তোফায়েল হোসেন জাকির: আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে শাপলা কলি প্রতীক নিয়ে অংশ নিবে জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপি। এ নির্বাচনকে ঘিরে ইতোমধ্যে দলটির মনোনয়ন ফরম প্রদান ও গ্রহণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এরই মধ্যে গাইবান্ধা জেলার ৫টি আসন থেকে এ পর্যন্ত বেশ কিছু প্রার্থী তাদের মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ ও তা জমা করেছেন বলে জানা গেছে।
গাইবান্ধা জেলা থেকে এ পর্যন্ত যারা মনোনয়ন প্রত্যাশা করছেন- গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ) আসনে আল শাহাদাৎ জামান জিকো, গাইবান্ধা-২ (সদর) ফিহাদুর রহমান দিবস, অ্যাডভোকেট জাকিউল ইসলাম সরকার স্বাধীন, জোবায়ের আহমেদ, গাইবান্ধা-৩ (সাদুল্লাপুর-পলাশবাড়ী) নাজমুল হাসান সোহাগ, গাইবান্ধা-৪ (গোবিন্দগঞ্জ) মতিউর রহমান, ডা. জাহাঙ্গীর আলম ডাবলু, গাইবান্ধা-৫, (ফুলছড়ি-সাঘাটা) আসন থেকে মাহমুদ মোত্তাকিম, জাহিদ হাসান জীবন, আল-নাহিয়ান সৈকত ও অ্যাডভোকেট মুহাম্মদ আশিকুর রহমান মুন। এছাড়া আরও কয়েকজনের নাম শোনা যাচ্ছে।
দলটির পক্ষ থেকে জানানো হয়- নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এনসিপির মনোনয়নের জন্য আবেদন করার সর্বশেষ তারিখ আগামী ২০ নভেম্বর।
স্থানীয় সু্ত্রে জানা গেছে- ইতোমধ্যে এনসিপির সম্ভাব্য প্রার্থীরা ভোটের মাঠে নেমেছেন। তারা ফেস্টুন সাঁটানোসহ নির্বাচনি এলাকায় উঠান বৈঠক করেছেন। প্রচার-প্রচারণায় তুঙ্গে উঠেছে। ফেসবুক প্রচারেও সরব তারা। যেন সর্বত্র উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি হয়েছে।
ভোটাররা বলছেন, আওয়ামী লীগ দেশে দু:শাসন চালানোর কারনে দেশ থেকে পালিয়ে যেতে হয়েছে। আবার যদি কোন দল সাধারণ মানুষের উপর নির্যাতন, জুলুম করে দু:শাসন চালানো পরিকল্পনা করে, সেই দলের যত ভালো প্রার্থীই হোক, তাদের ভোট আর সাধারণ মানুষ দিবে না। যে দলের নেতাকর্মীদের দ্বারা সাধারণ মানুষের কোন ক্ষতি হবে না, তাদের ভোট দেওয়ার পরিকল্পনা করছেন তারা।
তরুণ ভোটার মেহেদী জাসান জীম বলেন, এবারের নির্বাচন হবে তারণ্যর। তাই সত্য ও যোগ্য ব্যক্তিকেই তরুণরা ভোটের মাধ্যমে এমপি নির্বাচিত করবে। তবেই জনগণের আকাঙ্খা পূরণ হবে।
জাতীয় নাগরিক পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) নাজমুল হাসান সোহাগ বলেন- জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে নতুন বাংলাদেশ এসেছে। আর এখান থেকে রাজনৈতিক দল হিসেবে জন্ম হয়েছে এনসিপি। চব্বিশের তরুণরা রক্তের বিনিময়ে যে নতুন স্বাধীনতা এনেছে তা অক্ষত রাখতে হলে আমাদের এনসিপির পক্ষে সবাইকে দাঁড়ানোর আহ্বান করছি।
নাজমুল হাসান সোহাগ আরও বলেন, গাইবান্ধা-৩ আসনে আমিও মনোনয়ন প্রত্যাশী। এ লক্ষ্যে আমার এলাকার প্রতিটি জায়গায় গিয়ে মানুষের সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করছি। আগামী দিনে তাদের কি কি দরকার সেক্ষেত্রে পরিকল্পনা গ্রহণ করেছি। আমি যদি শাপলা কলি প্রতিকে এমপি নির্বাচিত হতে পারি সেই কাজগুলো সুন্দর-সফলভাবে করতে পারব বলে মনে করি।
গাইবান্ধা জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম বলেন, ইসির নির্দেশ অনুযায়ী ইতোমধ্যে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রস্তুতি অনেক এগিয়ে চলছে। জেলার ৫টি আসনে ২০ লাখ ৮৩ হাজার ১০৭ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন।
তোফায়েল হোসেন জাকির, জাগো২৪.নেট 
























