শনিবার, ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নির্মাণ কাজ শেষ হওয়ার আগেই ভেঙে পড়ল সেতু

সুনামগঞ্জে নির্মাণ কাজ শেষ হওয়ার আগেই ভেঙে পড়েছে একটি সেতু। সুনামগঞ্জ-জগন্নাথপুর সড়কের কোন্দানালা খালের ওপর নির্মিত এটি সোমবার (১ মার্চ) ভোর রাতে ভেঙে পড়ে। নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার করায় সেতুটি ভেঙে পড়েছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।
সেতু নির্মাণেরসঙ্গে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, গার্ডার বসানোর সময় হাইড্রোলিক জ্যাক বিকল হয়ে সেতুটি ধসে গেছে। তবে বিকল্প সড়ক থাকায় ধসের কারণে সড়কে যান চলাচল ব্যাহত হয়নি। প্রায় দুই বছর থেকে সেতুটির নির্মাণ কাজ চলছে। প্রতিদিন ৩০-৪০ জন শ্রমিক এটির কাজ করে যাচ্ছেন।
সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগ জানায়, সোমবার ভোরে অন্য স্থানে তৈরি করা গার্ডার সেতুর পাটাতনের ওপর বাসানের কাজ শুরু করে কর্তৃপক্ষ। এ সময় চারটি হাইড্রোলিক জ্যাকের একটি বিকল হয়ে গেলে সেতুটি ধসে গিয়ে মাটিতে বসে যায়।
সওজ আরও জানায়, ২০১৯-২০ অর্থবছরে সুনামগঞ্জ-জগন্নাথপুর সড়কে ৫৩ কোটি টাকা ব্যয়ে তিনটি সেতু নির্মাণের কাজ শুরু হয়। বাস্তবায়নের কাজ পায় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এএম বিল্ডার্স।
সওজ’র উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী কাজী নজরুল ইসলাম বলেন, ‘গার্ডার ধসের ফলে সেতুর মূল কাঠামোর কোনো রকমের ক্ষতি হয়নি। ধসে যাওয়া গার্ডারগুলো ঠিকাদার তার নিজ খরচে অপসারণ করে নতুন করে গার্ডার বসিয়ে দেবেন।
জনপ্রিয়

নির্মাণ কাজ শেষ হওয়ার আগেই ভেঙে পড়ল সেতু

প্রকাশের সময়: ০৫:৩৯:৪০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ মার্চ ২০২১
সুনামগঞ্জে নির্মাণ কাজ শেষ হওয়ার আগেই ভেঙে পড়েছে একটি সেতু। সুনামগঞ্জ-জগন্নাথপুর সড়কের কোন্দানালা খালের ওপর নির্মিত এটি সোমবার (১ মার্চ) ভোর রাতে ভেঙে পড়ে। নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার করায় সেতুটি ভেঙে পড়েছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।
সেতু নির্মাণেরসঙ্গে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, গার্ডার বসানোর সময় হাইড্রোলিক জ্যাক বিকল হয়ে সেতুটি ধসে গেছে। তবে বিকল্প সড়ক থাকায় ধসের কারণে সড়কে যান চলাচল ব্যাহত হয়নি। প্রায় দুই বছর থেকে সেতুটির নির্মাণ কাজ চলছে। প্রতিদিন ৩০-৪০ জন শ্রমিক এটির কাজ করে যাচ্ছেন।
সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগ জানায়, সোমবার ভোরে অন্য স্থানে তৈরি করা গার্ডার সেতুর পাটাতনের ওপর বাসানের কাজ শুরু করে কর্তৃপক্ষ। এ সময় চারটি হাইড্রোলিক জ্যাকের একটি বিকল হয়ে গেলে সেতুটি ধসে গিয়ে মাটিতে বসে যায়।
সওজ আরও জানায়, ২০১৯-২০ অর্থবছরে সুনামগঞ্জ-জগন্নাথপুর সড়কে ৫৩ কোটি টাকা ব্যয়ে তিনটি সেতু নির্মাণের কাজ শুরু হয়। বাস্তবায়নের কাজ পায় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এএম বিল্ডার্স।
সওজ’র উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী কাজী নজরুল ইসলাম বলেন, ‘গার্ডার ধসের ফলে সেতুর মূল কাঠামোর কোনো রকমের ক্ষতি হয়নি। ধসে যাওয়া গার্ডারগুলো ঠিকাদার তার নিজ খরচে অপসারণ করে নতুন করে গার্ডার বসিয়ে দেবেন।