি টাকা অবৈধভাবে আতœসাৎ করেছেন। দীর্ঘদিন ধরে দাবি করে আসা হলেও মেয়ে শিক্ষার্থীদের জন্য একটি পৃথক টয়লেট তৈরি করেননি। তিনি বিভিন্ন শিক্ষক, কর্মচারী ও কর্মকর্তা পদে নিয়োগ বাণিজ্যের টাকা অবৈধভাবে গ্রহণ করলেও হিসাব প্রদান করেননি। মাদরাসার মাঠ ভরাটের বিষয়ে বিভিন্ন সময়ে সরকারি বাজেট, শিক্ষকদের টাইম স্কেল দেয়া বাবদ, অতিরিক্ত ফরম ফিলআপ ও রেজিস্ট্রেশন ফি, পরীক্ষার ফিসহ শিক্ষার্থীদের নিকট থেকে অতিরিক্ত ফি আদায় করার অভিযোগ তুলে ধরেন তারা। বর্তমানে অধ্যক্ষের এইসব অনৈতিকর কার্যক্রমের কারণে খাতা-কলমে ১৫০জন শিক্ষার্থী থাকলেও প্রতিদিন ৩০-৩৫জন উপস্থিত হয়।

ওই মাদরাসার সাবেক শিক্ষার্থী নুর ইসলাম, মাসুদ রানা, ছাত্রী সানজিদা আক্তার স্বর্ণা, স্থানীয় বাসিন্দা মো. কাইজার রহমান, মাদরাসার ভাইস প্রিন্সিপাল হাফিজুর রহমান বক্তব্য রাখেন। এ ব্যাপারে এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপজেলা নির্বাহী অফিসারের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।