শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নারীদের স্বাবলম্বী করতে হিলিতে মাশরুম চাষে প্রশিক্ষণ 

মাশরুম চাষ করে নিজেকে সফল নারী উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলেছেন দিনাজপুরের হাকিমপুর (হিলি) উপজেলার শাপলা শারমিন। বর্তমানে অন্যান্য নারীদের স্বাবলম্বী করতে দিচ্ছেন মাশরুম চাষের প্রশিক্ষণ।

শাপলা শারমিন জানান, প্রায় তিন বছর আগে হিলি শহরের হীরামতি সিনেমা হলের পূর্ব পাশে ২৯টি মাশরুমের বেড দিয়ে যাত্রা শুরু করেন তিনি। এখন তার খামারে প্রায় পাঁচ হাজার মাশরুম বেড রয়েছে। বেড তৈরির ১৫ থেকে ২০ দিনের মধ্যে মাশরুম উৎপাদন হয়। প্রতিদিন খামার থেকে উত্তোলন করেন ৭ থেকে ৮ কেজি মাশরুম। প্রতিকেজি মাশরুম ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করে মাসে আয় হয় ৩৫ হাজার থেকে ৪০ হাজার টাকা।

নারী উদ্যোক্তা আরমিন আক্তার পলি বলেন, আমার একটি ছাদ বাগান আছে। মাশরুম চাষি শাপলা আপার বাসায় আসছি, প্রশিক্ষণ নিতে। তিনি মাশরুম চাষ করে যেভাবে স্বাবলম্বী হয়েছেন; ইনশাআল্লাহ আমিও একদিন নিজেকে স্বাবলম্বী করে তুলব।

মাশরুম চাষে প্রশিক্ষণ নিতে আসা তাছলিমা আক্তার নামে এক নারী বলেন, প্রশিক্ষণ নেওয়ার জন্য গ্রাম থেকে এখানে এসেছি। আশা করছি, মাশরুম চাষ করে ভালো কিছু করতে পারব।

মাশরুম চাষি শাপলা শারমিন বলেন, মাশরুম চাষে তেমন কোনো খরচ নেই। বর্তমানে অনেক নারী প্রশিক্ষণ নিতে আসছেন। আশা করব, প্রশিক্ষণ নিয়ে তারাও স্বাবলম্বী হবেন।

হাকিমপুর নারী উদ্যোক্তা ফোরামের সাধারণ সম্পাদক হামিদা আক্তার ডালিম বলেন, আমরা নারী, আমরাও পারি। শহর কিংবা গ্রামে আমরা পৌঁছে যাব সবখানে। পুরুষের পাশাপাশি হাকিমপুর নারী উদ্যোক্তারা এগিয়ে যাচ্ছি। সংসারের হাল ধরতে স্বামীর পাশাপাশি আমরাও আর্থিকভাবে সহযোগিতা করছি।

হাকিমপুর নারী উদ্যোক্তা ফোরামের সভাপতি রোমেনা আক্তার মনি বলেন, শাপলা শারমিন একজন সফল নারী উদ্যোক্তা। তিনি এখন নারীদের স্বাবলম্বী করতে প্রশিক্ষণ দিচ্ছেন। নারীদের বলব, আপনারা ঘরে বসে না থেকে কিছু একটা করেন; নিজেকে স্বাবলম্বী করে তুলেন। দেখবেন সংসার এবং সমাজে আপনার গ্রহণযোগ্যতা বেড়ে যাবে।

নারীদের স্বাবলম্বী করতে হিলিতে মাশরুম চাষে প্রশিক্ষণ 

প্রকাশের সময়: ০৪:০১:১৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৪

মাশরুম চাষ করে নিজেকে সফল নারী উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলেছেন দিনাজপুরের হাকিমপুর (হিলি) উপজেলার শাপলা শারমিন। বর্তমানে অন্যান্য নারীদের স্বাবলম্বী করতে দিচ্ছেন মাশরুম চাষের প্রশিক্ষণ।

শাপলা শারমিন জানান, প্রায় তিন বছর আগে হিলি শহরের হীরামতি সিনেমা হলের পূর্ব পাশে ২৯টি মাশরুমের বেড দিয়ে যাত্রা শুরু করেন তিনি। এখন তার খামারে প্রায় পাঁচ হাজার মাশরুম বেড রয়েছে। বেড তৈরির ১৫ থেকে ২০ দিনের মধ্যে মাশরুম উৎপাদন হয়। প্রতিদিন খামার থেকে উত্তোলন করেন ৭ থেকে ৮ কেজি মাশরুম। প্রতিকেজি মাশরুম ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করে মাসে আয় হয় ৩৫ হাজার থেকে ৪০ হাজার টাকা।

নারী উদ্যোক্তা আরমিন আক্তার পলি বলেন, আমার একটি ছাদ বাগান আছে। মাশরুম চাষি শাপলা আপার বাসায় আসছি, প্রশিক্ষণ নিতে। তিনি মাশরুম চাষ করে যেভাবে স্বাবলম্বী হয়েছেন; ইনশাআল্লাহ আমিও একদিন নিজেকে স্বাবলম্বী করে তুলব।

মাশরুম চাষে প্রশিক্ষণ নিতে আসা তাছলিমা আক্তার নামে এক নারী বলেন, প্রশিক্ষণ নেওয়ার জন্য গ্রাম থেকে এখানে এসেছি। আশা করছি, মাশরুম চাষ করে ভালো কিছু করতে পারব।

মাশরুম চাষি শাপলা শারমিন বলেন, মাশরুম চাষে তেমন কোনো খরচ নেই। বর্তমানে অনেক নারী প্রশিক্ষণ নিতে আসছেন। আশা করব, প্রশিক্ষণ নিয়ে তারাও স্বাবলম্বী হবেন।

হাকিমপুর নারী উদ্যোক্তা ফোরামের সাধারণ সম্পাদক হামিদা আক্তার ডালিম বলেন, আমরা নারী, আমরাও পারি। শহর কিংবা গ্রামে আমরা পৌঁছে যাব সবখানে। পুরুষের পাশাপাশি হাকিমপুর নারী উদ্যোক্তারা এগিয়ে যাচ্ছি। সংসারের হাল ধরতে স্বামীর পাশাপাশি আমরাও আর্থিকভাবে সহযোগিতা করছি।

হাকিমপুর নারী উদ্যোক্তা ফোরামের সভাপতি রোমেনা আক্তার মনি বলেন, শাপলা শারমিন একজন সফল নারী উদ্যোক্তা। তিনি এখন নারীদের স্বাবলম্বী করতে প্রশিক্ষণ দিচ্ছেন। নারীদের বলব, আপনারা ঘরে বসে না থেকে কিছু একটা করেন; নিজেকে স্বাবলম্বী করে তুলেন। দেখবেন সংসার এবং সমাজে আপনার গ্রহণযোগ্যতা বেড়ে যাবে।