মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬, ৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ধান ক্ষেতের সঙ্গে শত্রুতা

Digital Camera

প্রান্তিক কৃষক মাজহারুল সরকার। নিজের চালের ভাত খাবেন, এমন আশা নিয়ে ৫১ শতক জমিতে রোপণ করেছিলেন বোরো ধানের চারা। কিন্তু বিধিবাম! রাতের আঁধারে কারা যেন ক্ষতিকারক কীটনাশক স্প্রে করে ধানগাছগুলো পুড়িয়ে ফেলেছে।

শনিবার (০৬ মার্চ)  গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার ফরিদপুর ইউনিয়নের উত্তর ফরিদপুর গ্রামে গিয়ে এমনটি দেখা যায়। এ ঘটনায় দুশ্চিন্তায় পড়েছেন মাজহারুল।

জানা গেছে, ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক মাজহারুল সরকার উত্তর ফরিদপুর গ্রামের মজনু সরকারের ছেলে। তিনি ৫১ শতক জমিতে বোরো ধানের চারা রোপণ করেছিলেন। এ ফসল ঘরে তুলে নিজ পরিবারের খাদ্য চাহিদা মেটাবেন। এমন বুকভরা আশা নিয়ে আত্নীয়-স্বজনদের কাছ থেকে ঋণ নিয়ে বোরো ধান আবাদ করেন।

 

মাসখানেক আগে রোপণ করা ক্ষেতটি সম্প্রতি গাঢ় সবুজে পরিণত হয়েছিল। এতে দেখা দিয়েছিল বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা। কিন্তু সপ্তাহখানেক আগে রাতের আঁধারে কে বা কারা এই ধানখেতে ক্ষতিকারক কীটনাশক স্প্রে করে পুড়িয়ে দেয়। এতে করে প্রায় ৩০-৩৫ হাজার টাকা মূল্যের ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হয় তার।

ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক মাজহারুল সরকার বলেন, ‘ধান চাষাবাদে ইতোমধ্যে প্রায় ১০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। এই টাকা আত্নীয়-স্বজনদের কাছ থেকে ঋণ নেয়া। রোপণকৃত ৫১ শতক জমি থেকে প্রায় ৩০-৩৫ মণ ধান উৎপাদন হতো।’

তিনি আরও বলেন, ‘কারা এই ধান ক্ষেত পুড়িয়ে ফেলেছে, তা ধারণা করতে পারছি। এ ব্যাপারে আমি আইনের আশ্রয় নেব।

জনপ্রিয়

ধান ক্ষেতের সঙ্গে শত্রুতা

প্রকাশের সময়: ১০:০৮:৫৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ মার্চ ২০২১

প্রান্তিক কৃষক মাজহারুল সরকার। নিজের চালের ভাত খাবেন, এমন আশা নিয়ে ৫১ শতক জমিতে রোপণ করেছিলেন বোরো ধানের চারা। কিন্তু বিধিবাম! রাতের আঁধারে কারা যেন ক্ষতিকারক কীটনাশক স্প্রে করে ধানগাছগুলো পুড়িয়ে ফেলেছে।

শনিবার (০৬ মার্চ)  গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার ফরিদপুর ইউনিয়নের উত্তর ফরিদপুর গ্রামে গিয়ে এমনটি দেখা যায়। এ ঘটনায় দুশ্চিন্তায় পড়েছেন মাজহারুল।

জানা গেছে, ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক মাজহারুল সরকার উত্তর ফরিদপুর গ্রামের মজনু সরকারের ছেলে। তিনি ৫১ শতক জমিতে বোরো ধানের চারা রোপণ করেছিলেন। এ ফসল ঘরে তুলে নিজ পরিবারের খাদ্য চাহিদা মেটাবেন। এমন বুকভরা আশা নিয়ে আত্নীয়-স্বজনদের কাছ থেকে ঋণ নিয়ে বোরো ধান আবাদ করেন।

 

মাসখানেক আগে রোপণ করা ক্ষেতটি সম্প্রতি গাঢ় সবুজে পরিণত হয়েছিল। এতে দেখা দিয়েছিল বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা। কিন্তু সপ্তাহখানেক আগে রাতের আঁধারে কে বা কারা এই ধানখেতে ক্ষতিকারক কীটনাশক স্প্রে করে পুড়িয়ে দেয়। এতে করে প্রায় ৩০-৩৫ হাজার টাকা মূল্যের ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হয় তার।

ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক মাজহারুল সরকার বলেন, ‘ধান চাষাবাদে ইতোমধ্যে প্রায় ১০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। এই টাকা আত্নীয়-স্বজনদের কাছ থেকে ঋণ নেয়া। রোপণকৃত ৫১ শতক জমি থেকে প্রায় ৩০-৩৫ মণ ধান উৎপাদন হতো।’

তিনি আরও বলেন, ‘কারা এই ধান ক্ষেত পুড়িয়ে ফেলেছে, তা ধারণা করতে পারছি। এ ব্যাপারে আমি আইনের আশ্রয় নেব।